বাংলা নিউজ > ময়দান > সন্দেশ চোট পাওয়ায় FIFA-র কাছ থেকে বড় অঙ্কের ক্ষতিপূরণ পায় কেরালা ব্লাস্টার্স, জেনে নিন কীভাবে
কেরালার জার্সিতে সন্দেশ। ছবি- আইএসএল।
কেরালার জার্সিতে সন্দেশ। ছবি- আইএসএল।

সন্দেশ চোট পাওয়ায় FIFA-র কাছ থেকে বড় অঙ্কের ক্ষতিপূরণ পায় কেরালা ব্লাস্টার্স, জেনে নিন কীভাবে

  • চোটের জন্য ২০১৯-২০ মরশুমে আইএসএল খেলতে পারেননি ঝিঙ্গান।

খেলোয়াড় চোট পাওয়ায় কোনও ক্লাব ফিফার কাছ থেকে আর্থিক ক্ষতিপূরণ পেয়েছে, এমন ঘটনা ভারতীয় ফুটবলে বিরল। তবে সম্ভবত প্রথমবার এদেশে ঠিক তেমনটাই ঘটেছে। সন্দেশ ঝিঙ্গানের দীর্ঘমেয়াদী চোটের জন্য ফিফার কাছ থেকে বড় অঙ্কের ক্ষতিপূরণ আদায় করে নিয়েছে আইএসএল ক্লাব কেরালা ব্লাস্টার্স, এমনটাই খবর গোল ডট কমের।

হাঁটুর চোটের জন্য ২০১৯-২০ আইএসএল মরশুমে মাঠে নামতে পারননি সন্দেশ। ওয়ার্ল্ড কাপ কোয়ালিফায়ারের প্রস্তুতির জন্য সন্দেশ জাতীয় দলের হয়ে মাঠে নেমেছিলেন নর্থ-ইস্ট ইউনাইটেডের বিরুদ্ধে অনুশীলন ম্যাচে। সেখানেই তিনি চোট পান হাঁটুতে। ফলে বেশ কিছুদিনের জন্য মাঠ থেকে ছিটকে যান তারকা ডিফেন্ডার।

কেরালা ব্লাস্টার্সের কাছে সন্দেশের ছিটকে যাওয়া বড় ধাক্কা ছিল সন্দেহ নেই। প্রথমত তত্কালীন কোচ এলকো শাতোরির দলের অন্যতম সেরা তারকা ছিলেন সন্দেশ। তাছাড়া চুক্তি অনুয়ায়ী ফিট থাকুন বা না থাকুন, ভারতীয় তারকাকে বড় অঙ্কের পারিশ্রমিক দিতে বাধ্য ছিল কেরালা।

ক্লাবের ডিরেক্টর অফ ফুটবল মহম্মদ রফিক নিজেদের অধিকার সম্পর্কে অবহিত ছিলেল। মূলত তাঁর প্রচেষ্টাতেই ফিফার কাছ থেকে ক্ষতিপূরণ আদায় করে নেয় কেরালা।

ফিফার ক্লাব প্রোটেকশন প্রোগ্রাম (CPP): কোনও ক্লাবের চুক্তিবদ্ধ খেলোয়াড় যদি জাতীয় ফুটবলে সংস্থার হয়ে মাঠে নামার সময় চোট পান এবং ২৮ দিনের বেশি খেলা থেকে ছিটকে যান, তবে এই প্রকল্পের আওতায় সংশ্লিষ্ট ক্লাবকে ক্ষতিপূরণ দেয় ফিফা। এমন দুর্ঘটনার ক্ষেত্রে দিন পিছু সবথেকে বেশি ২০৫৪৮ ইউরো হিসেবে সর্বাধিক ৩৬৫ দিনের জন্য সর্বোচ্চ ৭৫ লক্ষ ইউরো ক্ষতিপূরণ পাওয়া যেতে পারে ফিফার কাছ থেকে। অর্থের পরিমাণ নির্ধারিত হয় সংশ্লিষ্ট খেলোয়াড়ের পারিশ্রমিকের ভিত্তিতে।

কেরালা যেভাবে ক্ষতিপূরণ পায়: নিয়ম অনুযায়ী চোট পাওয়ার ২৮ দিনের মধ্যে ক্ষতিপূরণ দাবি করতে হয়। সন্দেশ ২০১৯-এর ৯ অক্টোবর চোট পেয়েছিলেন। কেরালা ৬ নভেম্বর আবেদন জানায়। এক বছর পরে তারা প্রথম কিস্তির টাকা পায় ফিফার কাছ থেকে। চোট পাওয়ার ২৯ দিনের মাথায় ক্ষতিপূরণের মেয়াদ শুরু হয়। সংশ্লিষ্ট ফুটবলার অনুশীলনে ফেরার দিন পর্যন্ত এই ক্ষতিপূরণের মেয়াদ জারি থাকে। ইংল্যান্ডের কোয়েস্টগেটস সংস্থা ফিফার সিপিপি দেখাশোনা করে। ক্ষতিপূরণের জন্য খেলোয়াড়ের চুক্তির নথি থেকে শুরু করে মেডিক্যাল রিপোর্ট পর্যন্ত যাবতীয় কাগজপত্র জাতীয় দলের ডিরেক্টর ও সংশ্লিষ্ট দেশের ফুটবলার্স অ্যাসোসিয়েশনের অনুমোদন-সহ ফিফায় পাঠাতে হয়। ঝিঙ্গানের ক্ষেত্রে মোট ৭০ লক্ষ টাকা ক্ষতিপূরণ পায় কেরালা ব্লাস্টার্স।

বন্ধ করুন