ফাইল ছবি
ফাইল ছবি

পালঘরে সাধু হত্যা- কোনও সংখ্যালঘু এই ঘটনায় জড়িত নয়, বললেন মহারাষ্ট্রের গৃহমন্ত্রী

সাম্প্রদায়িক কারণে খুন নয়, দাবি মহারাষ্ট্র সরকারের।

পালঘরে দুই সাধু সহ তিনজনের মৃত্যু নিয়ে চাঞ্চল্য ছড়ালেও এতে কোনও সাম্প্রদায়িক ইস্যু নেই বলে সাফ জানালেন মহারাষ্ট্রের গৃহমন্ত্রী। অনিল দেশমুখ বলেন যে শিশু পাচারকারী সম্বন্ধে গুজবের জেরেই তিনজনকে পিটিয়ে মারে জনতা।

দেশমুখ বলেন যে ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে ১০১ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এদের মধ্যে কেউ সংখ্যালঘু নয়। সিআইডি ও বিশেষ আইজি পদমর্যাদার অফিসারের নেতৃত্বে তদন্ত চলছে। অভিযুক্তদের তালিকাও এদিন প্রকাশ করেন রাজ্যের গৃহমন্ত্রী।

জুনা আখড়ার দুই সদস্য পালঘরের কাছে গাচ্চিনচলে গ্রামে ১৬ এপ্রিল মারা যান। ৭০ বছরের স্বামী কল্পবৃক্ষ গিরি ও ৩৫ বছরের সুশীল গিরি গুজরাতে যাচ্ছিলেন। কিন্তু সেখানে প্রবেশ করার অনুমতি না মেলায় ফিরছিলেন তাঁরা। তখনই তাঁদের গাড়ি ঘেরাও হয় পালঘরের কাছে। ছেলেধরা সন্দেহে তাদের পিটিয়ে মারে জনতা।

বিরোধীদের নাম না নিয়ে দেশমুখ বলেন যে অনেকে এই ঘটনায় সাম্প্রদায়িক রং দিতে চাইছেন, যা দুর্ভাগ্যজনক। ভাষার ব্যবধানের কারণে ওই সাধুদের কথা স্থানীয়রা বুঝতে পারেননি, বলে জানান তিনি। এই ঘটনার জেরে গৃহমন্ত্রীর পদত্যাগের দাবি তুলেছে মহারাষ্ট্র বিজেপি। খোদ অমিত শাহ ফোন করেন উদ্ধব ঠাকরেকে এই ঘটনা নিয়ে জবাবদিহি চাইতে।


Deshmukh, without naming opposition, alleged that a few people were trying to give the incident a communal colour which was unfortunate. “Three people were lynched by the mob in a very unfortunate incident. The deceased people were pleading to stop, but their cries were taken otherwise due to the language barriers and denoting that they were calling out name of a particular community. There was no communal angle to the entire episode," he said.

Opposition Bhartiya Janata Party has attacked Maharashtra Vikas Aghadi government for its failure to maintain the law and order in the wake of the lynching. The BJP leaders in the state have also demanded resignation of the home minister.

বন্ধ করুন