Happy Mother’s Day: রুপোলি পর্দার সেরা মায়েরা

  • কথায় বলে চলচ্চিত্র ব্যক্তিজীবনের দর্পণ। আমাদের জীবন জুড়ে যেমন রয়েছে মা।তেমনি দশকের পর দশক ধরে হিন্দি ছবির পর্দাতেও ঘুরে ফিরে এসেছেন এমন কিছু মায়েরা যাঁরা এককথায় আইকনিক।
‘মেরে পাস মা হ্যায়’- মা আছে তো সব কিছু ঠিক আছে। পর্দা হোক বা বাস্তব ছবিটা সর্বত্রই এক। কথায় বলে চলচ্চিত্র ব্যক্তিজীবনের দর্পণ। আমাদের জীবন জুড়ে যেমন রয়েছে মা।তেমনি দশকের পর দশক ধরে হিন্দি ছবির পর্দাতেও ঘুরে ফিরে এসেছে এমন কিছু মাতৃ চরিত্র যা আইকোনিক। পরিচালকরা রূপোলি পর্দায় সবরকমের মায়ের ছবি তুলে ধরেছে-অতিরিক্ত যত্নবান, অতিরিক্ত সহনশীল, অতিরিক্ত সুরক্ষাকারী, কেউ কেউ আবার কারণে অকারণে তার সন্তানকে নিয়ে উদ্বিগ্ন। 
1/10‘মেরে পাস মা হ্যায়’- মা আছে তো সব কিছু ঠিক আছে। পর্দা হোক বা বাস্তব ছবিটা সর্বত্রই এক। কথায় বলে চলচ্চিত্র ব্যক্তিজীবনের দর্পণ। আমাদের জীবন জুড়ে যেমন রয়েছে মা।তেমনি দশকের পর দশক ধরে হিন্দি ছবির পর্দাতেও ঘুরে ফিরে এসেছে এমন কিছু মাতৃ চরিত্র যা আইকোনিক। পরিচালকরা রূপোলি পর্দায় সবরকমের মায়ের ছবি তুলে ধরেছে-অতিরিক্ত যত্নবান, অতিরিক্ত সহনশীল, অতিরিক্ত সুরক্ষাকারী, কেউ কেউ আবার কারণে অকারণে তার সন্তানকে নিয়ে উদ্বিগ্ন। 
বলিউড আমাদের প্রায় সব ধরণের ‘মা’ দিয়েছে। কখনও ফন্দিবাজ ও ষড়যন্ত্রকারী মা(ললতি পাওয়ার)তো কখনও সন্তানের জন্য সর্বস্বত্যাগী মাদার ইন্ডিয়া(নার্গিস)। বলিউড এমন মা’ও দিয়েছে যে সর্বদা কাঁদিয়েছে(নিরুপা রায়),এমন মা’কেও তুলে ধরেছে যে সবার ঠোঁটের কোণায় হাসি এনে দিয়েছে (কিরণ খের, দোস্তানা)।
2/10বলিউড আমাদের প্রায় সব ধরণের ‘মা’ দিয়েছে। কখনও ফন্দিবাজ ও ষড়যন্ত্রকারী মা(ললতি পাওয়ার)তো কখনও সন্তানের জন্য সর্বস্বত্যাগী মাদার ইন্ডিয়া(নার্গিস)। বলিউড এমন মা’ও দিয়েছে যে সর্বদা কাঁদিয়েছে(নিরুপা রায়),এমন মা’কেও তুলে ধরেছে যে সবার ঠোঁটের কোণায় হাসি এনে দিয়েছে (কিরণ খের, দোস্তানা)।
নিরুপা রায়- বলিউডের অন্যতম সেলিব্রেটেট মা। সত্তর ও আশির দশকের একাধিক বলিউড ছবিতে মায়ের চরিত্রে অভিনয় করেছেন নিরুমা। দিওয়ার ছবিতে অমিতাভ ও শশী কাপুরের মায়ের চরিত্রে অভিনয় করে সাড়া ফেলে দিয়েছিলেন তিনি। একাধিক ছবিতে অমিতাভের অনস্ক্রিন মায়ের ভূমিকায় পাওয়া গেছে তাঁকে, যার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হল অমর আকবর অ্যান্টনি,মুকাদ্দর কা সিকান্দর, সুহাগ, ইনকিলাব, মরদ। 
