বাংলা নিউজ > ঘরে বাইরে > কোথায় লাগে নীরব! ৭,৯২৬ কোটি টাকা ব্যাঙ্ক প্রতারণায় অভিযুক্ত হায়দরাবাদের সংস্থা
হায়দরাবাদের সংস্থা ট্র্যান্সস্ট্রয় (ইন্ডিয়া) লিমিটেড সংস্থার বিরুদ্ধে মোট ৭,৯২৬ কোটি টাকা ব্যাঙ্ক ঋণ প্রতারণার অভিযোগ আনল সিবিআই।
হায়দরাবাদের সংস্থা ট্র্যান্সস্ট্রয় (ইন্ডিয়া) লিমিটেড সংস্থার বিরুদ্ধে মোট ৭,৯২৬ কোটি টাকা ব্যাঙ্ক ঋণ প্রতারণার অভিযোগ আনল সিবিআই।

কোথায় লাগে নীরব! ৭,৯২৬ কোটি টাকা ব্যাঙ্ক প্রতারণায় অভিযুক্ত হায়দরাবাদের সংস্থা

  • ট্র্যান্সস্ট্রয় (ইন্ডিয়া) লিমিটেড সংস্থার বিরুদ্ধে মোট ৭,৯২৬ কোটি টাকা ব্যাঙ্ক প্রতারণার অভিযোগ আনল সিবিআই।

নীরব মোদীর চেয়েও বড় প্রতারকের সন্ধান মিলল হায়দরাবাদে। ট্র্যান্সস্ট্রয় (ইন্ডিয়া) লিমিটেড সংস্থার বিরুদ্ধে মোট ৭,৯২৬ কোটি টাকা ব্যাঙ্ক প্রতারণার অভিযোগ আনল সিবিআই।

শুক্রবার বিশ্বস্ত সূত্রে জানা গিয়েছে, ব্যাঙ্ক প্রতারণা মামলায় অভিযুক্ত হিরে ব্যবসায়ী নীরব মোদীর চেয়েও বড় অঙ্কের অনাদায়ী ঋণ রয়েছে এই সংস্থার নামে। ঋণ নেওয়া হয়েছে একাধিক ব্যাঙ্ক থেকে।

সড়ক, সেতু, সেচ প্রকল্প, মেট্রো রেল সংক্রান্ত নির্মাণের ব্যবসা ছাড়াও জ্বালানি তেল ও গ্যাস সংক্রান্ত বাণিজ্যেও যুক্ত ট্র্যান্সস্ট্রয়। ২০১৯ সালের সেপ্টেম্বর মাসে জারি করা জাতীয় কোম্পানি আইন ট্রাইব্যুনালের নির্দেশ অনুযায়ী বর্তমানে এই সংস্থা বন্ধ করার প্রক্রিয়া চলেছে বলেও জানা গিয়েছে। 

ট্র্যান্সস্ট্রয় এবং তার সিএমডি চেরুকুরি শ্রীধর শ্রীধর ছাড়াও সিবিআই-এর এফআইআরে রয়েছে সংস্থার দুই অতিরিক্ত ডিরেক্টর রায়াপতি সম্বাশিব রাও এবং আক্কিনেনি সতীশের নাম।

শুক্রবার হায়দরাবাদ ও গুন্টুরে সংস্থার বিভিন্ন কর্তার বাড়িতে হানা দেয় সিবিআই-এর তল্লাশকারী দল। অভিযানে উদ্ধার হয়েছে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ নথি, যার সঙ্গে যোগ রয়েছে ব্যাঙ্ক প্রতারণার।

সিবিআই মুখপাত্র আর কে গৌড় জানিয়েছেন, কানাড়া ব্যাঙ্কের নেতৃত্বে বিভিন্ন ব্যাঙ্কের থেকে মোটা অঙ্কের ঋণ নিয়েছে ট্র্যান্সস্ট্রয়। তিনি বলেন, ‘অভিযুক্তরা হিসাবে গরমিল ও কারচুপি, শেয়ার সংক্রান্ত নথিতে প্রতারণা, ব্যালান্স শিট বিকৃতি, তহবিলের অর্থ তছরূপ ইত্যাদি বিবিধ অপরাধমূলক কাজে জড়িত রয়েছেন বলে প্রমাণ পাওয়া গিয়েছে। 

শুধু তাই নয়, ট্র্যান্সট্রয় কর্তাদের বিরুদ্ধে ব্যাঙ্ক ঋণ বাবদ প্রাপ্ত অর্থ অন্য খাতে খরচ করার অভিযোগও উঠেছে। এর জেরে কানাড়া ব্যাঙ্ক-সহ একাধিক ঋণদায়ী সংস্থা মোট ৭,৯২.০১ কোটি টাকা লোকসানের সম্মুখীন হয়েছে।

গৌড় জানিয়েছেন, ‘ওই সংস্থার ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টগুলি অচল সম্পদ (Non Performing Asset) ঘোষিত হওয়ার পরে প্রতারণা ধরা পড়ে।’

 

বন্ধ করুন