বাংলা নিউজ > বাংলার মুখ > অন্যান্য জেলা > টাইম ম্যাগাজিনেও হল ‘খেলা’, আদর, মোদীর সঙ্গে প্রভাবশালীর প্রথম ১০০-তে মমতাও
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

টাইম ম্যাগাজিনেও হল ‘খেলা’, আদর, মোদীর সঙ্গে প্রভাবশালীর প্রথম ১০০-তে মমতাও

  • আন্তর্জাতিক স্তরে বড় স্বীকৃতি পেলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

টাইম ম্যাগাজিনেও হল ‘খেলা’। বিখ্যাত ম্যাগাজিনের বিশ্বের সবথেকে ১০০ জন প্রভাবশালীর তালিকায় জায়গা পেলেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। যে তালিকায় আছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী এবং সেরাম ইনস্টিটিউট অফ ইন্ডিয়ার (এসআইআই) সিইও আদর পুনাওয়ালা। মমতা এবং মোদী আছেন ‘নেতাদের’ তালিকায়। 'পায়োনিয়ারস' তালিকায় আছেন সেরামের সিইও।

মমতার বিষয়ে টাইম ম্যাগাজিনের বিররণে লেখা হয়েছে, ‘ভারতীয় জনতা পার্টির (বিজেপি) অর্থ এবং লোকবল সত্ত্বেও ২ মে আপাতদৃষ্টিতে অপরাজেয় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর বিস্তারাবাদী উচ্চাকাঙ্খার বিরুদ্ধে উনি (মমতা) দুর্গের মতো দাঁড়িয়েছিলেন, যখন তিনি পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনে জিতে মুখ্যমন্ত্রী হন। ভারতীয় রাজনীতিতে অন্যান্য মহিলাদের মতো মমতাকে কখনও কারও স্ত্রী, মা, মেয়ে বা সঙ্গী হিসেবে দাগিয়ে দেওয়া হয়নি। উনি দারিদ্র্যতার মধ্যে থেকে উঠে এসেছিলেন। পরিবারকে সাহায্যের জন্য একটা সময় স্টেনোগ্রাফার হিসেবে কাজ করেছেন, দুধের বুথের ভেন্ডর হিসেবে কাজ করেছেন।’ সাংবাদিক বরখা দত্তের লেখা সেই বিবরণে আরও বলা হয়েছে, ‘মমতার বিষয়ে বলা হয় যে উনি নিজের দল তৃণমূল কংগ্রেসকে নেতৃত্ব দেন না। তিনিই হলেন দল। পুরুষতান্ত্রিক সংস্কৃতির মধ্যে তাঁর স্ট্রিট-ফাইটার মনোভার এবং নিজের হাতে গড়া জীবনই তাঁকে আলাদা করে তুলেছে।’

বুধবার বিশ্বের প্রভাবশালী ব্যক্তিদের তালিকা প্রকাশ করেছে টাইম ম্যাগাজিন। বিভিন্ন বিভাগের আওতায় প্রভাবশালীদের নাম দেওয়া হয়েছে। তাতে 'নেতাদের' তালিকায় আছেন মোদী, মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন, শি জিনপিং, প্রাক্তন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প, মার্কিন ভাইস-প্রেসিডেন্ট কমলা হ্যারিসৃসহ ২০ জন। সেই তালিকায় রাখা হয়েছে তালিবানের আবদুল ঘানি বরাবদরকেও। মোদীর বিষয়ে টাইম ম্যাগাজিনে ব্যাখ্যা দেওয়া হয়েছে, স্বাধীন ভারতের ৭৪ বছরের ইতিহাসে তিনজন গুরুত্বপূর্ণ নেতা আছেন। তাঁরা হলন - জওহরলাল নেহরু, ইন্দিরা গান্ধী এবং মোদী। 'নরেন্দ্র মোদী সেই তালিকায় তিন নম্বরে আছে। তাঁদের (নেহরু এবং ইন্দিরা) সময় থেকে কেউ আর দেশের রাজনীতিতে এভাবে আধিপত্য বিস্তার করেনি।'

বন্ধ করুন