3/10নিরুপা রায়- বলিউডের অন্যতম সেলিব্রেটেট মা। সত্তর ও আশির দশকের একাধিক বলিউড ছবিতে মায়ের চরিত্রে অভিনয় করেছেন নিরুমা। দিওয়ার ছবিতে অমিতাভ ও শশী কাপুরের মায়ের চরিত্রে অভিনয় করে সাড়া ফেলে দিয়েছিলেন তিনি। একাধিক ছবিতে অমিতাভের অনস্ক্রিন মায়ের ভূমিকায় পাওয়া গেছে তাঁকে, যার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হল অমর আকবর অ্যান্টনি,মুকাদ্দর কা সিকান্দর, সুহাগ, ইনকিলাব, মরদ। 
নার্গিস- বলিউড ফিল্মের মায়ের কথা ভাবলে অবশ্যই মাথায় আসবে নার্গিস দত্তের নাম। মাদার ইন্ডিয়া-মাত্র ২৮ বছর বয়সে সুনীল দত্ত ও রাজেন্দ্র কুমারের মা’য়ের চরিত্রে অভিনয়ের চ্যালেঞ্জটা সাফল্যের সঙ্গে পার করেছেন নার্গিস।ভারতীয় চলচ্চিত্রের অন্যতম সেরা পারফরম্যান্স হিসাবে ধরা হয় নার্গিসের রাধা চরিত্রটি। ছবির ক্লাইম্যাক্সে নিজের সন্তানকেই গুলি করে হত্যা করার সেই দৃশ্য আজও শিহরণ জাগায় ছবিপ্রেমীদের মনে। 
4/10নার্গিস- বলিউড ফিল্মের মায়ের কথা ভাবলে অবশ্যই মাথায় আসবে নার্গিস দত্তের নাম। মাদার ইন্ডিয়া-মাত্র ২৮ বছর বয়সে সুনীল দত্ত ও রাজেন্দ্র কুমারের মা’য়ের চরিত্রে অভিনয়ের চ্যালেঞ্জটা সাফল্যের সঙ্গে পার করেছেন নার্গিস।ভারতীয় চলচ্চিত্রের অন্যতম সেরা পারফরম্যান্স হিসাবে ধরা হয় নার্গিসের রাধা চরিত্রটি। ছবির ক্লাইম্যাক্সে নিজের সন্তানকেই গুলি করে হত্যা করার সেই দৃশ্য আজও শিহরণ জাগায় ছবিপ্রেমীদের মনে। 
ফরিদা জালাল- বলিউডের মোস্ট চার্মিং মায়ের খেতাব দেওয়া হয় ফরিদা জালালকে। সত্তরের দশকে ফরিদার অভিনয় কেরিয়ারের শুরু, তবে বলিউডে তেমন জায়গা পাননি। তাঁর কেরিয়ারের মোড় ঘুরে যায় আদিত্য চোপড়ার দিলবালে দুলহানিয়া লেযাঙ্গে ছবির সঙ্গে। সিমরণের মায়ের চরিত্রে তাঁর অভিনয় রাতারাতি তাঁকে বলিউডের আইকোনিক মায়ের তালিকায় জায়গা করে দেয়। সব পরিস্থিতিতে সন্তানদের পাশে থাকেন যে মা-সেই ভূমিকায় পারফেক্ট ফরিদা। দিল তো পাগল হ্যায়, জিদ্দি, জুদাই,সোলজার থেকে কুছ কুছ হোতা হ্যায়-মায়ের ভূমিকায় হামেশাই পারফেক্ট ফরিদা জালাল।
5/10ফরিদা জালাল- বলিউডের মোস্ট চার্মিং মায়ের খেতাব দেওয়া হয় ফরিদা জালালকে। সত্তরের দশকে ফরিদার অভিনয় কেরিয়ারের শুরু, তবে বলিউডে তেমন জায়গা পাননি। তাঁর কেরিয়ারের মোড় ঘুরে যায় আদিত্য চোপড়ার দিলবালে দুলহানিয়া লেযাঙ্গে ছবির সঙ্গে। সিমরণের মায়ের চরিত্রে তাঁর অভিনয় রাতারাতি তাঁকে বলিউডের আইকোনিক মায়ের তালিকায় জায়গা করে দেয়। সব পরিস্থিতিতে সন্তানদের পাশে থাকেন যে মা-সেই ভূমিকায় পারফেক্ট ফরিদা। দিল তো পাগল হ্যায়, জিদ্দি, জুদাই,সোলজার থেকে কুছ কুছ হোতা হ্যায়-মায়ের ভূমিকায় হামেশাই পারফেক্ট ফরিদা জালাল।
