বাংলা নিউজ > ময়দান > WI vs IND: শেষ ওভারে সঞ্জুর কিপিংয়ে মানরক্ষা ভারতের, রইল ভিডিয়ো
সঞ্জু তৎপরতায় বিপদ মুক্ত ভারত

WI vs IND: শেষ ওভারে সঞ্জুর কিপিংয়ে মানরক্ষা ভারতের, রইল ভিডিয়ো

  • সিরাজের বল যখন ওয়াইড হয়ে যায় তখন উইকেটের পিছনে দাঁড়িয়ে থাকা সঞ্জু স্যামসন বলটিকে ফলো করছিলেন। শেষ পর্যন্ত পুরো স্ট্রেচ ডাইভ করে সেই বলটিকে থামিয়ে দেন সঞ্জু। এখানে সঞ্জু স্যামসন তৎপরতা দেখিয়ে চার রান না বাঁচালে ম্যাচটি ওয়েস্ট ইন্ডিজের ঝুলিতে চলে যেত।

সিরিজের প্রথম রোমাঞ্চকর ওয়ানডেতে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে ৩ রানে হারিয়ে তিন ম্যাচের সিরিজে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে গেল ভারত। গভীর রাতের এই ম্যাচে শেষ ওভারে স্বাগতিকদের প্রয়োজন ছিল ১৫ রান। সিরাজ দুর্দান্ত বোলিং দেখালেন, তার সঙ্গে সঞ্জু স্যামসন উইকেটের পিছনেদারুণ কিছু করলেন, যে কারণে শেষ পর্যন্ত ম্যাচ জিতল ভারত। এদিনের ম্যাচে প্রথমে ব্যাট করতে নেমে টিম ইন্ডিয়া নির্ধারিত ৫০ ওভারে ৭ উইকেট হারিয়ে স্কোর বোর্ডে তোলে ৩০৮ রান। এই রান তাড়া করতে নেমে স্বাগতিকরা ৫০ ওভারে ৬ উইকেট হারিয়ে ৩০৫ রান তুলতে সক্ষম হয়।

আরও পড়ুন… IRE vs NZ: গ্লেন ফিলিপসের ব্যাটে ভর করে টি টোয়েন্টি সিরিজ দখল করল নিউজিল্যান্ড

উত্তেজনাপূর্ণ এই ম্যাচে সিরাজ যখন শেষ ওভারে ১৫ রান ডিফেন্ড করতে নামেন,তখন ওভারের প্রথম দুই বলে দেন মাত্র ১ রান। এরপর ওয়েস্ট ইন্ডিজের ভাগ্যের পাশাপাশি তৃতীয় বলে একটি চার পান শেফার্ড। চতুর্থ বলে দারুণ বোলিং করে মাত্র দুই রান খরচ করেন সিরাজ। প্রথম চার বলে মাত্র ৭ রান দিয়েছিলেন সিরাজ। তাই মনে হচ্ছিল ম্যাচটা টিম ইন্ডিয়ার ঝুলিতে চলে এসেছে। কিন্তু পঞ্চম বলটা সিরাজ এত দূরের লেগ সাইডে ছুড়ে দিলেন যে সকলে ভয় পেয়ে গিয়েছিলেন। সকলেই ভেবেছিলেন এটাতে হয়তো ওয়েস্ট ইন্ডিজ পাঁচ রান পাবে।

সিরাজের বল যখন ওয়াইড হয়ে যায় তখন উইকেটের পিছনে দাঁড়িয়ে থাকা সঞ্জু স্যামসন বলটিকে ফলো করছিলেন। শেষ পর্যন্ত পুরো স্ট্রেচ ডাইভ করে সেই বলটিকে থামিয়ে দেন সঞ্জু। এখানে সঞ্জু স্যামসন তৎপরতা দেখিয়ে চার রান না বাঁচালে ম্যাচটি ওয়েস্ট ইন্ডিজের ঝুলিতে চলে যেত।

আরও পড়ুন… IRE vs NZ: গ্লেন ফিলিপসের ব্যাটে ভর করে টি টোয়েন্টি সিরিজ দখল করল নিউজিল্যান্ড

যাইহোক,এর পরে সিরাজ এমন কোনও ভুল করেননি। তিনি পঞ্চম বলে দুই রান খরচ করেছিলেন। যেখানে ওয়েস্ট ইন্ডিজের শেষ বলে মাত্র ১ রান করে। সিরাজ তার শেষ ওভারে ১১ রান দিয়েছিলেন। স্যামসনের সেই ঝাঁপ ম্যাচের নির্ধারক হয়ে দাঁড়ায়।

বন্ধ করুন