বাংলা নিউজ > ঘরে বাইরে > একদিনে ৮ হাজারের বেশি করোনা আক্রান্ত ওড়িশায়, আকাল রেমডিসিভিরও
ওড়িশার স্বাস্থ্য দফতরের এক আধিকারিক জানান, করোনার গ্রাফ তাঁদের রাজ্যেও উর্দ্ধমুখী। (ছবিটি প্রতীকী, সৌজন্য পিটিআই)
ওড়িশার স্বাস্থ্য দফতরের এক আধিকারিক জানান, করোনার গ্রাফ তাঁদের রাজ্যেও উর্দ্ধমুখী। (ছবিটি প্রতীকী, সৌজন্য পিটিআই)

একদিনে ৮ হাজারের বেশি করোনা আক্রান্ত ওড়িশায়, আকাল রেমডিসিভিরও

  • নাইট কার্ফু আর সাপ্তাহিক লকডাউন এই করোনার গ্রাফকে নামিয়ে আনতে পারে বলে মনে করছেন বিশিষ্ট চিকিৎসক নীরজ মিশ্র।

গোটা দেশে করোনা পরিস্থিতি উদ্বেগজনক। আক্রান্তের সংখ্যাও যেমন বাড়ছে, তেমনি মৃত্যুর সংখ্যাও বেড়ে চলেছে। গত একদিনে দেশে করোনা আক্রান্ত হয়েছেন ৩,৬০,৯৬০ জন। মৃত্যু হয়েছে ৩,২০০ জনের। এতটা ভয়ঙ্কর অবস্থার দিকে যাচ্ছে যে দেশের ১৫০টি জেলায় সম্পূর্ণ লকডাউন ঘোষণা করতে পারে কেন্দ্র বলে সূত্রের খবর। এই পরিস্থিতিতে ওড়িশার স্বাস্থ্য দফতরের এক আধিকারিক জানান, করোনার গ্রাফ তাঁদের রাজ্যেও উর্দ্ধমুখী। তবে দ্রুত তা নেমে যাবে। যদিও সক্রিয় করোনা রোগীর সংখ্যা এখনও বেশি।

এই বিষয়ে মেডিক্যাল এডুকেশন ও ট্রেনিংয়ের অধিকর্তা সিবিকে মোহান্তি জানান, দৈনিক করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ৬ হাজার থেকে সাড়ে ৬ হাজারের মধ্যে রয়েছে। এটা আক্রান্ত রোগীর পাহাড় তৈরি করার ক্ষেত্রে তাৎপর্যপূর্ণ। বুধবার সেটাই ৮ হাজার ৩৮৬–তে পৌঁছেছে। কিন্তু এই গ্রাফ দেখে ঘাবড়ে যাওয়ার কিছু নেই। কারণ কোনও কিছুই চূড়ান্ত হযে থাকে না। এটা বেড়েছে। তবে দ্রুত তা কমেও যাবে। নীচের দিকে নামবে এই গ্রাফ।

আইসিএমআর–এর প্রাক্তন চিকিৎসক সদস্য ত্রিভূবন মোহন মহাপাত্র ওড়িশা সরকারকে জানিয়েছেন, ‘‌পরীক্ষা, ট্র‌্যাক করা এবং চিকিৎসা করা খুব প্রয়োজন। এই তিনটে কাজ আরও বাড়াতে হবে। কমপক্ষে ৬০ হাজার পরীক্ষা, তার মধ্যে ৩০ হাজার আরটি–পিসিআর হওয়া দরকার। এমনকী আইসোলেশনে যাঁরা আছেন তাঁদের চিকিৎসাও বাড়াতে হবে।’‌ নাইট কার্ফু আর সাপ্তাহিক লকডাউন এই করোনার গ্রাফকে নামিয়ে আনতে পারে বলে মনে করছেন বিশিষ্ট চিকিৎসক নীরজ মিশ্র।

ওড়িশায় ৩১ হাজার ৪৭১টি করোনার জন্য বেড রয়েছে। কোভিড কেয়ার সেন্টারে অক্সিজেন পরিষেবা রয়েছে। এছাড়া কোভিড হাসপাতাল রয়েছে এখানে। সেখানেও সব ব্যাবস্থা রাখা হয়েছে। তবে ড্রাগ কন্ট্রোলার আনন্দ শঙ্কর দাসের দাবি, ‘‌ওড়িশা রেমডিসিভির ইঞ্জেকশনের অপ্রতুলতায় ভুগছে। এপ্রিল মাসের ২১ থেকে ৩০ তারিখের মধ্যে ২১ হাজার রেমডিসিভির ইঞ্জেকশন বরাদ্দ করা হয়েছিল। এখন দরকার ২০০০ ইঞ্জেকশন। আর আছে মাত্র ৯২টি।’‌

বন্ধ করুন