রাখি- বলিউডের আইকোনিক মায়ের কথা বলতে গেলে একদম শুরুর দিকেই আসবে রাখির নাম, সৌজন্যে করণ-অর্জুন। দুই সন্তানের অপেক্ষারত মায়ের মুখের ‘মেরে করণ-অর্জুন আয়েঙ্গে’ ডায়লগ আজও তাজা দর্শক মনে। তবে মায়ের ভূমিকায় তাঁর দুর্দান্ত পারফরম্যান্সের শুরুটা অনেক আগে থেকেই হয়ে গিয়েছিল। ১৯৮২ সালে মাত্র ৩৫ বছর বয়সে চল্লিশ বছরের অমিতাভের মায়ের চরিত্রে অভিনয় করেছিলেন রাখি শক্তি ছবিতে। রাম-লক্ষণ,খলনায়ক,বাজিগর,কোয়েলা,বর্ডার-একাধিক ছবিতে মায়ের চরিত্রে অভিনয় করেছেন রাখি। 
6/10রাখি- বলিউডের আইকোনিক মায়ের কথা বলতে গেলে একদম শুরুর দিকেই আসবে রাখির নাম, সৌজন্যে করণ-অর্জুন। দুই সন্তানের অপেক্ষারত মায়ের মুখের ‘মেরে করণ-অর্জুন আয়েঙ্গে’ ডায়লগ আজও তাজা দর্শক মনে। তবে মায়ের ভূমিকায় তাঁর দুর্দান্ত পারফরম্যান্সের শুরুটা অনেক আগে থেকেই হয়ে গিয়েছিল। ১৯৮২ সালে মাত্র ৩৫ বছর বয়সে চল্লিশ বছরের অমিতাভের মায়ের চরিত্রে অভিনয় করেছিলেন রাখি শক্তি ছবিতে। রাম-লক্ষণ,খলনায়ক,বাজিগর,কোয়েলা,বর্ডার-একাধিক ছবিতে মায়ের চরিত্রে অভিনয় করেছেন রাখি। 
রীমা লাগু- বলিউডের আইকোনিক মায়ের তালিকাটাই অসম্পূর্ন রীমা লাগুকে ছাড়া। কখনও সহনশীল,কখন একটু স্বার্থপর-সব ধরণের মায়ের চরিত্রে সাবলীল রীমা লাগু। সলমন খানের মা হিসাবেই বলিউড সিনেপ্রেমীরা চিনেছে তাঁকে। মেয়নে প্যায়ার কিয়া থেকে এই মা-ছেলের অনস্ক্রিন যাত্রা শুরু,এরপর সাজন, পত্থর কে ফুল, থেকে হাম সাথ সাথ হ্যায়-জারি থেকেছে এই বন্ধন। হাম আপকে হ্যায় কৌন ছবিতে মাধুরীর মায়ের ভূমিকায়,কিংবা কুছ কুছ হোতা হ্যায় ছবিতে কাজলের মায়ের ভূমিকাতেও দর্শক দেখেছে তাঁকে। সলমনের সঙ্গে তাঁর মা-ছেলের সম্পর্কের রসায়ন এই ছবিগুলোতেও অব্যাহত থেকেছে। 
7/10রীমা লাগু- বলিউডের আইকোনিক মায়ের তালিকাটাই অসম্পূর্ন রীমা লাগুকে ছাড়া। কখনও সহনশীল,কখন একটু স্বার্থপর-সব ধরণের মায়ের চরিত্রে সাবলীল রীমা লাগু। সলমন খানের মা হিসাবেই বলিউড সিনেপ্রেমীরা চিনেছে তাঁকে। মেয়নে প্যায়ার কিয়া থেকে এই মা-ছেলের অনস্ক্রিন যাত্রা শুরু,এরপর সাজন, পত্থর কে ফুল, থেকে হাম সাথ সাথ হ্যায়-জারি থেকেছে এই বন্ধন। হাম আপকে হ্যায় কৌন ছবিতে মাধুরীর মায়ের ভূমিকায়,কিংবা কুছ কুছ হোতা হ্যায় ছবিতে কাজলের মায়ের ভূমিকাতেও দর্শক দেখেছে তাঁকে। সলমনের সঙ্গে তাঁর মা-ছেলের সম্পর্কের রসায়ন এই ছবিগুলোতেও অব্যাহত থেকেছে। 
