বাংলা নিউজ > ঘরে বাইরে > PM Modi on Electricity: দেশবাসী বিল দেন, অথচ বিদ্যুৎ সংস্থার কাছে রাজ্যগুলির বকেয়া ১ লাখ কোটি টাকা: মোদী
প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। (ছবি সৌজন্যে পিটিআই) (PTI)

PM Modi on Electricity: দেশবাসী বিল দেন, অথচ বিদ্যুৎ সংস্থার কাছে রাজ্যগুলির বকেয়া ১ লাখ কোটি টাকা: মোদী

  • PM Modi on Electricity: দেশবাসীরা সৎভাবে বিদ্যুতের বিল মিটিয়ে দেন বলে দাবি করে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী জানান, বিভিন্ন বিদ্যুৎ সংস্থার কাছে একাধিক রাজ্যের এক লাখ কোটি টাকার বেশি বকেয়া পড়ে আছে।

রাজ্যগুলিকে দ্রুত বিদ্যুৎ সংস্থার বকেয়া মিটিয়ে দেওয়ার আর্জি জানালেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। দেশবাসীরা সৎভাবে বিদ্যুতের বিল মিটিয়ে দেন বলে দাবি করে মোদী জানান, বিভিন্ন বিদ্যুৎ সংস্থার কাছে একাধিক রাজ্যের এক লাখ কোটি টাকার বেশি বকেয়া পড়ে আছে।

শনিবার 'উজ্জ্বল ভারত উজ্জল ভবিষ্যত - পাওয়ার @২০৪৭' অনুষ্ঠানে মোদী বলেন, ‘বিদ্যুৎ সংস্থার কাছে একাধিক রাজ্যের এক লাখ কোটি টাকার বেশি বকেয়া আছে। বিদ্যুতের উপর ভর্তুকির যে ঘোষণা করেছে বিভিন্ন রাজ্যগুলি, সেগুলিও পাচ্ছে না ওই সংস্থাগুলি। যে অঙ্কটা ৭৫,০০০ কোটি টাকার বেশি।’ সঙ্গে তিনি বলেন, ‘যারা বাড়ি-বাড়ি বিদ্যুৎ দিচ্ছে, তাদের প্রায় ২.৫ লাখ কোটি টাকা আটকে আছে।’

আরও পড়ুন: Electricity Rate Slashed: কমে গেল বিদ্যুতের দাম, আমজনতাকে স্বস্তি দিল এই রাজ্য, দেখে নিন নয়া দর

সেই পরিস্থিতিতে বিদ্যুৎ সংস্থার কাছে যে রাজ্যগুলির বকেয়া পড়ে আছে, সেগুলিকে অবিলম্বে টাকা মিটিয়ে দেওয়ার আর্জি জানিয়েছেন। মোদী বলেন, ‘যে রাজ্যগুলির কাছে বকেয়া আছে, সেগুলিকে যত দ্রুত সম্ভব সেই টাকা মিটিয়ে দিতে হবে। একটা সময় ভালোভাবে ভেবে দেখুন, যখন দেশবাসীরা সৎভাবে বিদ্যুতের বিল দিচ্ছেন, তখন কেন কয়েকটি রাজ্য বারবার টাকা বকেয়া রাখছে?’

আরও পড়ুন: Electricity bill of 3400 crore: এক মাসে বিদ্যুতের বিল ৩,৪০০ কোটি টাকা! ‘শকে’ হাসপাতালে ভরতি ব্যক্তি, অসুস্থ মেয়ে

বিচারব্যবস্থা নিয়ে মোদী

শনিবার অল ইন্ডিয়া ডিস্ট্রিক্ট লেভেল সার্ভিসেস অথরিটিসের সাংবাদিক বৈঠকে মোদী বলেন, ‘যে কোনও সমাজের জন্য বিচার ব্যবস্থায় প্রবেশাধিকার যতটা গুরুত্বপূর্ণ, ন্যায়বিচার প্রদানও সমান গুরুত্বপূর্ণ। বিচার বিভাগীয় পরিকাঠামোরও এক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রয়েছে। গত আট বছরে, দেশের বিচার বিভাগীয় পরিকাঠামোকে শক্তিশালী করার জন্য দ্রুত গতিতে কাজ করা হয়েছে।’ তিনি আরও বলেন, ‘ই-কোর্ট মিশনের আওতায় দেশে ভার্চুয়াল আদালত চালু করা হচ্ছে। ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনের মতো অপরাধের জন্য চব্বিশ ঘণ্টার আদালত কাজ শুরু করেছে। জনগণের সুবিধার্থে আদালতে ভিডিয়ো কনফারেন্সিংয়ের পরিকাঠামোও বাড়ানো হচ্ছে।’

 

বন্ধ করুন