বাংলা নিউজ > বাংলার মুখ > অন্যান্য জেলা > ‘‌এখন আমি কোনও মন্তব্য করতে চাই না’‌, বেসুরো মুকুল–পুত্রকে নিয়ে জল্পনা
বিজেপি বিধায়ক শুভ্রাংশু রায়। ফাইল ছবি
বিজেপি বিধায়ক শুভ্রাংশু রায়। ফাইল ছবি

‘‌এখন আমি কোনও মন্তব্য করতে চাই না’‌, বেসুরো মুকুল–পুত্রকে নিয়ে জল্পনা

  • তিনি ফেসবুক পোস্টে লিখেছেন, ‘‌জনগণের সমর্থন নিয়ে আসা সরকারের সমালোচনা করার আগে, আত্মসমালোচনা করা বেশি প্রয়োজন।’‌

ফের তৃণমূল কংগ্রেসে ফিরছেন শুভ্রাংশু রায়? শুক্রবার রাতে মুকুল–পুত্রের ফেসবুক পোস্টের পর থেকে এখন এই প্রশ্নই ঘুরপাক খাচ্ছে রাজ্য–রাজনীতিতে। তিনি ফেসবুক পোস্টে লিখেছেন, ‘‌জনগণের সমর্থন নিয়ে আসা সরকারের সমালোচনা করার আগে, আত্মসমালোচনা করা বেশি প্রয়োজন।’‌ তখনই প্রশ্ন উঠেছিল, তবে কি তৃণমূল কংগ্রেসে ফিরতে চাইছেন এই নেতা? এই বিষয়ে শুভ্রাংশু রায়কে প্রশ্ন করা হলে তিনি সংবাদমাধ্যমকে বলেন, ‘‌এই নিয়ে এখন আমি কোনও মন্তব্য করতে চাই না। আমার মা অসুস্থ। এখন কিছু বলতে চাই না।’‌ সুতরাং পরে তিনি বলতে পারেন বলে মনে করা হচ্ছে।

একুশের নির্বাচনে যাদের বলতে শোনা গিয়েছিল তৃণমূল কংগ্রেসের অন্দরে থেকে নাকি কাজ করা যাচ্ছে না, আজ তাঁরাই আবার তৃণমূল কংগ্রেসের গুণগান করছেন জনসমক্ষে। খোদ মুকুল রায়ের পুত্র বীজপুরের প্রাক্তন বিধায়ক শুভ্রাংশু রায়ের ফেসবুক পোস্ট জোর জল্পনার জন্ম দিয়েছে৷ তবে সেখানে স্পষ্ট করে দল বদলের কথা না থাকলেও, নিজের দল বিজেপির জন্যই আত্মসমালোচনার বার্তা দিয়েছেন তিনি৷ তবে এই পোস্ট পুরনো দল তৃণমূল কংগ্রেসের জন্য কোনও সংকেত রয়েছে কি না তা আপাতত স্পষ্ট নয়৷

উল্লেখ্য, গত ১৪ মে সস্ত্রীক করোনা সংক্রমণে আক্রান্ত হন বিজেপির সর্বভারতীয় সহ–সভাপতি তথা রাজ্যের বিধায়ক মুকুল রায়। বাড়িতে থেকেই মুকুল রায়ের চিকিৎসা হচ্ছিল। কিন্তু তাঁর স্ত্রীর শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ায় তাঁকে ভর্তি করা হয়েছিল হাসপাতালে। রবিবার তৃণমূল কংগ্রেসের সাংসদ সুখেন্দুশেখর রায় বলেন, ‘‌বিজেপির অনেকেই আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ করছেন। তাঁদেরও ওঁর মতনই মনে হয়েছে। কতজন যোগদান করবেন আমি জানি না।’‌ এবারের নির্বাচনে বীজপুর কেন্দ্রে পরাজিত হয়েছেন প্রাক্তন বিধায়ক শুভ্রাংশু রায়৷ ২০১৯ সালের মে মাসে বিজেপিতে যোগ দিয়েছিলেন তিনি৷

যদিও তৃণমূল কংগ্রেসের মুখপাত্র কুণাল ঘোষ জানিয়েছেন, এই নিয়ে এখনও কোনও সিদ্ধান্ত নেয়নি দল। এদিন সুখেন্দুশেখর রায় বলেন, ‘‌এনডিএ সরকারের সাত বছর পূর্ণ হল। এত খারাপ সরকার কখনও দেখিনি। অর্থনীতি ভেঙে পড়েছে। রাষ্ট্রের বিমানবন্দর থেকে বন্দর সবই বেচে দিচ্ছে। কয়েকজন প্রভাবশালী আরও প্রভাবশালী হয়ে উঠছে। করোনার সময় কোনও কাজ করেনি। শুধু আমাদের কাজ করতে বাধা দিচ্ছে।’‌

বন্ধ করুন