বাংলা নিউজ > ময়দান > অপপ্রচার চলছে, নিজেই গিয়ে কাস্টমসকে ১.৫ কোটির ঘড়ি জমা দিয়েছিলাম, দাবি হার্দিকের
হার্দিক পান্ডিয়া। ছবি- বিসিসিআই।
হার্দিক পান্ডিয়া। ছবি- বিসিসিআই।

অপপ্রচার চলছে, নিজেই গিয়ে কাস্টমসকে ১.৫ কোটির ঘড়ি জমা দিয়েছিলাম, দাবি হার্দিকের

  • প্রথমে হার্দিকের দু'টি ঘড়ির দাম পাঁচ বলে শোনা গেলেও সেই তথ্য খারিজ করে দেন ভারতীয় অলরাউন্ডার।

সময়টা একেবারেই ভাল চলছে না হার্দিক পান্ডিয়ার। দীর্ঘদিন ধরে চোটের সমস্যায় ভোগায় টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ভাল পারফর্ম করতে পারেননি তিনি। নিউজিল্যান্ড সিরিজ থেকেও তাঁকে বাদ দিয়েছেন জাতীয় নির্বাচকরা। এরপর এই সময় দেখার ঘড়ি নিয়েই নাকি তিকি ফ্যাসাদে পড়েছিলেন বলে শোনা যাচ্ছিল। তবে নিজের বিষয়ে অপপ্রচারে বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়িয়ে সত্যিটা সামনে আনলেন ভারতীয় তারকা।

সম্প্রতি খবর বেরোয় দুবাই থেকে আনা দু'টি পাঁচ কোটি টাকা দামের ঘড়ির সঠিক রশিদ দেখাতে না পারায় কাস্টমসের ফাঁদে পড়েছেন হার্দিক। সেই তথ্য নাকচ করে ঘড়ির দাম দেড় কোটি বলে জানান হার্দিক। এক বিবৃতিতে ভারতীয় অলরাউন্ডার বলেন, ‘সোমাবার, ১৫ নভেম্বর ভোরে দুবাই থেকে দেশে ফেরার পর আমি স্বেচ্ছায় মুুম্বইয়ের কাস্টমস বিভাগে গিয়ে আমার আনা জিনিসপত্রের প্রয়োজনীয় ডকুমেন্ট দিই এবং তার জন্য প্রয়োজনীয় মূল্য দিতেও রাজি হই। আমার কাস্টমসে যাওয়া নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় অপপ্রচার চলছে। কাস্টমস বিভাগ আমায় ডুটি হিসেবে কত মূল্য দিতে হবে তার হিসেব নিকেশ করছে।’

সময়টা একেবারেই ভাল চলছে না হার্দিক পান্ডিয়ার। দীর্ঘদিন ধরে চোটের সমস্যায় ভোগায় টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ভাল পারফর্ম করতে পারেননি তিনি। নিউজিল্যান্ড সিরিজ থেকেও তাঁকে বাদ দিয়েছেন জাতীয় নির্বাচকরা। এরপর এই সময় দেখার ঘড়ি নিয়েই নাকি তিকি ফ্যাসাদে পড়েছিলেন বলে শোনা যাচ্ছিল। তবে নিজের বিষয়ে অপপ্রচারে বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়িয়ে সত্যিটা সামনে আনলেন ভারতীয় তারকা।

সম্প্রতি খবর বেরোয় দুবাই থেকে আনা দু'টি পাঁচ কোটি টাকা দামের ঘড়ির সঠিক রশিদ দেখাতে না পারায় কাস্টমসের ফাঁদে পড়েছেন হার্দিক। সেই তথ্য নাকচ করে ঘড়ির দাম দেড় কোটি বলে জানান হার্দিক। এক বিবৃতিতে ভারতীয় অলরাউন্ডার বলেন, ‘সোমাবার, ১৫ নভেম্বর ভোরে দুবাই থেকে দেশে ফেরার পর আমি স্বেচ্ছায় মুুম্বইয়ের কাস্টমস বিভাগে গিয়ে আমার আনা জিনিসপত্রের প্রয়োজনীয় ডকুমেন্ট দিই এবং তার জন্য প্রয়োজনীয় মূল্য দিতেও রাজি হই। আমার কাস্টমসে যাওয়া নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় অপপ্রচার চলছে। কাস্টমস বিভাগ আমায় ডুটি হিসেবে কত মূল্য দিতে হবে তার হিসেব নিকেশ করছে।’|#+|

ভারতীয় নাগরিক হিসেবে তিনি দেশের সমস্ত নিয়মকানুন সঠিকভাবে মেনে চলেনও স্পষ্ট জানিয়ে দেন হার্দিক। ‘আমি দেশের সব নিয়মকানুন মেনে চলি এবং সমস্ত এজেন্সিকে যোগ্য সম্মান দিই। আমি মুম্বই কাস্টমস বিভাগ থেকে সমস্ত রকমের সহযোগিতা পেয়েছি এবং ওদেরও আমার তরফে পূর্ণ সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছি। এই বিষয়টা মেটানোর জন্য ওদের যা যা প্রয়োজনীয় ডকুমেন্ট লাগে, তা আমি দিতে রাজি। আমার বিরুদ্ধে আইনভঙ্গ করার সমস্ত অভিযোগ মিথ্যে।’ বলে জানান হার্দিক।

বন্ধ করুন