বাংলা নিউজ > বাংলার মুখ > কলকাতা > ‘‌কাঁথি ব্যাঙ্কে চুরির বিরুদ্ধে অভ্যন্তরীণ অডিট হচ্ছে’‌, শুভেন্দুকে নিশানা মমতার
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। (ফাইল ছবি, সৌজন্য পিটিআই)
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। (ফাইল ছবি, সৌজন্য পিটিআই)

‘‌কাঁথি ব্যাঙ্কে চুরির বিরুদ্ধে অভ্যন্তরীণ অডিট হচ্ছে’‌, শুভেন্দুকে নিশানা মমতার

  • এই পরিস্থিতির মধ্যে এবার কাঁথির কন্টাই কো–অপারেটিভ ব্যাঙ্কে দুর্নীতি নিয়ে সরব হলেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

কয়েকদিন আগেই কাঁথির সমবায় ব্যাঙ্কের সামনে তৃণমূল কংগ্রেস বিক্ষোভ দেখিয়েছিল। কারণ এখানে প্রভাব খাটিয়ে শুভেন্দু অধিকারী বারবার চেয়ারম্যানের পদ করায়ত্ত করেছিলেন বলে তাঁদের অভিযোগ। ভারতের রিজার্ভ ব্যাঙ্কের নিয়ম অনুযায়ী, কোনও সমবায় ব্যাঙ্কের চেয়ারম্যান পরপর দু’‌বারের বেশি থাকা যায় না। সেখানে বারবার চেয়ারম্যান পদে আসীন হলেন কি করে?‌ এই প্রশ্ন উঠছে। এই পরিস্থিতির মধ্যে এবার কাঁথির কন্টাই কো–অপারেটিভ ব্যাঙ্কে দুর্নীতি নিয়ে সরব হলেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বুধবার নবান্ন থেকে তিনি বলেন, ‘‌কন্টাই ব্যাঙ্কের তদন্ত বারবার আটকে দেওয়া হচ্ছে কেন?‌ যেখানে অভিযোগ পাবো সেখানেই তদন্ত করব।’‌

এদিন মুখ্যমন্ত্রী নাম না করলেও তাঁর অভিযোগের তির যে বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর বিরুদ্ধে তা একেবারে স্পষ্ট। কন্টাই ব্যাঙ্কে বহ বেনামি অ্যাকাউন্ট আছে বলেও তিনি তোপ দাগেন। নবান্নের সভাঘরে সাংবাদিক বৈঠক করে তিনি বলেন, ‘‌কাঁথি ব্যাঙ্কে চুরির বিরুদ্ধে অভ্যন্তরীণ অডিট হচ্ছে। আর তাই রিট পিটিশন করে বসে আছে। এত ভয় কেন? আটকে দেওয়া হচ্ছে যাতে তদন্ত না হয়। কাঁথি ব্যাঙ্কেও তদন্ত হবে। অর্থ দফতরও তদন্ত করবে। দুর্নীতির অভিযোগ এসেছে সেখান থেকে।’‌

এরপরই মেজাজ সপ্তমে চড়িয়ে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ‘‌কাঁথি ব্যাঙ্কে কত টাকা আছে দেখব না? ভূতদের তো বের করতে হবে। ভূতেদের মুখে সেজন্য এখন রামনাম, হরিনাম চলছে। সব কিছুকে মামলা করে বন্ধ করে দাও। কলকাতা হাইকোর্টকে সম্মান করি। সেই সম্মানটা যেন অক্ষুন্ন থাকে। তদন্ত হচ্ছে তো এই কারণে। ভূতেদের টাকা আছে। কার টাকা আছে বেনামে? খুঁজে বের করতে হবে না!’‌ একুশের নির্বাচনী ময়দান থেকেই তিনি বাপ–ব্যাটার বিষয়টি দেখবেন বলেছিলেন। তারপর বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে তৃতীয়বার ক্ষমতায় এসে একের পর এক প্রতিশ্রুতিকে বাস্তবে রূপায়িত করছেন তিনি। সেখানে এই বিষয়টির জল যে অনেকদূর গড়াবে তা মুখ্যমন্ত্রীর কথায় স্পষ্ট বলে মনে করছেন রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকরা।

বন্ধ করুন