বাংলা নিউজ > বাংলার মুখ > কলকাতা > Visva Bharti University:কর্মীকে বরখাস্ত নিয়ে আদালতের প্রশ্নের মুখে বিশ্বভারতী, পুনর্বহালের নির্দেশ
 বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়।

Visva Bharti University:কর্মীকে বরখাস্ত নিয়ে আদালতের প্রশ্নের মুখে বিশ্বভারতী, পুনর্বহালের নির্দেশ

  • হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলেন সাংবাদিকতা বিভাগের ফিল্ড অফিসার। প্রথমে মামলা ওঠে বিচারপতি মৌসুমী ভট্টাচার্যের সিঙ্গেল বেঞ্চে। সেখানে আদালত তাঁর পক্ষে রায় দিয়েছিল। কিন্তু, সিঙ্গেল বেঞ্চের সেই নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে ডিভিশন বেঞ্চে যায় বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। 

কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশে চাকরি ফিরে পেলেন বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংবাদিকতা বিভাগের ফিল্ড অফিসার চন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়। তাকে চাকরি থেকে বরখাস্ত ‘বেআইনি’ বলে পর্যবেক্ষণ করে চাকরিতে পুনর্বহালের নির্দেশ দিল কলকাতা হাইকোর্ট। গত শুক্রবার কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি হরিশ ট্যান্ডনের ডিভিশন বেঞ্চ এই নির্দেশ দিয়েছে। হাইকোর্টের নির্দেশে খুশি বিশ্ববিদ্যালয়ের ওই কর্মী।

এর আগে কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি মৌসুমী ভট্টাচার্য চন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়কে চাকরিতে পুনর্বহাল করার নির্দেশ দিয়েছিলেন। কিন্তু, এরপরে ডিভিশন বেঞ্চে যায় বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। সেখানে সিঙ্গেল বেঞ্চের রায়কেই বহাল রাখে ডিভিশন বেঞ্চ। সিঙ্গেল বেঞ্চ এই রায় দিয়েছিল গত ৪ ফেব্রুয়ারি। তিন মাস ধরে মামলাটি চলছিল বিচারপতি হরিশ ট্যান্ডনের ডিভিশন বেঞ্চে। আদালতের প্রশ্ন ছিল, কোনও কর্ম স্থায়ী হোক বা অস্থায়ী ২০ বছর ধরে কাজ করলে কীভাবে তাকে বরখাস্ত করা যায়? করোনা পরিস্থিতির কারণে কাউকে কাজে আসতে বলা যাবেনা তাই কি হতে পারে! আদালতের রায়ে খুশি চন্দ্রনাথ বাবু। তিনি বলেন, ‘এই রায় সত্যের পক্ষে গেল।’

প্রসঙ্গত, করোনা পরিস্থিতির অজুহাত দেখিয়ে ওই কর্মীকে বরখাস্ত করেছিল বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। বিশ্ববিদ্যালয়ের সেই নির্দেশিকাকে চ্যালেঞ্জ করে কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলেন সাংবাদিকতা বিভাগের ফিল্ড অফিসার। প্রথমে মামলা ওঠে বিচারপতি মৌসুমী ভট্টাচার্যের সিঙ্গেল বেঞ্চে। সেখানে আদালত তাঁর পক্ষে রায় দিয়েছিল। কিন্তু, সিঙ্গেল বেঞ্চের সেই নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে ডিভিশন বেঞ্চে যায় বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।

বন্ধ করুন