বাংলা নিউজ > ঘরে বাইরে > দাপট দেখাচ্ছে করোনাভাইরাস, বাধ্য হয়ে ১৬ জুন পর্যন্ত লকডাউন পদ্মাপারে
দাপট দেখাচ্ছে করোনাভাইরাস, বাধ্য হয়ে ১৬ জুন পর্যন্ত লকডাউন পদ্মাপারে। (ছবিটি প্রতীকী, সৌজন্য পিটিআই)
দাপট দেখাচ্ছে করোনাভাইরাস, বাধ্য হয়ে ১৬ জুন পর্যন্ত লকডাউন পদ্মাপারে। (ছবিটি প্রতীকী, সৌজন্য পিটিআই)

দাপট দেখাচ্ছে করোনাভাইরাস, বাধ্য হয়ে ১৬ জুন পর্যন্ত লকডাউন পদ্মাপারে

  • করোনা সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে না আসায় আরও ১০ দিন বাড়ানো হল বিধিনিষেধ।

করোনাভাইরাসের দাপট অব্যাহত রয়েছে ওপারে। আর তা নিয়ন্ত্রণে আনার জন্য বাংলাদেশে বিধিনিষেধের সময়সীমা আরও বাড়িয়ে দিল শেখ হাসিনা সরকার। গতকাল রবিবারই শেষ হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু করোনা সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে না আসায় আরও ১০ দিন বাড়ানো হল বিধিনিষেধ। এমনকী বিজ্ঞপ্তি জারি করে তা জানিয়ে দিল বাংলাদেশ সরকার। বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, যেসব বিধিনিষেধ আছে তা ১৬ জুন মধ্যরাত পর্যন্ত কার্যকর করা হয়েছে।

বাংলাদেশের স্বাস্থ্য দফতর সূত্রে খবর, গত ২৪ ঘণ্টায় বাংলাদেশে নতুন করে আরও ৩৮ জনের মৃত্যু হয়েছে করোনা সংক্রমণে। এই সংখ্যা নিয়ে বাংলাদেশে মোট মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ১২ হাজার ৮৩৯ জনে। আর নতুন করে করোনা আক্রান্ত হয়েছেন ১ হাজার ৬৭৬ জন। এই সংখ্যা নিয়ে বাংলাদেশে ৮ লাখ ১০ হাজার ৯৯০ জন করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। যা রীতিমতো উদ্বেগের কারণ বলে মনে করছেন সেদেশের চিকিৎসকরা।

জানা গিয়েছে, মার্চ মাসের শেষের দিকে বাংলাদেশে করোনাভাইরাসের দ্বিতীয় ঢেউ শুরু হয়। নানা সতর্কতা মেনে চলার কথা বলা হলেও অনেকেই তা মানেননি বলে অভিযোগ। দেশের করোনা সংক্রমণ বেড়ে যাওয়ার জন্য মানুষের অসতর্কতাও দায়ী বলেও মনে করছে স্বাস্থ্য বিভাগ। দেশের মন্ত্রী জাহিদ মালেক বলেন, ‘স্বাস্থ্য সচেতনতা না এলে করোনা নিয়ন্ত্রণ অসম্ভব।’

উল্লেখ্য, করোনা ঠেকাতে গত ১৪ এপ্রিল থেকে একসপ্তাহের কঠোর লকডাউন শুরু হয়। পরে ৬ দফা লকডাউন বা বিধিনিষেধের মেয়াদ বাড়ানো হয়। স্বাস্থ্যবিধি মেনে আন্তঃজেলা বাস, ফেরি আর ট্রেন–সহ গণপরিবহন চলার অনুমতি দেওয়া হয়। হোটেল–রেস্তোরাঁয় আসন সংখ্যার অর্ধেক মানুষকে বসার ছাড়পত্র দেওয়া হয়। এখন যা পরিস্থিতি তাতে সরকারি–বেসরকারি স্বায়ত্বশাসিত অফিস, আদালত এবং শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ রয়েছে। তবে অত্যাবশকীয় পণ্যের দোকান খোলা থাকবে বলেও জানানো হয়েছে।

বন্ধ করুন