বাংলা নিউজ > বায়োস্কোপ > 'নুসরতকে অনেকবার বলেছিলাম বিয়ের রেজিস্ট্রেশনের জন্য, ও এড়িয়ে গিয়েছে', বিস্ফোরক নিখিল জৈন
বড় খবর

'নুসরতকে অনেকবার বলেছিলাম বিয়ের রেজিস্ট্রেশনের জন্য, ও এড়িয়ে গিয়েছে', বিস্ফোরক নিখিল জৈন

নুসরত ও নিখিল (ছবি-ইনস্টাগ্রাম)
নুসরত ও নিখিল (ছবি-ইনস্টাগ্রাম)

  • নুসরতের অভিযোগের পালটা জবাব দিলেন নিখিল। বললেন, ‘নুসরত আমার সঙ্গে প্রতারণা করেছে’। 

নুসরতের সাত পয়েন্টের বিবৃতিকে চব্বিশ ঘন্টা যেতে না যেতেই নয় পয়েন্টে বিঁধলেন নিখিল জৈন। বুধবার প্রেস বিবৃতি দিয়ে নুসরত জানিয়েছিলেন নিখিলের সঙ্গে তাঁর বিয়ে ‘অবৈধ, বেআইনি' তাই ডিভোর্সের কোনও প্রশ্নই নেই। নিখিলের সঙ্গে নিজের সম্পর্ককে সহবাসের নাম দিয়েছিলেন বসিরহাটের তৃণমূল সাংসদ। শুক্রবার আইনজীবী মারফত নিজের বিবৃতি জারি করেন নিখিল জৈন। 

নিখিল বিবৃতিতে জানন, প্রেমে পড়ে আমি নুসরতকে বিয়ের প্রস্তাব পাঠাই, সেটি ও উচ্ছ্বসিত হয়ে গ্রহণ করেছিল। এরপর  ২০১৯ সালের জুন মাসে তুরস্কের বোদরুমে আমাদের ডেস্টিনেশন বিয়ে হয়। তারপর কলকাকায় রিসেপশন। আমরা স্বামী- স্ত্রীর মতোই আচরণ করতাম। পরিবার এবং বন্ধুবান্ধবের সামনেও আমরা দম্পতি হিসেবেই দাঁড়াতাম। সমাজের চোখে আমরা স্বামী-স্ত্রী ছিলাম।

নিখিল নিজের বিবৃতি জানান, ২০২০ সালের অগস্ট মাসে এক ছবির শ্যুটিংয়ের সময় (এসওএস কলকাতা) আচমকা তাঁর স্ত্রীর আচরণ পালটে যায়।গত বছর নভেম্বরের ৫ তারিখ নুসরত নিখিলের আলিপুরের বাড়ি ছেড়ে নিজের ব্যাগ-পত্তর গুছিয়ে রওনা দেন। নুসরত বালিগঞ্জের ফ্ল্যাটে শিফট করেন বলে জানান নিখিল। তিনি যোগ করেন নুসরত নিজের সমস্ত মূল্যবান সম্পত্তি, কাগজ-পত্র সব গুছিয়ে নিয়ে গিয়েছিলেন। শিফট করে যাওয়ার পরে নুসরতের জারুরি কাগজপত্র (যেমন আইটি রির্টানের ফাইল) তাঁর কাছে পৌঁছে দেওয়া হয়েছিল। 

নিখিল জানান, ২০১৯ সালের জুন মাস থেকে ২০২০ সালের নভেম্বরের ৫ তারিখ পর্যন্ত তাঁরা স্বামী-স্ত্রী হিসাবেই থেকেছেন। এবং এই সময়কালের মধ্যে তিনি বহুবার নুসরতকে নিজেদের বিয়ে স্পেশ্যাল ম্যারেজ অ্যাক্ট,১৯৫৪-এর অধীনে রেজিস্টার করতে বলেছিলেন। তবে বরাবর নুসরত এড়িয়ে গিয়েছেন। 

নিখিল জৈন  জানান, গত মার্চের ৮ তারিখ আলিপুর জাজেস কোর্টে নুসরতের বিরুদ্ধে সিভিল স্যুট ফাইল করেছেন তিনি। যেহেতু তাঁদের বিয়ের রেজিস্টার হয়নি, তাই অ্যানালমেন্ট করেই নুসরতের সঙ্গে আলাদা হতে চান নিখিল। তবে নুসরত এই বিয়েটা বিয়ে বলে মানতেই অস্বীকার করায় হতবাক নিখিল, মামলা আদালতে বিচারাধীন হওয়ায় সম্পূর্ণ বিষয় সম্পর্কে খোলাখুলি কথা বলতে পারবেন না তিনি। সংবাদমাধ্যমে তাঁর ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে কাঁটাছেঁড়া করা থেকে বিরত থাকার অনুরোধ জানান শহরের অন্যতম নামজাদা বস্ত্র বিপণী সংস্থার কর্ণধার। 

বন্ধ করুন