বাংলা নিউজ > ঘরে বাইরে > দেশে মিউকরমাইকোসিসে আক্রান্তের সংখ্যা ২৮,০০০-এরও বেশি, জানাল কেন্দ্র
আজমেরে এক রোগী। (ছবি সৌজন্য পিটিআই)
আজমেরে এক রোগী। (ছবি সৌজন্য পিটিআই)

দেশে মিউকরমাইকোসিসে আক্রান্তের সংখ্যা ২৮,০০০-এরও বেশি, জানাল কেন্দ্র

এখনও পর্যন্ত দেশে ২৮ হাজার ২৫২ জন মিউকরমাইকোসিসে আক্রান্ত হয়েছেন।

করোনা দ্বিতীয় ঢেউয়ের সময়ে সারা দেশে মিউকরমাইকোসিস (চলতি কথায় ব্ল্যাক ফাংগাস) আক্রান্তের সংখ্যা ২৮ হাজারেরও বেশি দাঁড়িয়েছে।সম্প্রতি কেন্দ্রীয় সরকারের তরফে এই তথ্যই জানানো হয়েছে।সারা দেশে যখন করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ক্রমশই নিম্নমুখী, তখন এই পরিসংখ্যান সরকারকে যথেষ্টই চিন্তায় রাখছে তা বলার অপেক্ষা রাখে না।

দেশের করোনা পরিস্থিতি নিয়ে সোমবার মন্ত্রিগোষ্ঠীর সঙ্গে বৈঠক করেন কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী হর্ষবর্ধন।সেই বৈঠকে দেশে যেভাবে মিউকরমাইকোসিস সংক্রমণের সংখ্যা বাড়ছে, সেই ব্যাপারেও আলোচনা হয়েছে।এই প্রসঙ্গে কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, এখনও পর্যন্ত দেশের ২৮টি রাজ্যে ২৮ হাজার ২৫২ জন ব্ল্যাক মিউকরমাইকোসিসে আক্রান্ত হয়েছেন। তাঁদের মধ্যে ২৪ হাজার ৩৭০ জন করোনা আক্রান্ত হয়েছেন বলে খবর পাওয়া যাচ্ছে। তাঁদের মধ্যে ১৭ হাজার ৬০১ জন আছেন যাদের ডায়াবেটিস রয়েছে।এই সংখ্যাটি শতাংশের বিচারে ৬২.‌৩ শতাংশ।সবচেয়ে বেশি মিউকরমাইকোসিসে আক্রান্ত হয়েছে মহারাষ্ট্রে।সেখানে ৬,৩২৯ জন মানুষ এই মিউকরমাইকোসিসে আক্রান্ত হয়েছেন।এরপরেই রয়েছে গুজরাট, যেখানে ৫,৪৮৬ জন মিউকরমাইকোসিসে আক্রান্ত হয়েছেন। গুজরাতের পর রয়েছে মধ্য প্রদেশ, উত্তরপ্রদেশ ও রাজস্থান, যেখানে মিউকরমাইকোসিসে আক্রান্তের সংখ্যা সবচেয়ে বেশি।

করোনার এই ভাইরাস মিউটেশন হচ্ছে কিনা, তা জানার জন্য ১০টি ল্যাবরেটরিতে কাজ হচ্ছে বলে কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের তরফে জানানো হয়েছে।প্রায় ৩০ হাজারের মতো নমুনা নিয়ে এই কাজ চলছে।গত বছর ডিসেমর মাসে কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের তরফে এই ল্যাবগুলি তৈরি করা হয়েছে।এখনও পর্যন্ত মোট ২৮টি ল্যাব এই ভাইরাসের ওপর কাজ করছে।করোনার এই ভাইরাসটি নতুন করে মিউটেশন ঘটাচ্ছে কিনা বা কীভাবেই বা সেটি ঘটানো হচ্ছে, সেই ব্যাপারে তদন্ত চলছে।

নীতি আয়োগের সদস্য ভি কে পাল দেশের করোনা পরিস্থিতি নিয়ে রিপোর্ট দিয়েছেন।নীতি আয়োগের এই সদস্যের মতে, ১৪১ দিনে ভারতে ২৩ কোটি লোককে ভ্যাকসিন দেওয়া সম্ভব হয়েছে।মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পর ভারতই একমাত্র দেশ যেখানে এত বেশি লোককে ভ্যাকসিন দেওয়া সম্ভব হয়েছে।তিনি জানান, যেখানে সারা বিশ্বে ৮৮ কোটি ৭০ লাখ মানুষকে ভ্যাকসিনের প্রথম ডোজ দেওয়া হয়েছে, সেখানে ভারতে ১৭ কোটি ৯০ লাখ লোক ভ্যাকসিনের প্রথম ডোজ পেয়েছেন।

বন্ধ করুন