বাড়ি > ঘরে বাইরে > একলাফে ৫ গুণ দৈনিক করোনা মৃত্যু, একদিনে মৃত ২,০০৩ জন
ভারতে একদিনে করোনায় মৃত্যু ২,০০৩ জনের (ছবিটি প্রতীকী, সৌজন্য পিটিআই)
ভারতে একদিনে করোনায় মৃত্যু ২,০০৩ জনের (ছবিটি প্রতীকী, সৌজন্য পিটিআই)

একলাফে ৫ গুণ দৈনিক করোনা মৃত্যু, একদিনে মৃত ২,০০৩ জন

  • এতদিন ভারতে মোটামুটি দৈনিক সর্বোচ্চ মৃতের সংখ্যা ৪০০-র কাছাকাছি থাকছিল।

এতদিন ভারতে মোটামুটি দৈনিক সর্বোচ্চ মৃতের সংখ্যা ৪০০-র কাছাকাছি থাকছিল। বুধবার তা একলাফে পাঁচগুণ বেড়ে ২,০০০ ছাড়িয়ে গেল।

কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য় মন্ত্রকের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, বুধবার সকাল আটটা পর্যন্ত দেশে করোনায় মৃত্যু হয়েছে ১১,৯০৩ জনের। তাঁদের মধ্যে গত ২৪ ঘণ্টায় ২,০০৩ জনের মৃত্যু হয়েছে। যদিও আধিকারিকদের বক্তব্য, মুম্বই ও দিল্লিতে অনেক মৃত্যু পর্যালোচনা করা হয়নি। সেই প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ হওয়ায় একলাফে করোনায় মৃত্যুর সংখ্যা বেড়েছে। বুধবার সকাল পর্যন্ত মহারাষ্ট্রে মৃত্যু হয়েছে ৫,৫৩৭ জনের। তার মধ্যে সাম্প্রতিক আপডেটে মৃতের সংখ্যা আরও ১,৪০৯ জন বেড়েছে। তার মধ্যে গত ২৪ ঘণ্টায় ৮১ জন মারা গিয়েছেন। বাকি মৃত্যুগুলি পর্যালোচনার পর যোগ করা হয়েছে। একইভাবে ভ্রান্তি দূর করে দিল্লির মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১,৮৩৭। 

পরিসংখ্যান অনুযায়ী, মঙ্গলবার পর্যন্ত পাঁচ রাজ্যে থেকে ৮৬ শতাংশ মৃত্যুর খবর মিলেছে। আর দেশের সবথেকে প্রভাবিত ১০ রাজ্যে ৯৬ শতাংশ মৃত্যুুর খবর পাওয়া গিয়েছে। গত মার্চে ভারতে প্রথম করোনায় মৃত্যু হয়েছিল। তারপর মৃতের সংখ্যা ৫,০০০-র গণ্ডি পেরিয়েছিল ৮০ দিনে। পরের ৫,০০০ মৃত্যুর খবর মিলেছে মাত্র ১৭ দিনে। তার মধ্যে গত সপ্তাহেই ২,৫০০ জনের বেশি মারা গিয়েছেন। তার জেরে ভারতের করোনায় মৃত্যুর হার ২.৯ শতাংশ থেকে বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩.৪ শতাংশ। তা সত্ত্বেও অবশ্য বিশ্বের অন্যান্য করোনা কবলিত দেশের তুলনায় ভারতে মৃতের সংখ্যা অনেকটাই কম। মোট করোনা আক্রান্ত দেশের তালিকা ভারত যেখানে চার নম্বরে রয়েছে, সেখানে মত্যুর নিরিখে স্থান অষ্টম। মঙ্গলবারই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী দাবি করেছিলেন, বিশ্বের অন্যান্য দেশের তুলনায় ভারতে করোনায় মৃত্যু তুলনামূলক অনেক কম। 

মৃতের সংখ্যা একলাফে অনেকটা বাড়লেও দৈনিক আক্রান্তের সংখ্যা ১১,০০০-এর আশেপাশেই রয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় ১০,৯৭৪ জন সংক্রমিত হয়েছেন। তার আগের ২৪ ঘণ্টায় সেই সংখ্যাটা ছিল ১০,৬৬৭। সবমিলিয়ে এখনও পর্যন্ত ভারতে করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা ৩৫৪,০৬৫। অন্যদিকে, সক্রিয় রোগীর সংখ্যা ১৫৫,২২৭। সুস্থ হয়ে হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়েছেন ১৮৬,৯৩৪ জন।

বন্ধ করুন