বাংলা নিউজ > বাংলার মুখ > অন্যান্য জেলা > হুগলিতে ‘‌দুয়ারে রান্নাঘর’‌ প্রকল্প কর্মসূচি চালু তৃণমূলের, উদ্বোধন কল্যাণের
হুগলিতে ‘‌দুয়ারে রান্নাঘর’‌ প্রকল্প কর্মসূচি চালু তৃণমূলের, উদ্বোধনে কল্যাণ (ছবি সৌজন্য নিজস্ব)
হুগলিতে ‘‌দুয়ারে রান্নাঘর’‌ প্রকল্প কর্মসূচি চালু তৃণমূলের, উদ্বোধনে কল্যাণ (ছবি সৌজন্য নিজস্ব)

হুগলিতে ‘‌দুয়ারে রান্নাঘর’‌ প্রকল্প কর্মসূচি চালু তৃণমূলের, উদ্বোধন কল্যাণের

  • যতদিন না পরিস্থিতি স্বাভাবিক হচ্ছে, এই কর্মসূচি অনির্দিষ্টকাল ধরে চলবে। মেনুতে খাকছে ডাল, ভাত, ডিম, মাছ, মাংস, আলু ভাজা, সবজি ও শেষ পাতে থাকছে মিষ্টিও। সব মানুষের নামের তালিকা তৈরি করা হয়েছে। সেই অনুয়ায়ী প্রত্যেকদিন রান্না করা খাবার প্যাকেটে করে বাড়িতে বাড়িতে পৌঁছে দেওয়া হবে।’‌

করোনায় আক্রান্ত রোগীর পরিবার মূলত সব চেয়ে বড় যে সমস্যায় পড়েন, তার মধ্যে অন্যতম খাবারের অভাব। কোনও রোগীর বাড়িতে যদি একাধিক সদস্য করোনায় আক্রান্ত হয়ে পড়েন, বিশেষ করে মহিলারা। সেক্ষত্রে সরাসরি প্রভাব পড়ে খাওয়া দাওয়ার উপর। একেতে তাঁরা বাড়ি থেকে কোথাও বেরতে পারেন না। অন্য দিকে, পাড়া প্রতিবেশীদের ওপর নির্ভরশীল হয়ে থাকতে হয় আক্রান্তের পরিবারকে। কারণ, বাড়িতে খাবার রান্না করার মতো কেউ নেই। অথচ বহু ক্ষেত্রেই দেখা গিয়েছে, আক্রান্তের বাড়ি পর্যন্ত খাবার পৌঁছে দিতেও কুন্ঠা বোধ করেন অনেকে। যদিও অল্পসংখ্যক পড়শি বা অনেকক্ষেত্রে স্বেচ্ছাসেবী সংস্থাগুলো রোগীদের বাড়ি পর্যন্ত খাবার পৌঁছে দেন। তবে তা সংখ্যায় হাতে গোনা মাত্র। আবার করোনার দাপট ও কড়া বিধিনিষেধের জেরেও খাবারের সমস্যায় ভুগতে হচ্ছে নিম্ন আয়ের মানুষদের। এবার এই সমস্যা দূর করতে ‘‌দুয়ারে রান্নাঘর’‌ কর্মসূচি চালু করল তৃণমূল।

এই কর্মসূচির সূচনা হয়েছে হুগলিতে। হুগলির বৈদ্যবাটি শ্রীরামপুর-সহ মোট ৬টি এলাকায় তৃণমূল নের্তৃত্বের তরফে দুয়ারে রান্নাঘর প্রকল্প শুরু করা হয়েছে। প্রত্যেকদিন ৩৫০ জন মানুষের বাড়ি খাবার পৌঁছে দিতে উদ্যোগী হয়েছে বৈদ্যবাটি পুরসভার ১০ নম্বর ওয়ার্ডের তৃণমূল নেতৃত্ব।

