বাংলা নিউজ > বায়োস্কোপ > ‘ভাইয়ের মৃত্যুর পর মা-বাবার সামনে কাঁদতেও পারিনি’, আক্ষেপ নিকির
নিকি তম্বোলি
নিকি তম্বোলি

‘ভাইয়ের মৃত্যুর পর মা-বাবার সামনে কাঁদতেও পারিনি’, আক্ষেপ নিকির

  • 'কথা বলার মতো কাউকে পাইনি' ভাইয়ের মৃত্যুর পর নিজেকে কী করে সামলালেন, অকপট নিকি তাম্বোলি।

গত মাসে করোনা আক্রান্ত হয়ে মারা যান প্রাক্তন বিগ বস ১৪-র প্রতিযোগী নিকি তম্বোলির ভাই, যতীন তম্বোলি। সেই সম্পর্কে কথা বলতে গিয়ে অভিনেত্রী জানিয়েছেন, ভাইয়ের মৃত্যুর পর বাবা-মায়ের সামনে কখনো কাঁদতে চাননি তিনি। এমনকি এমন কেউ তাঁর আশেপাশে ছিলনা যাঁকে নিজের অনুভূতির কথা প্রকাশ করতে পেরেছেন তিনি।

কীভাবে সেই সমস্যার সঙ্গে যুঝলের নিকি? সেই সম্পর্কে বলতে গিয়ে বিগ বস ১৪-এর প্রাক্তন প্রতিযোগি জানিয়েছেন, ‘সত্যি বলতে আমি পেরে উঠছিলাম না। আমি এমন কাউকে পাইনি যাঁর সঙ্গে বসে আমি কথা বলতে পারব। এমনকি মা-বাবার সঙ্গেও কথা বলতে পারিনি। আমি এখন কেপ টাউনে রয়েছি। আমি ওঁদের সঙ্গেও ঠিক করে কথা বলতে পারছি না’।

নিকি আরো বলেন, ‘আমার ভাইয়ের সঙ্গে যা হয়েছে সেই নিয়েও আমি ওঁদের সঙ্গে কথা বলতে পারছি না। আমি জানি ওঁদের সামনে আমি নিজের দুর্বলতা দেখালে বা কান্নাকাটি করলে, আমি জানিনা ওঁদের কী অনুভূতি হবে। যা ঘটেছে আমি সেটাকে মেনে নিয়ে এগিয়ে যেতে চাই’।

গত মাসে করোনায় আক্রান্ত হয়ে মারা গেছে নিকি তাম্বোলির ভাই। দুই ভাই-বোনের সম্পর্কের রয়াসন কেমন ছিল, সেই সম্পর্কে বলতে গিয়ে জানিয়েছেন, তিনি বোনের থেকে যতীনের সঙ্গে্ মা হিসেবে বেশি ব্যবহার করতেন। নিকি কথায়, পরিবার যখন তাঁকে শক্ত থাকতে বলছিল, তিনি কিন্তু ভেতর থেকে ভেঙে ছিলেন।

সম্প্রতি কেপ টাউনে রয়েছেন নিকি তাম্বোলি। তাঁর আসন্ন শো ‘খতরো কে খিলাড়ি’র শ্যুটিংয়ে ব্যস্ত তিনি। ভাইয়ের মৃত্যুর দিন কয়েকের মধ্যেই কেপ টাউনে উড়ে যান নিকি।

নিকি জানিয়েছিলেন, তাঁর ভাইয়ের বয়স মাত্র ২৯ বছর ছিল। ফুসফুসে সংক্রমণ নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি করা হয় তাঁকে। একটি ফুসফুসে ভর করেই বেঁচে ছিলেন যতীন। এরপর জানা যায়, তাঁর শরীরে বাসা বেঁধেছে টিউবারকিউলোসিস (যক্ষ্মা), এবং করোনা সংক্রমিত সে। নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত হয় যতীন এবং অবশেষে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হয় নিকির ছোটভাইয়ের।

 

বন্ধ করুন