বাংলা নিউজ > টুকিটাকি > অল্প বয়সে হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি বাড়ছে, বিপদ থেকে বাঁচতে মেনে চলুন এই ১০ নিয়ম
নিয়মিত এক্সারসাইজ করলে হৃদরোগের আশঙ্কা কমে।
নিয়মিত এক্সারসাইজ করলে হৃদরোগের আশঙ্কা কমে।

অল্প বয়সে হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি বাড়ছে, বিপদ থেকে বাঁচতে মেনে চলুন এই ১০ নিয়ম

এখন সময় পাল্টেছে। সঙ্গে পাল্টেছে খাদ্যাভ্যাস, জীবনযাপন প্রণালী, পাল্লা দিয়ে কাজের চাপ এবং ইঁদুর দৌড়ে প্রথম হওয়ার প্রবণতা। এর ফলে অল্প বয়স থেকেই প্রভাবিত হচ্ছে হৃদযন্ত্র।

কম বয়সেই দুর্বল হচ্ছে হৃদযন্ত্র। হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকির মুখে পড়ছেন অনেকেই। ২ সেপ্টেম্বর মাত্র ৪০ বছর বয়সে অভিনেতা এবং বিগ বস জয়ী সিদ্ধার্থ শুক্লার হার্ট অ্যাটাকে মৃত্যু এখন সকলের সামনে প্রশ্ন তুলে ধরছে, অল্প বয়সে এ ভাবে হার্ট অ্যাটাকের জন্য কোন কারণ দায়ী। 

অতীতে বয়স্ক ব্যক্তিরাই ছিলেন হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকির মুখে। কিন্তু এখন সময় পাল্টেছে। সঙ্গে পাল্টেছে খাদ্যাভ্যাস, জীবনযাপন প্রণালী, পাল্লা দিয়ে কাজের চাপ এবং ইঁদুর দৌড়ে প্রথম হওয়ার প্রবণতা। এর ফলে অল্প বয়স থেকেই প্রভাবিত হচ্ছে হৃদযন্ত্র। হার্ট আ্যাটাকের ঝুঁকি কম করতে কিছু স্বাস্থ্যকর জীবনযাপন প্রণালী মেনে চলার পরামর্শ দিচ্ছেন চিকিৎসকরা।

ব্যায়াম- নিয়মিত এক্সারসাইজ করলে হৃদরোগের আশঙ্কা কমে। তাই নিয়মিত ১৫ মিনিট ব্যায়ম করুন। মর্নিং ওয়াকও করতে পারেন। হাঁটাচলা করলে হৃদযন্ত্র সুস্থ থাকে।

তৈলাক্ত খাবার থেকে দূরে থাকুন- জাঙ্ক ফুডে প্রচুর পরিমাণে তেল থাকে, যা হৃদযন্ত্রের জন্য ক্ষতিকর। তাই হৃদরোগের ঝুঁকি কম করতে চাইলে তেলে ভাজা জিনিস খাবেন না।

ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখুন- মোটা ব্যক্তিদের মধ্যে হৃদরোগের সম্ভাবনা বেশি থাকে। তাই ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখার চেষ্টা করুন।

সুষম আহার- খাওয়া-দাওয়াও আমাদের স্বাস্থ্যকে প্রভাবিত করে। তাই স্বাস্থ্যকর ও সুষম আহার গ্রহণ করা উচিত। হৃদযন্ত্র সুস্থ থাকলে হার্ট অ্যাটাকের আশঙ্কা কম হয়।

অবসাদ- অবসাদ হার্ট অ্যাটাকের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ কারণ। অবসাদ মুক্ত থাকার জন্য ধ্যান করুন। এর ফলে মস্তিষ্ক শান্ত হয় এবং হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি কমে।

রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখুন- হৃদরোগ থেকে নিরাপদে থাকতে চাইলে নিজের রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখুন। উচ্চরক্তচাপের রোগীদের হৃদরোগের সম্ভাবনা থাকে।

মাছ খান- মাছে ওমেগা ৩ ফ্যাটি অ্যাসিড থাকে। এর ফলে চোখই নয়, বরং হৃদয়েরও লাভ হয়। সপ্তাহে একবার মাছ খেলে হার্ট অ্যাটাকের আশঙ্কা অনেকাংশে কমে যায়। তাই নিজের খাদ্য তালিকায় মাছ অন্তর্ভূক্ত করুন।

নুন কম খান- অধিক পরিমাণে রক্ত খেলে স্বাস্থ্যের ক্ষতি হতে পারে। এর ফলে রক্তচাপ বেড়ে যেতে পারে, যা আবার হৃদযন্ত্রের সুস্থতার জন্য ক্ষতি কর। তাই নুনের পরিমাণ কমিয়ে দিন।

পর্যাপ্ত ঘুম- প্রতিদিন ৮ ঘণ্টার ঘুম অত্যন্ত জরুরি। পর্যাপ্ত ঘুমের ফলে স্বাস্থ্য ভালো থাকে।

তামাক সেবন করবেন না- ফুসফুসের পাশাপাশি হৃদযন্ত্রের জন্য তামাক ক্ষতিকর। তামাকের কারণে হৃদযন্ত্র ও রক্তবাহিকা ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। তাই তামাক সেবন, ধূমপান বন্ধ করুন।

বন্ধ করুন