বাংলা নিউজ > টুকিটাকি > New Research on Coronavirus: শরীরে কত দিন পর্যন্ত থাকতে পারে করোনাভাইরাস? তত দিন পর্যন্ত সাবধানে থাকতে হবে
কত দিন পর্যন্ত কোভিডের জীবাণু শরীরে থেকে যেতে পারে? (ফাইল ছবি)
কত দিন পর্যন্ত কোভিডের জীবাণু শরীরে থেকে যেতে পারে? (ফাইল ছবি)

New Research on Coronavirus: শরীরে কত দিন পর্যন্ত থাকতে পারে করোনাভাইরাস? তত দিন পর্যন্ত সাবধানে থাকতে হবে

  • করোনা সংক্রমণ সেরে যাওয়ার পরেও কত দিন পর্যন্ত শরীরে থেকে যেতে পারে করোনাভাইরাস? কত দিন পর্যন্ত সাবধানে থাকতে হবে, নজর রাখতে হবে বিভিন্ন উপসর্গের দিকে? 

প্রতি দিনই করোনাভাইরাস নিয়ে নতুন নতুন তথ্য উঠে আসছে গবেষণা থেকে। হালে তেমনই একটি গবেষণা থেকে জানা গেল, কত দিন পর্যন্ত শরীরে বেঁচে থাকতে পারে এই জীবাণুটি। সময়কাল দেখে রীতিমতো হতবাক হয়েছেন অনেকেই। 

সম্প্রতি পৃথিবীর নানা প্রান্ত থেকে ৪৪ জন করোনা আক্রান্তকে বেছে নিয়েছিলেন আমেরিকার ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব হেল্থ-এর বিজ্ঞানীরা। তাঁদের শরীরে নানা পরীক্ষা চালিয়ে যে ফলাফল পাওয়া গিয়েছে, তা প্রকাশ করা হয়েছে ‘নেচার’ নামের পত্রিকায়। সমীক্ষাপত্রে বলা হয়েছে, করোনার জীবাণু কতদিন পর্যন্ত শরীরে থেকে যেতে পারে, সে সম্পর্কে এর আগে ভালো মতো ধারণা ছিল না। এবার সেই ধারণা কিছুটা স্পষ্ট হল।’

এর আগে অনেকেরই ধারণা ছিল, শুধু ফুসফুসেই এই জীবাণুটি সবচেয়ে বেশি মাত্রায় বংশবৃদ্ধি করে। শরীরের অন্য অঙ্গে তার মাত্রা কম। কিন্তু নতুন সমীক্ষা বলছে, সংক্রমণের গোড়ার দিক থেকেই ভাইরাসটি শরীরের অন্য অঙ্গেও ব্যাপক ভাবে বংশ বৃদ্ধি করতে থাকে। এমনকী যাঁদের তেমন কোনও উপসর্গই দেখা দেয়নি, তাঁদের শরীরেও এই ভাইরাসটি দীর্ঘ দিন বেঁচে রয়েছে। বিজ্ঞানী এমন কিছু রোগীও পেয়েছেন, যাঁরা করোনা সংক্রমণে মারা গিয়েছেন। কিন্তু তাঁদের শরীরেও তেমন কোনও উপসর্গ ছিল না। কিন্তু মৃত্যুর পরে তাঁদের শরীর পরীক্ষা করে জানা গিয়েছে, নানা অঙ্গে বিপুল পরিমাণে করোনার জীবাণু বাসা বেঁধে রয়েছে। 

কত দিন পর্যন্ত করোনার জীবাণু শরীরে থেকে যেতে পারে? কী বলছে এই সমীক্ষা?

বিজ্ঞানীরা বলেছেন, বহু বহু মাস। এমন রোগীও পাওয়া গিয়েছে, যাঁদের শরীরে ২০৩ দিন পর্যন্ত বহাল তবিয়তে রয়েছে করোনাভাইরাস। বিশেষ করে মস্তিষ্কে প্রচুর পরিমাণে রয়ে গিয়েছে এগুলো। তাই করোনা সেরে গেল মানেই যে, শরীর থেকে করোনার জীবাণুও চলে গেল, তার কোনও মানে নেই। এর পরেও অন্তত মাস চারেক সাবধানে থাকবে হবে, ন্যূতম সমস্যা হলেই চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে— এমনই বলছেন বিজ্ঞানীরা।

বন্ধ করুন