বাংলা নিউজ > ময়দান > ফুটবল > ISL-এ ভারতীয়দের মধ্যে রেকর্ড গোল,তবুও বাবা-মায়ের বিশেষ ইচ্ছে তাতাচ্ছে কোলাসোকে
লিস্টন কোলাসো

ISL-এ ভারতীয়দের মধ্যে রেকর্ড গোল,তবুও বাবা-মায়ের বিশেষ ইচ্ছে তাতাচ্ছে কোলাসোকে

কোলাসো গোয়ার ছেলে। ফুটবল পাগল রাজ্যে ফুটবল খেলে বড় হয়েছেন। খেলেছেন এফসি গোয়ার হয়েও। বুধবার নিজের রাজ্যের দল গোয়ার বিরুদ্ধে গোল করার জন্যও ছটফট করছেন লিস্টন কোলাসো। নিজের তাগিদের সঙ্গে আবার জুড়ে গিয়েছে বাবা-মা-র ইচ্ছে পূরণের আবদার।

আইএসএলে বিদেশি স্ট্রাইকারদের মাঝে হারিয়ে যাচ্ছে ভারতীয় স্টাইকাররা। তবে সেই লড়াইয়ে অক্সিজেন হয়ে উঠেছেন এটিকে মোহনবাগানের লিস্টন কোলাসো। ৭ ম্যাচ খেলে ৪টি গোল করে ফেলেছেন কোলাসো। কেরালা ব্লাস্টার্সের সাহাল আব্দুল সামাদ অবশ্য ৪ গোল করেছেন। তবে তিনি ৮ ম্যাচ খেলে ফেলেছেন। লিস্টন যদি ৮ নম্বর ম্যাচে তাঁর পুরনো ক্লাব এফসি গোয়ার বিরুদ্ধে একটি গোল করে ফেলে,তবে তিনি গোলস্কোরারদের তালিকায় আরও উপরে উঠে আসবেন।

গতবার সুনীল ছেত্রী ছাড়া আর কোনও ভারতীয় এই তালিকায় প্রথম দশের মধ্যে জায়গা পাননি। এ বার এই লড়াইয়ে লিস্টন এবং সাহাল রয়েছেন। সবুজ-মেরুনের ২৩ বছর বয়সি ফরোয়ার্ড এ বারের লিগে যে চারটি গোল পেয়েছেন, চারটিই স্মরণীয়।

কোলাসো গোয়ার ছেলে। ফুটবল পাগল রাজ্যে ফুটবল খেলে বড় হয়েছেন। খেলেছেন এফসি গোয়ার হয়েও। এখন ক্রমশ ভারতের এক নম্বর ফরোয়ার্ড হওয়ার লড়াইয়ে রয়েছেন তিনি। আর এখন এই লড়াইটা তিনি লড়ছেন, ফুটবলের আবেগ আর ঐতিহ্য জড়িয়ে রয়েছে যে শহরের সঙ্গে, সেই কলকাতার দল এটিকে মোহনবাগানে থেকে। বুধবার নিজের রাজ্যের দল গোয়ার বিরুদ্ধে গোল করার জন্যও ছটফট করছেন লিস্টন কোলাসো। নিজের তাগিদের সঙ্গে আবার জুড়ে গিয়েছে বাবা-মা-র ইচ্ছে পূরণের আবদার।

এফসি গোয়ার বিরুদ্ধে ম্যাচের প্রসঙ্গ উঠতেই কোলাসো বলেন, ‘এই ম্যাচের আগে কিছুটা সময় পাচ্ছি। এফসি গোয়ার হয়ে এক সময়ে খেলতাম। ওদের বিরুদ্ধে গোল করতে হবে। আমার বাবা-মাও চান আমি গোয়ার দলের বিরুদ্ধে গোল করি। বাবা মা-র ইচ্ছাপূরণের জন্য আরও গোল করতে হবে আমাকে। খুব চেষ্টা করব। রয় কৃষ্ণ ও হুগো বৌমাসের কাছ থেকে ভালো ভালো পাস পাচ্ছি। ওদের সঙ্গে খেলাটা খুব উপভোগ করছি।’

এত দিন সে ভাবে যোগ্য সঙ্গত না পাওয়ার জন্যই হয়তো নিজেকে মেলে ধেরতে পারেননি কোলাসো। গত বার তাঁর গোল কনভারশন রেট ছিল মাত্র ৬ শতাংশ। অর্থাৎ যতগুলি শট গোলে নিয়েছিলেন, তার মধ্যে মাত্র ৬ শতাংশ গোলে পরিণত করতে পেরেছিলেন। এ বার সেই হিসেবটা দাঁড়িয়েছে ২০ শতাংশ।

গতবার তিনটি গোলে অ্যাসিস্ট করেন কোলাসো। এ বার এখনও পর্যন্ত করেছেন একটি। গতবার তাঁর পাসিং অ্যাকিউরেসি ছিল ৪৫.২৯%। এ বার সেটা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৮১ শতাংশ। অর্থাৎ, নিজেকে অনেক উন্নত করে তুলেছেন কোলাসো। আর তাঁর এই উন্নতিতে প্রাক্তন কোচ হাবাসের অবদান অনস্বীকার্য। এখন তিনি অনেক বেশি আত্মবিশ্বাসী। বাঁ দিকের উইং বরাবর খেলে নিজেকে অনেক কার্যকরী করে তুলেছেন এই তরুণ কোলাসো। গোয়ার বিরুদ্ধে গোল করে নিজেকে আরও বেশি করে মেলে ধরতে চান তিনি।

বন্ধ করুন