রবিবার এই কর্মসূচির অনুষ্ঠান শুরু হয় শেওড়াফুলি রাজবাড়ির মাঠে। এদিন শ্রীরামপুরের সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় এই কর্মসূচির উদ্বোধন করেন। তিনি নিজে উপস্থিত থেকে দুঃস্থদের খাবার পরিবেশনও করেন। বৈদ্যবাটির ১০ নম্বর ওয়ার্ড কো-অর্ডিনেটর সুবীর ঘোষের তক্তাবধানে এই কর্মসূচি প্রকল্প চালু হয়। আবার শ্রীরামপুরের সন্তোষ সিংয়ের নের্তৃত্বে এই কর্মসূচি শুরু হয়েছে। গান্ধী ময়দানে চালু হয়েছে এই কর্মসূচি।

কী কী থাকছে খাবারের মেনুতে?‌

এপ্রসঙ্গে সুবীরবাবু বলেন, ‘‌ এই রান্নাঘরে প্রত্যেকদিন বিভিন্ন ধরনের মেনু রান্না করে বিপদে পড়ে মানুষের বাড়িতে পৌঁছে দেওয়া হবে। যতদিন না পরিস্থিতি স্বাভাবিক হচ্ছে, এই কর্মসূচি অনির্দিষ্টকাল ধরে চলবে। মেনুতে খাকছে ডাল, ভাত, ডিম, মাছ, মাংস, আলু ভাজা, সবজি ও শেষ পাতে থাকছে মিষ্টিও। সব মানুষের নামের তালিকা তৈরি করা হয়েছে। সেই অনুয়ায়ী প্রত্যেকদিন রান্না করা খাবার প্যাকেটে করে বাড়িতে বাড়িতে পৌঁছে দেওয়া হবে।’‌

এই কর্মসূচির সূচনা হয়েছে হুগলিতে। হুগলির বৈদ্যবাটি শ্রীরামপুর-সহ মোট ৬টি এলাকায় তৃণমূল নের্তৃত্বের তরফে দুয়ারে রান্নাঘর প্রকল্প শুরু করা হয়েছে। প্রত্যেকদিন ৩৫০ জন মানুষের বাড়ি খাবার পৌঁছে দিতে উদ্যোগী হয়েছে বৈদ্যবাটি পুরসভার ১০ নম্বর ওয়ার্ডের তৃণমূল নেতৃত্ব।

রবিবার এই কর্মসূচির অনুষ্ঠান শুরু হয় শেওড়াফুলি রাজবাড়ির মাঠে। এদিন শ্রীরামপুরের সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় এই কর্মসূচির উদ্বোধন করেন। তিনি নিজে উপস্থিত থেকে দুঃস্থদের খাবার পরিবেশনও করেন। বৈদ্যবাটির ১০ নম্বর ওয়ার্ড কো-অর্ডিনেটর সুবীর ঘোষের তক্তাবধানে এই কর্মসূচি প্রকল্প চালু হয়। আবার শ্রীরামপুরের সন্তোষ সিংয়ের নের্তৃত্বে এই কর্মসূচি শুরু হয়েছে। গান্ধী ময়দানে চালু হয়েছে এই কর্মসূচি।

কী কী থাকছে খাবারের মেনুতে?‌

এপ্রসঙ্গে সুবীরবাবু বলেন, ‘‌ এই রান্নাঘরে প্রত্যেকদিন বিভিন্ন ধরনের মেনু রান্না করে বিপদে পড়ে মানুষের বাড়িতে পৌঁছে দেওয়া হবে। যতদিন না পরিস্থিতি স্বাভাবিক হচ্ছে, এই কর্মসূচি অনির্দিষ্টকাল ধরে চলবে। মেনুতে খাকছে ডাল, ভাত, ডিম, মাছ, মাংস, আলু ভাজা, সবজি ও শেষ পাতে থাকছে মিষ্টিও। সব মানুষের নামের তালিকা তৈরি করা হয়েছে। সেই অনুয়ায়ী প্রত্যেকদিন রান্না করা খাবার প্যাকেটে করে বাড়িতে বাড়িতে পৌঁছে দেওয়া হবে।’‌

|#+|

 

বন্ধ করুন