বাংলা নিউজ > ঘরে বাইরে > অনুমোদন ছাড়া চলতে থাকা ধর্মীয় স্থান নিয়ে 'ব্যবস্থার' নির্দেশ কেরল হাইকোর্টের, নেপথ্যে কোন ঘটনা?

অনুমোদন ছাড়া চলতে থাকা ধর্মীয় স্থান নিয়ে 'ব্যবস্থার' নির্দেশ কেরল হাইকোর্টের, নেপথ্যে কোন ঘটনা?

বড় রায় কেরল হাইকোর্টের. (ANI) (HT_PRINT)

যে নির্দেশ কেরলের হাইকোর্ট থেকে দেওয়া হয়েছে সেখানে বলা হয়েছে, 'একটি সার্কুলার প্রকাশ করা হোক' যেখানে একটি ভবনকে ধর্মীয়স্থান হিসাবে দেখানোর ক্ষেত্রে নিষেধ করার কথা বলা থাকবে, শুধু খুব বিরল ঘটনার ক্ষেত্রেই এই সমস্ত ভবনকে সেই অনুমতি দেওয়া হবে , তবে তার আগে সেই ভবন নিয়ে গোয়েন্দাবিভাগের তথ্য আসবে, তারপরই যাবে অনুমতি।

যে সমস্ত ধর্মীয় স্থান নির্দিষ্ট অনুমোদন ছাড়াই রাজ্যে সচল রয়েছে, তাদের বন্ধ করার নির্দেশ দিল কেরল হাইকোর্ট। কেরল হাইকোর্ট এই মর্মে নির্দেশ দিয়েছে কেরল সরকারকে। কেরলের চিফ সেক্রেটারি ও পুলিস প্রধানকে কেরলের হাইকোর্টে পিভি কুন্নিকৃষ্ণণের সিঙ্গল বেঞ্চের তরফে এই নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

যে নির্দেশ কেরলের হাইকোর্ট থেকে দেওয়া হয়েছে সেখানে বলা হয়েছে, 'একটি সার্কুলার প্রকাশ করা হোক' যেখানে একটি ভবনকে ধর্মীয়স্থান হিসাবে দেখানোর ক্ষেত্রে নিষেধ করার কথা বলা থাকবে, শুধু খুব বিরল ঘটনার ক্ষেত্রেই এই সমস্ত ভবনকে সেই অনুমতি দেওয়া হবে , তবে তার আগে সেই ভবন নিয়ে গোয়েন্দাবিভাগের তথ্য আসবে, তারপরই যাবে অনুমতি। উল্লেখ্য, 'নুরুল ইসলাম সমসারিকা সংগম' এর তরফে একটি ভবনকে ধর্মীয় স্থানে রূপান্তরিত করার আর্জি নিয়ে এই মামলার সূত্রপাত। ঘটনাটি কেরলের মালাপ্পুরমের। তবে প্রশাসন সেখানে এই অনুমতি দেয়নি। কমার্শিয়াল বিল্ডিংয়ের কাছে ৩৬ টি ভবনকে ধর্মীয়স্থানে রূপান্তরের পক্ষে ছিল না স্থানীয় প্রশাসন। 'আমি খুব ভয়ঙ্কর', সন্ত্রাসের মামলার মাঝে কোন ইশারা ইমরানের?

আদালতের পর্যবেক্ষণে বলা হয়েছে, 'রাজ্যে বহু ধর্মীয় সৌধ ও হল রয়েছে... এটা খুব জরুরি নয় যে রাজ্যের প্রতিটি কোণে একটি করে মসজিদ থাকবে।' আদালত বলছে, 'যদি প্রতি হিন্দু, মুসলিম, খ্রিস্টান, জৈন,পার্সি সম্প্রদায়ের মানুষ নিজের বাসভবনের কাছে একটি ধর্মীয় স্থান গড়ে তোলেন তাহলে গুরুতর পরিণাম ভুগতে হবে রাজ্যকে।' এক্ষেত্রে সাম্প্রদায়িক দাঙ্গার প্রসঙ্গও উত্থাপন করেছে কোর্ট। ২০১১ সালের এক সমীক্ষার নিরিখে কেরলে ধর্মীয় ভবনের সংখ্যা নিয়ে আদালত নিজের অবস্থান স্পষ্ট করেছে। যেখানে পরিস্থিতি 'সতর্কতামূলক' বলে বর্ণনা করেছে আদালত। দেখা যাচ্ছে হাসপাতালের সংখ্যার থেকেও বেশিগুণ ধর্মীয় ইমারত রয়েছে রাজ্যে। বক্তব্যের শেষে আদালত বলছে, 'প্রতিটি নাগরিক একে অপরতে ভালোবাসুন, আর নিজস্ব ধর্মীয় রীতি পালন করুন।'

বন্ধ করুন