বাংলা নিউজ > ঘরে বাইরে > আর্থিক দুর্নীতি মামলায় ফারুক আবদুল্লার ১১.৮৬ কোটি টাকার সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত ইডি-র
জেকেসিএ আর্থিক দুর্নীতি মামলায় ফারুক আবদুল্লার ১১.৮৬ কোটি টাকার সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করল ইডি।
জেকেসিএ আর্থিক দুর্নীতি মামলায় ফারুক আবদুল্লার ১১.৮৬ কোটি টাকার সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করল ইডি।

আর্থিক দুর্নীতি মামলায় ফারুক আবদুল্লার ১১.৮৬ কোটি টাকার সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত ইডি-র

  • অভিযোগ, রাজ্য ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশনে নিজের ক্ষমতাবলে বেশ কিছু অবৈধ নিয়োগ করেন ফারুক আবদুল্লা এবং সেই সব পদাধিকারীদের সংস্থার তহবিল লুঠ করার সুযোগ করে দেন।

জম্মু ও কাশ্মীর ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন (জেকেসিএ) আর্থিক দুর্নীতি মামলায় প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী ফারুক আবদুল্লার মালিকানাধীন ১১.৮৬ কোটি টাকার সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টোরেট (ইডি)।

যে সম্পত্তিগুলি বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে তার মধ্যে রয়েছে বর্ষীয়ান নেতার শ্রীনগরের গুপকর রোডের বাসভবন, তনমার্গ ও সুঞ্জওয়ান গ্রামের বাড়ি ছাড়াও জম্মু ও কাশ্মীরের বিভিন্ন জায়গায় তাঁর বেশ কিছু জমি। ইডি-র বিবৃতিতে অভিযোগ করা হয়েছে, সুঞ্জওয়ান গ্রামের বাড়িটি সরকারি ও বন দফতরের জমি দখল করে নির্মাণ করা হয়েছে। 

ইডি জানিয়েছে, আর্থিক দুর্নীতি দমন আইনে তদন্ত শুরু করার পরে দেখা গিয়েছে, ২০০৫-৬ সাল থেকে ২০১২ সাল পর্যন্ত ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিসিআই) থেকে জম্মু ও কাশ্মীর ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন মোট ১০৯.৭৮ কোটি টাকা অনুদান পেয়েছিল। 

অভিযোগ, ২০০৬ থেকে ২০১২ সালের মধ্যে রাজ্য ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশনে নিজের ক্ষমতাবলে বেশ কিছু অবৈধ নিয়োগ করেন ফারুক আবদুল্লা এবং সেই সব পদাধিকারীদের বিশেষ ক্ষমতা দিয়ে তিনি সংস্থার তহবিল লুঠ করার সুযোগ করে দেন। লুঠ করা তহবিলের অর্থের ভাগও পেয়েছিলেন বলে ফারুকের বিরুদ্ধে অভিযোগ এনেছে ইডি। 

অভিযোগপত্রে ইডি জানিয়েছে, ‘জেকেসিএ-র নিজস্ব ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট থাকা সত্ত্বেও সংস্থার তহবিলের টাকা রাখতে ছয়টি নতুন ব্যাঙে্ক ঔকাউন্ট খোলা হয় এবং সেখান থেকেই অন্যত্র টাকা সরানো হয়। একই উদ্দেশে সংস্থার কাশ্মীর শাখার নামেও একটি অ্যাকাউন্ট খোলা হয়, যা পরে লেনদেনের অভাবে অচল হয়ে যায়।’

২০১২ সালে জেকেসিএ-র কোষাধ্যক্ষ মঞ্জুর ওয়াজির রাজ্য পুলিশের কাছে সংস্থার প্রাক্তন সাধারণ সচিব মহম্মদ সেলিম খান ও প্রাক্তন কোষাধ্যক্ষ এহসান মির্জার বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করার পরে আর্থিক দুর্নীতির কথা প্রকাশ্যে আসে। 

ওই অভিযোগের ভিত্তিতে অপরাধে জড়িত মোট ৫০ জনের নামের তালিকা তৈরি করে পুলিশ। এর জেরে তিন দশকের বেশি ক্ষমতায় থাকার পরে জেকেসিএ সভাপতির পদ হারান পারুক আবদুল্লা।

বন্ধ করুন