বাংলা নিউজ > ঘরে বাইরে > অসমে বাজেয়াপ্ত ৭.৬ লাখ মাদক ট্যাবলেট, দাম শুনলে চমকে যাবেন, পুলিশকে ঘুষের টোপ

অসমে বাজেয়াপ্ত ৭.৬ লাখ মাদক ট্যাবলেট, দাম শুনলে চমকে যাবেন, পুলিশকে ঘুষের টোপ

মাদক পাচারে ধৃত ব্যক্তি। 

পুলিশ সুপার হিন্দুস্তান টাইমসকে জানিয়েছেন, ঘটনার খবর পেয়েই আমরা দ্রুত ঘটনাস্থলে যাই। আমাদের এক্সপার্ট টিম ইয়াবা ট্যাবলেটগুলো গুনে দেখে। দেখা যায় ৭.৬ লাখ মাদক ট্যাবলেট রয়েছে। অসমে এখনও পর্যন্ত এটি অন্যতম বড় বাজেয়াপ্ত হওয়ার ঘটনা।

বিশ্ব কল্য়াণ পুরকায়স্থ

মিজোরাম থেকে আসা একটি গাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে মঙ্গলবার অসম পুলিশ প্রায় ৭.৬ লাখ ইয়াবা ট্যাবলেট বাজেয়াপ্ত করেছে। এই যাবৎকালে এত মাদক ট্যাবলেট বাজেয়াপ্ত করা যায়নি। অসমের করিমগঞ্জে এই বিপুল ট্যাবলেট বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে।

এই বিপুল মাদক সহ এক সন্দেহভাজন মাদক কারবারীকে পুলিশ গ্রেফতার করেছে। পুলিশ সূত্রে খবর, আন্তর্জাতিক বাজারে এই মাদক ট্যাবলেটের দাম প্রায় ৫০ কোটি টাকা।

করিমগঞ্জ জেলার পুলিশ সুপার পদ্মনাভ বরুয়া জানিয়েছেন, করিমগঞ্জ শহরের বাগরাকুল চেক পয়েন্ট এলাকায় হোম গার্ডরা ও ভিলেজ ডিফেন্ট পার্টির ওই গাড়িটি দেখে সন্দেহ হয়। তিনি জানিয়েছেন, যখন পুলিশ ও ভিডিপি গাড়িটিকে আটকে এটিকে তল্লাশি চালাতে যান তখন গাড়ি চালক তাদের ২০ লাখ টাকা ঘুষ দিতে চেয়েছিলেন বলে দাবি করা হচ্ছে। তল্লাশি না করেই ফিরে যাওয়ার জন্য তিনি প্রলোভন দেখান। তবে সেই অফারটি গ্রহণ করতে চায়নি ওই তল্লাশি টিম।

এদিকে গাড়িটিকে তল্লাশি চালানোর সময় দেখা যায় ইয়াবা ট্যাবলেটের প্রচুর প্যাকেট রয়েছে তার মধ্যে। এরপরই ওপরমহলে বিষয়টি জানানো হয়।

পুলিশ সুপার হিন্দুস্তান টাইমসকে জানিয়েছেন, ঘটনার খবর পেয়েই আমরা দ্রুত ঘটনাস্থলে যাই। আমাদের এক্সপার্ট টিম ইয়াবা ট্যাবলেটগুলো গুনে দেখে। দেখা যায় ৭.৬ লাখ মাদক ট্যাবলেট রয়েছে। অসমে এখনও পর্যন্ত এটি অন্যতম বড় বাজেয়াপ্ত হওয়ার ঘটনা।

পুলিশ জানিয়েছে ধৃত ব্যক্তির নাম হাদিয়ুস জামান। তার বাড়ি করিমগঞ্জে। পুলিশ আধিকারিকদের ধারনা ওই ব্যক্তি মিজোরাম থেকে এই মাদক ট্যাবলেট নিয়ে আসছিল।

করিমগঞ্জের ডেপুটি সুপারিন্টেডেন্ট অফ পুলিশ গীতার্থ দেবশর্মা জানিয়েছেন, ধৃত ব্যক্তিকে জেরা করা হয়েছে। তিনি জানিয়েছেন, মনে হচ্ছে মিজোরামের দিক থেকে ওই মাদক আসছিল। ধৃত ব্যক্তি করিমগঞ্জের বাসিন্দা। তবে জেরাতে তিনি বেশি কিছু বলছেন না।

এদিকে এই ঘটনায় আর কেউ জড়িত কি না তা পুলিশ জানার চেষ্টা করছে। সেই সঙ্গেই পুলিশ জানতে চাইছে ঠিক কোথায় ওই বিপুল মাদক পাঠানোর কথা ছিল। তবে অনেকের মতে, মাদক বিরোধী অভিযানে অসম পুলিশের এটা একটা বড় সাফল্য। অন্যদিকে মাদক তল্লাশি যাতে না করা হয় সেকারণে বিপুল টাকা প্রলোভন দেখানো হয়েছিল বলেও দাবি করেছে পুলিশ। সেক্ষেত্রে মাদক পাচারকে ঘিরে নতুন প্রশ্ন উঠছে অসমে।

 

বন্ধ করুন