বাড়ি > কর্মখালি > ত্রিপুরার NEET ও JEE পরীক্ষার্থীদের জন্য চালু হচ্ছে ‘সুপার ৩০’ প্রকল্প
যে সব শিক্ষার্থী চিকিৎসা বা ইঞ্জিনিয়ারিং কোর্সে ভর্তি হওয়ার জন্য NEET বা JEE ক্র্যাক করতে চান, তাঁদের প্রশিক্ষণ দেওয়ার জন্য চালু হতে চলেছে এই প্রকল্প।
যে সব শিক্ষার্থী চিকিৎসা বা ইঞ্জিনিয়ারিং কোর্সে ভর্তি হওয়ার জন্য NEET বা JEE ক্র্যাক করতে চান, তাঁদের প্রশিক্ষণ দেওয়ার জন্য চালু হতে চলেছে এই প্রকল্প।

ত্রিপুরার NEET ও JEE পরীক্ষার্থীদের জন্য চালু হচ্ছে ‘সুপার ৩০’ প্রকল্প

  • মাধ্যমিক (ম্যাট্রিক) পরীক্ষায় বিজ্ঞানে পাওয়া নম্বরের ভিত্তিতে প্রথম ৩০ জন শিক্ষার্থীকে এই বিষয়ে সাহায্য করা হবে।

‘সুপার ৩০’ নামে একটি নতুন উচ্চাকাঙ্ক্ষী শিক্ষামূলক প্রকল্প চালু করার কথা ঘোষণা করল ত্রিপুরা মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড (TBSE)। যে সব শিক্ষার্থী চিকিৎসা বা ইঞ্জিনিয়ারিং কোর্সে ভর্তি হওয়ার জন্য NEET বা JEE ক্র্যাক করতে চান, তাঁদের প্রশিক্ষণ দেওয়ার জন্য চালু হতে চলেছে এই প্রকল্প। 

ত্রিপুরা মধ্যশিক্ষা পর্ষদ (TBSE) পরিচালিত মাধ্যমিক (ম্যাট্রিক) পরীক্ষায় বিজ্ঞানে পাওয়া নম্বরের ভিত্তিতে প্রথম ৩০ জন শিক্ষার্থীকে এই বিষয়ে সাহায্য করা হবে বলে জানা গিয়ে।

ত্রিপুরা আজ শিক্ষাবর্ষ বা NEET বা JEE ক্র্যাক করার জন্য চিকিত্সা বা ইঞ্জিনিয়ারিং কোর্সে আগ্রহী শিক্ষার্থীদের সহায়তা করার জন্য একটি নতুন উচ্চাকাঙ্ক্ষী শিক্ষামূলক প্রকল্প ‘সুপার ৩০’ চালু করার ঘোষণা দিয়েছে। এই প্রকল্পটি ত্রিপুরা মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড (টিবিএসই) দ্বারা পরিচালিত মধ্যমিক (ম্যাট্রিক) পরীক্ষায় বিজ্ঞান গ্রেডের ভিত্তিতে সেরা তিরিশ জন শিক্ষার্থীদের জন্য নিখরচায় এই প্রশিক্ষণ দেবে।

শিক্ষা মন্ত্রী রতন লাল নাথ সাংবাদিকদের বলেন, এসসি এসটি সংরক্ষণের নিয়ম মেনেই এই প্রকল্পের জন্য তালিকা তৈরি করা হবে।

টিবিএসই তাদের বোর্ড পরীক্ষার ফলাফলের ভিত্তিতে শিক্ষার্থীদের একটি তালিকা প্রস্তুত করতে বলেছে। এই তালিকাটি ২০ জন এসসি প্রার্থী, ৩০ জন এসটি প্রার্থী এবং বোর্ড কর্তৃক প্রস্তুত ৫০ জন সাধারণ প্রার্থীর পৃথক খসড়া তালিকা থেকে প্রস্তুত করা হবে। তবে, সুবিধা পেতে হলে প্রার্থীর বার্ষিক পারিবারিক আয় আট লাখ টাকার কম হতে হবে।

নির্বাচিত প্রতিটি শিক্ষার্থী ভারতের যে কোনও জায়গার প্রথম সারির কোচিং ইনস্টিটিউটগুলিতে পড়তে পারবে এবং এর খরচ দেবে রাজ্য সরকার। অনুমান করা হচ্ছে এই প্রকল্পে বছরে ৭২ লক্ষ টাকার খারহ হবে। প্রতিটি প্রার্থীর জন্য ২ লাখ ৪০ হাজার টাকা ব্যয় করা হবে। পরের বছরে এই প্রকল্পটির জন্য ১.৪৪ কোটি টাকা ব্যয় হবে।

শিক্ষা বিভাগের আধিকারিকরা পড়াশুনোর দিকটি পর্যবেক্ষণ করবেন। বছরে দু'বার তাঁরা শিক্ষার্থীদের কোচিং সেন্টার পরিদর্শন করবেন এবং তিন মাস অন্তর তাদের পারফরম্যান্স পর্যালোচনা কর দেখবেন।

ভারতে ৭২০৯৮ আসন সংখ্যার ৫৪৬ টি MBBS কলেজ, ২৬৩৭৩ আসনের ৩১৩ BDS কলেজ এবং বেশ কয়েকটি IIT, NIIT এবং IIIT আছে। শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ত্রিপুরার শিক্ষার্থীরা ভাল প্রশিক্ষণ পেলে দেশের যে কোনও প্রান্তের প্রতিষ্ঠানে প্রবেশের ক্ষেত্রে ভাল ফল করতে পারবে।

পাটনার রামানুজন স্কুল অফ ম্যাথমেটিক্স-এর প্রতিষ্ঠাতা আনন্দ কুমারের বায়োপিক সুপার ৩০-র সঙ্গে এই প্রকল্পের নামের মিল থাকলেও সেখান থেকে অনুপ্রাণিত হয়ে ত্রিপুরার এই প্রকল্পটি শুরু করা হচ্ছে না বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী।

 

বন্ধ করুন