বাংলা নিউজ > ছবিঘর > আলমারির মধ্যে লুকোনো সিঁড়ি রাখা থেকে লতাকে ভয় পাওয়ানো! রইল অজানা 'কিশোর-কথা'

আলমারির মধ্যে লুকোনো সিঁড়ি রাখা থেকে লতাকে ভয় পাওয়ানো! রইল অজানা 'কিশোর-কথা'

  • বেঁচে থাকলে 'তাঁর' বয়স হতো ৯২। 'তিনি' কিশোরকুমার। 'ম্যাডলি জিনিয়াস'-এর ৯২তম জন্মবার্ষিকীতে তাই রইল তাঁর 'চির কিশোর জীবন'-এর নানান অজানা ঘটনা।
কিশোরকুমারের বাড়ির একটি ঘরে এক'আশ্চর্য আলমারি' ছিল। তার মধ্যে লুকোনো সিঁড়ি ছিল। যার সঙ্গে কথা বলতে ইচ্ছে করতো না, সেই আলমারি খুলে তার মধ্যে ঢুকে অন্য কোনও ঘরে গিয়ে হাজির হতেন! এরকম কান্ড শুধু বন্ধুদের সঙ্গে নয় পাশাপাশি দু-একবার নামি ছবি প্রযোজকদের সঙ্গেও করেছেন। (ছবি সৌজন্যে- ফেসবুক)
1/7কিশোরকুমারের বাড়ির একটি ঘরে এক'আশ্চর্য আলমারি' ছিল। তার মধ্যে লুকোনো সিঁড়ি ছিল। যার সঙ্গে কথা বলতে ইচ্ছে করতো না, সেই আলমারি খুলে তার মধ্যে ঢুকে অন্য কোনও ঘরে গিয়ে হাজির হতেন! এরকম কান্ড শুধু বন্ধুদের সঙ্গে নয় পাশাপাশি দু-একবার নামি ছবি প্রযোজকদের সঙ্গেও করেছেন। (ছবি সৌজন্যে- ফেসবুক)
ভালোবাসা বিষয়টিকে অসম্ভব সম্মান করতেন কিশোর। রুমা গুহঠাকুরতার সঙ্গে বিচ্ছেদ হওয়ার পর তখন মধুবালার প্রেমে তখন পাগল কিশোর। এই সম্পর্কের বিরুদ্ধে নানান মতামত চালু হলেও বিন্দুমাত্র পাত্তা দেননি তিনি। তখন মধুবালা বেশ অসুস্থ। প্রতিদিন সন্ধ্যা ৬টা বাজলেই শুটিং, রেকর্ডিং, আড্ডা সব ছেড়েছুড়ে তাঁর কাছে চলে যেতেন কিশোর। 'প্রেম' নিয়ে এতটুকু 'কম্প্রোমাইজ' তিনি করতে রাজি ছিলেন না !
2/7ভালোবাসা বিষয়টিকে অসম্ভব সম্মান করতেন কিশোর। রুমা গুহঠাকুরতার সঙ্গে বিচ্ছেদ হওয়ার পর তখন মধুবালার প্রেমে তখন পাগল কিশোর। এই সম্পর্কের বিরুদ্ধে নানান মতামত চালু হলেও বিন্দুমাত্র পাত্তা দেননি তিনি। তখন মধুবালা বেশ অসুস্থ। প্রতিদিন সন্ধ্যা ৬টা বাজলেই শুটিং, রেকর্ডিং, আড্ডা সব ছেড়েছুড়ে তাঁর কাছে চলে যেতেন কিশোর। 'প্রেম' নিয়ে এতটুকু 'কম্প্রোমাইজ' তিনি করতে রাজি ছিলেন না !
