বাংলা নিউজ > বাংলার মুখ > অন্যান্য জেলা > সুন্দরবনে কাঁকড়া ধরতে গিয়ে বাঘের হানায় মৃত ১
এই নৌকায় করেই কাঁকড়া ধরতে গিয়েছিলেন শংকরবাবুরা। 
এই নৌকায় করেই কাঁকড়া ধরতে গিয়েছিলেন শংকরবাবুরা। 

সুন্দরবনে কাঁকড়া ধরতে গিয়ে বাঘের হানায় মৃত ১

  • জানা গিয়েছে, পাথরপ্রতিমার জি প্লটে শ্বশুরবাড়িতে দীর্ঘদিন ধরে বাস করতেন শংকরবাবু। শুক্রবার সেখান থেকেই স্ত্রী, শ্যালক ও প্রতিবেশীদের সঙ্গে কাঁকড়া ধরতে রওনা দেন কলসদ্বীপে।

সুন্দরবনে কাঁকড়া ধরতে গিয়ে ফের বাঘের মুখে মৃত্যু হল এক মৎস্যজীবী। নিহত শংকর ভক্তা পাথরপ্রতিমার পশ্চিম দ্বারকাপুরের বাসিন্দা। শুক্রবার কলসদ্বীপে কাঁকড়া ধরতে গিয়ে বাঘের মুখে পড়েন শংকরবাবু। সঙ্গীরা আপ্রাণ লড়াই করেও বাঁচাতে পারেননি তাঁকে।

জানা গিয়েছে, পাথরপ্রতিমার জি প্লটে শ্বশুরবাড়িতে দীর্ঘদিন ধরে বাস করতেন শংকরবাবু। শুক্রবার সেখান থেকেই স্ত্রী, শ্যালক ও প্রতিবেশীদের সঙ্গে কাঁকড়া ধরতে রওনা দেন কলসদ্বীপে। ২ দিন জলেই ছিলেন তাঁরা। সোমবার রাতে কলসদ্বীপের কাছে নৌকায় রাতের খাবার খাওয়ার সময় শংকরবাবুর ওপর পিছন থেকে হামলা চালায় একটি বাঘ। স্ত্রী, শ্যালক ও সঙ্গে থাকা প্রতিবেশীরা তাঁকে কোনওক্রমে বাঘের মুখ থেকে উদ্ধার করে নৌকায় তোলেন। পাথরপ্রতিমায় ফেরত আসার পথে নৌকাতেই মৃত্যু হয় তাঁর।

মৃতের স্ত্রী জয়ন্তী ভক্তা জানিয়েছেন, সোমবার রাত ৮টা নাগাদ নৌকায় রাতের খাবার খাওয়ার সময় একটি বাঘ পাড় থেকে সোজা এসে স্বামীর ওপর হামলা চালায়। পিছন থেকে স্বামীর ঘাড় কামড়ে ধরে বাঘটি। তাঁকে জলে নামিয়ে জঙ্গলে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছিল বাঘ। আমরা সবাই মিলে স্বামীর পা টেনে ধরি। বেশ কিছুক্ষণ লড়াইয়ের পর শংকরকে ছেড়ে জঙ্গলে ফিরে যায় বাঘটি। কিন্তু বাঘে মানুষে টানাটানির মধ্যে পড়ে ততক্ষণে মৃতপ্রায় আমার স্বামী। নৌকায় তুলতেই তাঁর প্রাণটা বেরিয়ে যায়।

মঙ্গলবার দেহটি মাধবনগর হাসপাতালে নিয়ে যান পরিজনরা। সেখান থেকে পাথরপ্রতিমা থানার পুলিশ দেহটি ময়নাতদন্তের জন্য পাঠিয়েছে।

 

বন্ধ করুন