চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য
চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য

লকডাউনের জেরে পচছে বস্তা বস্তা সরকারি ওষুধ, জানেনই না স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী

  • শুধু ওষুধ নয়, এর মধ্যে রয়েছে ইনজেকশেনর অ্যাম্পুল, শিশি, ট্যাবলেট, টিউব, নানারকম ড্রপ ও লোশন। হার্ট অ্যাটাক, ম্যালেরিয়া প্রসব যন্ত্রণা ও আলসারের ওষুধেরও কাটতি নেই।

জয়দীপ ঠাকুর

করোনার জেরে হাসপাতালমুখো হচ্ছেন না অন্য রোগীরা। তার জেরে পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন হাসপাতাল ও স্বাস্থ্যকেন্দ্রে পচছে বস্তা বস্তা ওষুধ। চিকিৎসকদের আশঙ্কা, সময়মতো এই ওষুধ কাজে লাগানো না-গেলে বড় লোকসান হবে সরকারের। 

আসানসোল জেলা হাসপাতাল থেকে পাঠানো এক চিঠিতে লেখা হয়েছে, ‘অন্যান্য রোগ নিয়ে রোগীরা হাসপাতালে আসছেন না। যার ফলে সেই সব রোগের ওষুধ হাসপাতালে পড়ে নষ্ট হচ্ছে।’ 

শুধু ওষুধ নয়, এর মধ্যে রয়েছে ইনজেকশেনর অ্যাম্পুল, শিশি, ট্যাবলেট, টিউব, নানারকম ড্রপ ও লোশন। হার্ট অ্যাটাক, ম্যালেরিয়া প্রসব যন্ত্রণা ও আলসারের ওষুধেরও কাটতি নেই। রয়েছে দামি অ্যান্টিবায়োটিক,  অ্যানেস্থেশিয়া ও চোখের ওষুধ। এর মধ্যে কিছু ওষুধের আগামী মাসেই মেয়াদ শেষ হতে চলেছে। 

অন্য একটি চিঠিতে দক্ষিণ দিনাজপুরের গঙ্গারামপুর মহকুমা হাসপাতালের সুপার স্বাস্থ্য দফতরকে সতর্ক করে লিখেছেন, প্রচুর ওষুধ নষ্ট হতে চলেছে। যার জেরে ব্যাপক লোকসান হতে পারে সরকারের। 

গত ২৭ এপ্রিল লেখা সেই চিঠির বয়ান অনুসারে, ‘সরকারি সম্পত্তির ক্ষতি এড়াতে ওষুধগুলিকে ব্যবহারের ব্যবস্থা করতে কৃতজ্ঞ থাকব।’ আরেকটি চিঠি থেকে জানা গিয়েছে, উত্তর ২৪ পরগনার হাবরা স্টেট জেনারেল হাসপাতালেও পরিস্থিতি একই রকম।

এব্যাপারে রাজ্যের স্বাস্থ্যমন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য বলেন, ‘আমি কিছু জানি না। স্বাস্থ্য দফতরে যোগাযোগ করুন।’ স্বাস্থ্য দফতরের এক পদস্থ কর্তার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি এব্যাপারে মুখে কুলুপ আঁটেন। বলেন, শুধু মন্ত্রীরই এব্যাপারে বলার অধিকার রয়েছে।

 

বন্ধ করুন