বাংলা নিউজ > বাংলার মুখ > অন্যান্য জেলা > Panchayat Election: তৃণমূল নেতাদের পরিবারের সদস্যরা কি পঞ্চায়েত ভোটে টিকিট পাবেন? বড় সিদ্ধান্ত দলে

Panchayat Election: তৃণমূল নেতাদের পরিবারের সদস্যরা কি পঞ্চায়েত ভোটে টিকিট পাবেন? বড় সিদ্ধান্ত দলে

পঞ্চায়েত নির্বাচনে টিকিট নিয়ে বড় সিদ্ধান্ত নিয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস।

কলকাতা পুরসভা নির্বাচনে দেখা গিয়েছিল, আসানসোলের মেয়র হন আরও এক বিধায়ক। কলকাতার পুরসভা নির্বাচনে সাংসদ শান্তনু সেনের স্ত্রী কাকলি, মন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্যের ছেলে সৌরভ, মন্ত্রী শশী পাঁজার মেয়ে পূজা, মন্ত্রী জাভেদ খানের ছেলে ফৈয়াজ, বিধায়ক স্বর্ণকমল সাহার ছেলে সন্দীপন প্রার্থী হন।

সামনেই পঞ্চায়েত নির্বাচন। এবারের পঞ্চায়েত নির্বাচনে টিকিট নিয়ে বড় সিদ্ধান্ত নিয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস। আর তাতেই শোরগোল পড়ে গিয়েছে জেলার রাজনীতির সমীকরণে। তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষ থেকে জেলা সভাপতিদের জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, নেতাদের ব্যাগ, জলের বোতল বয়ে পঞ্চায়েত নির্বাচনের টিকিট পাওয়া যাবে না। এমনকী নেতার ‘কাছের লোক’ হলেও পঞ্চায়েত নির্বাচনের টিকিট পাবে না। তাহলে টিকিট পাবে কে?‌ মানুষ যাঁকে পছন্দ করেন, শুধুমাত্র তেমন ব্যক্তিকেই টিকিট দেওয়া হবে বলে জানানো হয়েছে বলে সূত্রের খবর।

পঞ্চায়েত নির্বাচনে তৃণমূল কংগ্রেসের প্রার্থী কারা? তৃণমূল কংগ্রেস সূত্রে খবর, গ্রামবাংলার নির্বাচনে ‘গ্রহণযোগ্য মুখ’ খোঁজার কাজ শুরু হয়ে গিয়েছে। জেলা থেকে কোনও নাম পাঠালে তা মান্যতা না পাবার সম্ভাবনা প্রবল। তাই রাজ্য নেতৃত্ব সবদিক বিচার করেই প্রার্থী নির্বাচন করতে চলেছেন। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও অভিষেক নিজস্ব নেটওয়ার্কে আসা নাম থেকেই প্রার্থী ঠিক হতে পারে। এমনকী একটি পেশাদার সংস্থারও রিপোর্ট নেওয়া হচ্ছে। তারপর চূড়ান্ত হবে প্রার্থীদের নাম।

ঠিক কী বলছেন জেলার নেতারা?‌ এই বিষয়ে বীরভূম জেলার তৃণমূল কংগ্রেসের চেয়ারম্যান আশিস বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, ‘‌যাঁরা দলের বিভিন্ন পদে রয়েছেন এবং সাংসদ, বিধায়ক বা জেলা পরিষদে আছেন, তাঁদের নিকট আত্মীয়দের ভোটে না দাঁড়ানোই উচিত।’‌ আবার তমলুক সাংগঠনিক জেলার তৃণমূল সভাপতি সৌমেন মহাপাত্র সংবাদমাধ্যমে বলেন, ‘‌নেতার ঘরের স্ত্রী, ছেলে, মেয়ে বা আত্মীয় বলেই একজন প্রার্থী হবেন, সেটা ঠিক নয়। যদি কেউ সত্যি যোগ্য হন, তাঁর অগ্রাধিকার প্রাপ্য।’‌ উত্তর দিনাজপুর জেলার তৃণমূল কংগ্রেস সভাপতি কানহাইয়ালাল আগরওয়ালের কথায়, ‘‌পরিবারতন্ত্র বলে কিছু নেই। নেতা বা জনপ্রতিনিধির সন্তান যদি যোগ্য হন তাহলে অবশ্যই ভোটে টিকিট পেতে পারেন।’‌

উল্লেখ্য, গত বছর কলকাতা পুরসভা নির্বাচনে দেখা গিয়েছিল, তৃণমূল কংগ্রেসের ছ’জন বিধায়ক এবং একজন সাংসদ টিকিট পেয়েছেন। আসানসোলের মেয়র হন আরও এক বিধায়ক। কলকাতার পুরসভা নির্বাচনে সাংসদ শান্তনু সেনের স্ত্রী কাকলি, মন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্যের ছেলে সৌরভ, মন্ত্রী শশী পাঁজার মেয়ে পূজা, মন্ত্রী জাভেদ খানের ছেলে ফৈয়াজ, বিধায়ক স্বর্ণকমল সাহার ছেলে সন্দীপন প্রার্থী হন। এমনকী পুরসভার পারিষদ তারক সিংয়ের ছেলে এবং মেয়েও টিকিট পেয়েছিলেন। তবে প্রাক্তন বাম নেতা ক্ষিতি গোস্বামীর কন্যা বসুন্ধরা প্রার্থী হয়েছিলেন।

বন্ধ করুন