গুলজার এক জায়গায় তাঁর 'কিশোরদা'-কে নিয়ে লিখেছিলেন সময়জ্ঞান বলতে কিচ্ছু ছিল না কিশোরের। যখন খুশি আসতেন, যখন খুশি চলে যেতেন। কোনও কোনও দিন হয়ত এলেনই না। স্রেফ ইচ্ছে করছে না বলে। শুটিং ইউনিটের বাকিরা এর জন্য উদ্বিগ্ন, বিরক্ত হলেও রাগ করতেন না। কারণ তাঁরা জানতেন কিশোর আসলেই চারপাশ মুহূর্তে 'এক্সট্রা ঝলমলে'।
3/7গুলজার এক জায়গায় তাঁর 'কিশোরদা'-কে নিয়ে লিখেছিলেন সময়জ্ঞান বলতে কিচ্ছু ছিল না কিশোরের। যখন খুশি আসতেন, যখন খুশি চলে যেতেন। কোনও কোনও দিন হয়ত এলেনই না। স্রেফ ইচ্ছে করছে না বলে। শুটিং ইউনিটের বাকিরা এর জন্য উদ্বিগ্ন, বিরক্ত হলেও রাগ করতেন না। কারণ তাঁরা জানতেন কিশোর আসলেই চারপাশ মুহূর্তে 'এক্সট্রা ঝলমলে'।
'আনন্দ' ছবিতে রাজেশ খান্নার রোলটি কিশোরকুমারের করার কথা ছিল। কিন্তু ছবিটা করার মন ছিল না কিশোরের। তাই পরিচালক হৃষিকেশ মুখোপাধ্যায়কে জব্দ করবেন বলে কথা পাকা করে শুটিংয়ের কয়েকদিন আগেই নিজের গোঁফ ও মাথা কমিয়ে ফেললেন কিশোর! শেষপর্যন্ত উপায় না দেখে কম সময়ের নোটিসে রাজেশ খান্নাকে নিয়ে 'আনন্দ'-এর শুটিং শুরু হয়েছিল।
4/7'আনন্দ' ছবিতে রাজেশ খান্নার রোলটি কিশোরকুমারের করার কথা ছিল। কিন্তু ছবিটা করার মন ছিল না কিশোরের। তাই পরিচালক হৃষিকেশ মুখোপাধ্যায়কে জব্দ করবেন বলে কথা পাকা করে শুটিংয়ের কয়েকদিন আগেই নিজের গোঁফ ও মাথা কমিয়ে ফেললেন কিশোর! শেষপর্যন্ত উপায় না দেখে কম সময়ের নোটিসে রাজেশ খান্নাকে নিয়ে 'আনন্দ'-এর শুটিং শুরু হয়েছিল।
একমাত্র তাঁর 'কিশোরদা'-র সঙ্গে রেকর্ডিংয়ের সময় দারুণ টেনশনে ভুগতেন লতা মঙ্গেশকর। তখনকার দিনে স্টুডিওতে একসঙ্গে ডুয়েট গানের রেকর্ডিং করা হতো। তা লতা যখন গাইছেন কিশোর তখন মাইক্রোফোন ছেড়ে স্টুডিওর এর ওর পিছনে লেগে বেড়াতেন। লতা তখন গাইবেন কী, ভয় পেয়ে ঘামতেন। অথচ যখন তাঁর অংশটি গাওয়ার মুহূর্ত এত, সুর না কাঁপিয়ে একেবারে সময়মতোন গেয়ে উঠতেন কিশোর।
5/7একমাত্র তাঁর 'কিশোরদা'-র সঙ্গে রেকর্ডিংয়ের সময় দারুণ টেনশনে ভুগতেন লতা মঙ্গেশকর। তখনকার দিনে স্টুডিওতে একসঙ্গে ডুয়েট গানের রেকর্ডিং করা হতো। তা লতা যখন গাইছেন কিশোর তখন মাইক্রোফোন ছেড়ে স্টুডিওর এর ওর পিছনে লেগে বেড়াতেন। লতা তখন গাইবেন কী, ভয় পেয়ে ঘামতেন। অথচ যখন তাঁর অংশটি গাওয়ার মুহূর্ত এত, সুর না কাঁপিয়ে একেবারে সময়মতোন গেয়ে উঠতেন কিশোর।
গায়ক কে.এল সায়গল-এর বিরাট ভক্ত ছিলেন কিশোরকুমার। নিজের সবার ঘরের দেওয়ালে 'সায়গল সাহাব' এর বিরাট একটি ছবিও লাগিয়ে রেখেছিলেন তিনি।
6/7গায়ক কে.এল সায়গল-এর বিরাট ভক্ত ছিলেন কিশোরকুমার। নিজের সবার ঘরের দেওয়ালে 'সায়গল সাহাব' এর বিরাট একটি ছবিও লাগিয়ে রেখেছিলেন তিনি।
দাম্ভিক ছবি প্রযোজকদের 'শিক্ষা' দেওয়া কিশোরকুমারের অন্যতম পছন্দের শখ ছিল। গানের রেকর্ডিংয়ের ফাঁকে ইচ্ছে করেই হঠাৎ, হঠাৎ এমন সব জেদ, আবদার করতেন যা না শুনলে তিনি কাজই শুরু করতেন না। ভীষণভাবে চাইতেন তাঁর মতো বাকি কলাকুশলীদেরও যেন সমান সম্মান দেওয়া হয় প্রযোজকদের তরফে।
7/7দাম্ভিক ছবি প্রযোজকদের 'শিক্ষা' দেওয়া কিশোরকুমারের অন্যতম পছন্দের শখ ছিল। গানের রেকর্ডিংয়ের ফাঁকে ইচ্ছে করেই হঠাৎ, হঠাৎ এমন সব জেদ, আবদার করতেন যা না শুনলে তিনি কাজই শুরু করতেন না। ভীষণভাবে চাইতেন তাঁর মতো বাকি কলাকুশলীদেরও যেন সমান সম্মান দেওয়া হয় প্রযোজকদের তরফে।
অন্য গ্যালারিগুলি