জয়া বচ্চন- কেরিয়ারের দ্বিতীয় ইনিংসটা জয়া শুরুই করেছিলেন মায়ের চরিত্র দিয়ে। গোবিন্দ নিহালনির হাজার চৌরাসি কি মা (১৯৯৮)-এর হাত ধরে। এরপর ফিজা ছবিতে মায়ের চরিত্রে প্রশংসা কুড়িয়েছেন জয়া। তবে মা হিসাবে তাঁর সবচেয়ে জনপ্রিয় পারফরম্যান্স অবশ্যই করণ জোহরের কভি খুশি গম গম(২০০১)। এরপর ধর্মা প্রোডাকশনেরই কল হো না হো ছবিতে এক ইন্ডিপেনডেন্ট সিঙ্গল মায়ের ভূমিকায় পাওয়া গেছে জয়াকে।
8/10জয়া বচ্চন- কেরিয়ারের দ্বিতীয় ইনিংসটা জয়া শুরুই করেছিলেন মায়ের চরিত্র দিয়ে। গোবিন্দ নিহালনির হাজার চৌরাসি কি মা (১৯৯৮)-এর হাত ধরে। এরপর ফিজা ছবিতে মায়ের চরিত্রে প্রশংসা কুড়িয়েছেন জয়া। তবে মা হিসাবে তাঁর সবচেয়ে জনপ্রিয় পারফরম্যান্স অবশ্যই করণ জোহরের কভি খুশি গম গম(২০০১)। এরপর ধর্মা প্রোডাকশনেরই কল হো না হো ছবিতে এক ইন্ডিপেনডেন্ট সিঙ্গল মায়ের ভূমিকায় পাওয়া গেছে জয়াকে।
ললতি পাওয়ার- অন্য সকলের চেয়ে একদম বিপরীত মেরুতে অবস্থান বলিউডের এই মায়ের। ললিতা পাওয়ারকে বলিউড মনে রেখেছে কুটিল মা হিসাবে। একটু বদমেজাজি এবং স্বার্থপর শাশুড়ির চরিত্রগুলোও খুব সহজভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন ললিতা। শ দিন সাসকে,হাম দোনো, দাগের মতো ছবিতে তাঁর অভিনয় আজও স্মরণীয়। 
9/10ললতি পাওয়ার- অন্য সকলের চেয়ে একদম বিপরীত মেরুতে অবস্থান বলিউডের এই মায়ের। ললিতা পাওয়ারকে বলিউড মনে রেখেছে কুটিল মা হিসাবে। একটু বদমেজাজি এবং স্বার্থপর শাশুড়ির চরিত্রগুলোও খুব সহজভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন ললিতা। শ দিন সাসকে,হাম দোনো, দাগের মতো ছবিতে তাঁর অভিনয় আজও স্মরণীয়। 
কিরণ খের- নতুন শতাব্দীতে হিন্দি ছবির পর্দায় টিপিক্যাল পঞ্জাবি মমের চরিত্রে আমার বার বার যাঁকে দেখেছি তিনি কিরণ খের। হাম তুম, রঙ দে বসান্তি, ওম শান্তি ওম,দোস্তানা, কমবখত ইশক, খুবসুরত-অজস্র ছবিতে মায়ের চরিত্রগুলো খুব সুন্দরভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন কিরণ খের। 
10/10কিরণ খের- নতুন শতাব্দীতে হিন্দি ছবির পর্দায় টিপিক্যাল পঞ্জাবি মমের চরিত্রে আমার বার বার যাঁকে দেখেছি তিনি কিরণ খের। হাম তুম, রঙ দে বসান্তি, ওম শান্তি ওম,দোস্তানা, কমবখত ইশক, খুবসুরত-অজস্র ছবিতে মায়ের চরিত্রগুলো খুব সুন্দরভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন কিরণ খের। 
অন্য গ্যালারিগুলি