স্বামী কৃষ্ণস্বরূপ দাসজি
স্বামী কৃষ্ণস্বরূপ দাসজি

পিরিয়ড চলাকালীন রান্না করলে মেয়েরা পরজন্মে কুকুরী হয়, দাবি ধর্মগুরুর

  • শিষ্যদের খাবার রান্না অভ্যাস করার পরামর্শ দিয়েছেন ধর্মগুরু। তাঁর মতে, স্ত্রীর পিরিয়ড চলাকালীন স্বপাক খাদ্যগ্রহণ করলে বলদজন্ম থেকে রেহাই পাওয়া যায়।

স্ত্রীর পিরিয়ড চলাকালীন তাঁর রান্না করা খাবার খেলে পরের জন্মে ষাঁড় হয়ে জন্মাবেন স্বামী। আর সেই নারী পরজন্মে কুকুর হয়ে জন্ম নেবেন। এমনই ভবিষ্যদ্বাণী করলেন গুজরাতের ভূজ শহরের স্বামীনারায়ণ মন্দিরের ধর্মগুরু স্বামী কৃষ্ণস্বরূপ দাসজি।

এই ভূজের স্বামীনারায়ণ মন্দিরের ভক্তদের দ্বারা পরিচালিত কলেজেই কিছু দিন আগে ৬৮ ছাত্রীর ঋতুস্রাব পরীক্ষা করতে অন্তর্বাস খুলতে বাধ্য করার অভিযোগ উঠেছিল। ঘটনার জেরে এফআইআর দায়ের করা হয়েছিল এবং কলেজের অধ্যক্ষ রিতা রানিঙ্গা, হস্টেলের রেক্টর রমিলাবেন এবং পিয়ন নয়নাকে সাময়িক সাসপেন্ড করা হয়েছে।

ভক্তসমাবেশে স্বামী কৃষ্ণস্বরূপ তাঁর পূর্বাভাসের ব্যাখ্যা করে বলেন, ‘এমন কথা শুনে অনেকের মনে হতে পারে আমি বড় বেশি কঠোর। মহিলারা কাঁদতে থাকবে, কারণ তারা ভাববে যে আমরা কুকুরে পরিণত হব। তবে শাস্ত্রের বিধান অনুযায়ী, ওদের এই কাজের জন্য কুকুর হয়ে জন্মানো ছাড়া গতি নেই।’

রজঃশীলা নারীর তৈরি খাবারের থেকে বাঁচতে শিষ্যদের খাবার রান্না অভ্যাস করার পরামর্শও দিয়েছেন ধর্মগুরু। তাঁর মতে, স্ত্রীর পিরিয়ড চলাকালীন স্বপাক খাদ্যগ্রহণ করলে বলদজন্ম থেকে সহজেই রেহাই পাওয়া সম্ভব।

এর পরেই অবশ্য তিনি বলেছেন, ‘জানি না তোমাদের এই শিক্ষা দেওয়া উচিত হচ্ছে কি না। গত ১০ বছরে এমন শিক্ষা আমি দিইনি। সন্তেরা আমাকে বলেছেন, আমাদের ধর্মের গূঢ় তত্ত্ব সম্পর্কে কথা না বলতে। কিন্তু আমি না বললে তোমরা তো বুঝবে না।’

স্বামী জানিয়েছেন, ‘রজঃশীলা নারীর তৈরি রুটি খেতে তোমাদের আপত্তি থাকে না। তারও জানা নেই যে, এই তিন দিন শুদ্ধ ভাবে থাকতে হয়। এ সমস্তই শাস্ত্রে লেখা রয়েছে। সাবধান হও। বিয়ে করার আগে রান্না করা শেখো।’

বন্ধ করুন