বাংলা নিউজ > টুকিটাকি > Omicron effects on Brain: ওমিক্রনের ফলে এই সমস্যাটি অনেকের হচ্ছে, প্রথমে বোঝা না গেলেও পড়ে ভোগাচ্ছে এটি

Omicron effects on Brain: ওমিক্রনের ফলে এই সমস্যাটি অনেকের হচ্ছে, প্রথমে বোঝা না গেলেও পড়ে ভোগাচ্ছে এটি

ওমিক্রন পরে একটি প্রভাব ফেলছে শরীরের উপর। (ফাইল ছবি)

যাঁরা পড়াশোনা করছেন, লেখালিখির কাজ করেন বা হিসাব রাখার মতো মাথা খাটানোর কাজের সঙ্গে যুক্ত, তাঁদের এই সমস্যাটি বেশি হচ্ছে। 

ওমিক্রন নিয়ে এখনও অনেক কিছুই অজানা। কিন্তু এটা পরিষ্কার, করোনার অন্য রূপের চেয়ে অনেক দ্রুত ছড়ায় ওমিক্রন। এর উপসর্গের পরিমাণ কম বলে অনেকে টেরও পান না, কিন্তু দায়িত্ব নিয়ে এই জীবাণুটিকে ছড়িয়ে দেন অনেকের মধ্যে। 

কিন্তু ওমিক্রন কি ভবিষ্যতে বিপদ ডেকে আনতে পারে? একবার ওমিক্রন সংক্রমণ হলে কি পরে তার প্রভাব পড়তে পারে শরীরে? কী বলছেন বিজ্ঞানীরা?

হালে ওমিক্রন নিয়ে গবেষণায় উঠে এসেছে একটি তথ্য। এটি করোনার অন্য রূপগুলির ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য। 

সম্প্রতি ক্যালিফোর্নিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকরা ওমিক্রনের প্রভাব নিয়ে একটি গবেষণা চালিয়েছেন। তাতে দেখা গিয়েছে ওমিক্রন এবং করোনার অন্য রূপে আক্রান্ত হওয়ার পরে অনেকেই ঠিক মতো করে কোনও কথা ভাবতে পারছেন না। ভাবনাচিন্তাও জট পাকিয়ে যাচ্ছে অনেকের। বিশেষ করে যাঁদের পড়াশোনা করছেন বা লেখালিখির কাজ করেন, হিসাব রাখার কাজ করেন, তাঁদের ক্ষেত্রে সমস্যা হচ্ছে এর ফলে। 

চিকিৎসার পরিভাষায় একে বলা হচ্ছে Brain Fog। 

 

কী হয় এই সমস্যাটি হলে:

  • মূলত ভাবনাচিন্তা জট পাকিয়ে যায়। কোনও কথা মন দিয়ে ভাবতে গেলে ভাবনার শুরুটা গুলিয়ে যায়।
  • যাঁরা মাথা খাটানোর কাজ করেন, তাঁদের খুব বেশি সমস্যা হয় এর ফলে। বিশেষ করে যাঁদের লেখালিখি করতে হয়, তাঁরা অনেক সময়েই শব্দ হারিয়ে ফেলেন এই সমস্যা।
  • হিসাব রাখার কাজ করার ক্ষেত্রেও সমস্যা হতে পারে এর ফলে।
  • যাঁরা পড়াশোনা করছেন, সেই সব পড়ুয়াদেরও Brain Fog-এর সমস্যা খুব ঝামেলায় ফেলতে পারে।

 

কেন এমন হয়:

ক্যালিফোর্নিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকরা বলছেন, এর প্রধান কারণ Cerebrospinal Fluid-এর উপর প্রভাব ফেলে করোনার জীবাণু। মানুষের মেরুদণ্ড এবং মস্তিষ্কের ভিতরে এক ধরনের তরল থাকে, এটি মস্তিষ্কের এবং স্নায়ুর কাজ পরিচালনা করতে সাহায্য় করে। সেটির ক্ষতি করতে পারে করোনার জীবাণু। আর তাতেই বাড়ে এই সমস্যা।

 

কীভাবে কমবে:

এই সমস্যা সময়ের সঙ্গে সঙ্গে কমে যেতে পারে। তবে বেশি বয়সের অনেকের এই সমস্যা দীর্ঘ দিন থেকে যেতে পারে। তাঁদের চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে নিয়ম করে। চিকিৎসাও করাতে হতে পারে। তেমনই বলছেন বিজ্ঞানীরা।

বন্ধ করুন