বাংলা নিউজ > ঘরে বাইরে > আধারের প্রযুক্তি ব্যবহার করে একবছরে হারিয়ে যাওয়া ৬৪ শিশুকে খুঁজে বের করেছে বিহার
ছবিটি প্রতীকী, সৌজন্য পিটিআই
ছবিটি প্রতীকী, সৌজন্য পিটিআই

আধারের প্রযুক্তি ব্যবহার করে একবছরে হারিয়ে যাওয়া ৬৪ শিশুকে খুঁজে বের করেছে বিহার

  • আধার কার্ডের প্রযুক্তি ব্যবহার করেই এই হারিয়ে যাওয়া শিশুদের খুঁজে বের করেছে বিহার।

হারিয়ে যাওয়া শিশুকে মা-বাবার সঙ্গে মিলিয়ে দেওয়া খুবই কঠিন একটি কাজ। তবে গত একবছরে এই কাজই ধারাবাহিক ভাবে করে এসেছে বিহারের সমাজকল্যাণ দফতর। এবং এই কাজ এক-দুই বার নয়, বরং ৬৪ বার হারিয়ে যাওয়া শিশুকে খুঁজে বের করেছে বিহারের সমাজকল্যাণ দফতর। এর মধ্যে ৭ জন মেয়ে রয়েছে। এবং এত সংখ্যক হারিয়ে যাওয়া শিশুকে আধার কার্ডের প্রযুক্তি ব্যবহার করেই এই হারিয়ে যাওয়া শিশুদের খুঁজে বের করেছে বিহার।

আগে শিশু হারিয়ে গেলে প্রায় আশা ছেড়ে দেওয়া হত তাকে খুঁজে পাওয়ার। প্রচুর খোঁজাখুঁজি এবং অনেক ভাগ্য থাকলে হারিয়ে যাওয়া শিশুকে বুকে ফের টেনে নিতে পারতেন মা-বাবারা। খুব ছোট বয়সী শিশুকে খুঁজে পাওয়া গেলে সেই শিশুর বাড়ি কোথায় তা সে বলতে পারত না অনেক ক্ষেত্রে। মা-বাবার আদলের ছায়ায় বদলে তখন তার স্থান হত কোনও সরকারি হোমে। তবে আধারকে ধন্যবাদ, এখন অনেক বেশি সংখ্যক হারিয়ে যাওয়া শিশু ফের একবার নিজের বাড়িতে ফিরতে পারে।

এই বিষয়ে বিহারের সমাজকল্যাণ দফতরের ডিরেক্টর রাজকুমার বলেন, 'হোমে রাখা সকল শিশুর নাম আধারে নথিভুক্ত। আমরা সেই সব ক্ষেত্রে ইউনিক আইডেন্টিফিকেশন অথরিটি অফ ইন্ডিয়াকে আবেদন জানাই যে আধার কার্ডের সঙ্গে নথিভুক্ত করা ফোন নম্বর এবং ঠিকানা যাতে তাদের জানানো হয়।' তিনি জানান, সম্প্রতি আধারের সাহায্যে ভাগলপুরের হোমে থাকা দুই মুক-বধির শিশুকে তাদের মা-বাবার কাছে ফিরিয়ে দেওয়া সম্ভব হয়।

তিনি আরও জানান, এই কারণেই সব শিশুর নাম আধার নথিভুক্ত করা উচিত। এই কারণে হোমে থাকা সব শিশুর নামও আধার ডেটাবেসে নথিভুক্ত করানো বাধ্যতামূলক করেছে কেন্দ্র। আধার ব্যবহার করে শুধুমাক্র পটনাতেই গত এক বছরে ১১ জন শিশুকে তার বাড়িতে ফিরিয়ে দেওয়া হয়। মোট রাজ্যে সংখ্যাটা ৬৪।

বন্ধ করুন