পরিবহণ মন্ত্রী জানান, গণপরিবহণ ব্যবস্থা চালু হলে করোনা সংকটে দেশবাসীর মনোবল অনেকটা বাড়বে।
পরিবহণ মন্ত্রী জানান, গণপরিবহণ ব্যবস্থা চালু হলে করোনা সংকটে দেশবাসীর মনোবল অনেকটা বাড়বে।

শর্ত মেনে দ্রুত চালু হবে গণপরিবহণ পরিষেবা, জানালেন গডকড়ি

  • পরিষেবা চালু করার সময় হাত ধোওয়া, স্যানিটাইজিং, মাস্ক ব্যবহারের মতো নির্দেশ মেনে চলতে হবে।

খুবই তাড়াতাড়ি চালু হতে চলেছে শর্তসাপেক্ষ গণপরিবহণ পরিষেবা। বুধবার এমনই ইঙ্গিত দিয়েছেন কেন্দ্রীয় পরিবহণ মন্ত্রী নীতিন গডকড়ি। তবে ঘরোয়া বিমান চলাচল এখনই চালু করা সম্ভব নয় বলে জানিয়েছেন কেন্দ্রীয় অসামরিক উড়ান পরিষেবা মন্ত্রী হরদীপ পুরী।

এ দিন দেশের বাস ও ভাড়াগাড়ি সংগঠনের সদস্যদের সঙ্গে ভিডিয়ো কনফারেন্সের মাধ্যমে এক বৈঠকে কেন্দ্রীয় পরিবহণ মন্ত্রী জানান, গণপরিবহণ ব্যবস্থা চালু হলে করোনাভাইরাস সংক্রমণ সংকটে দেশবাসীর মনোবল অনেকটা বাড়বে। তবে পরিষেবা চালু করার সময় হাত ধোওয়া, স্যানিটাইজিং, মাস্ক ব্যবহারের মতো নির্দেশ মেনে চলতে হবে বলে তিনি জানিয়েছেন।

করোনা সংক্রমণ রোধের উদ্দেশে গত ২৫ মার্চ থেকে গণপরিবহণ পরিষেবা সম্পূর্ণ বন্ধ ঘোষণা করেছে কেন্দ্রীয় সরকার। গত ১ মে তৃতীয় দফায় ১৭ মে পর্যন্ত লকডাউনের মেয়াদ বৃদ্ধি করা হলে গণপরিবহণ সংক্রান্ত নতুন নির্দেশিকা প্রকাশ করে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক। সেই নির্দেশিকা অনুসারে এক চালক ও দুই জন যাত্রী-সহ ট্যাক্সি ও ক্যাব পরিষেবায় ছাড় দেওয়া হয়। নির্দিষ্ট কাজে জেলার অভ্যন্তরে ব্যক্তি ও যান চলাচলের অনুমতি দেওয়া হয়েছে। চার চাকার যানে চালকের সঙ্গে দুই যাত্রীর সফর করার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।

পাশাপাশি, আন্তঃজেলা এবং জেলা থেকে জেলায় বাস চলাচলে এখনও পর্যন্ত অরেঞ্জ জোনে কোনও ছাড় ঘোষণা করেনি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক। তবে নির্দিষ্ট কাজে ক্যাব ও ব্যক্তিগত চার চাকার যানে শর্তসাপেক্ষ অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।

এ দিনের বৈঠকে বাস ও ক্যাব নিয়ন্ত্রক সংগঠনের তরফে গণপরিবহণ পরিষেবার উন্নয়নে কিছু প্রস্তাব দেওয়া হয়। এর মধ্যে রয়েছে পরিবহণ ব্যবস্থার উন্নয়ন, গণরিবহণ ব্যবস্থা চালু, বয়সসীমা বৃদ্ধি, রাজ্যস্তরে কর ছাড়, এমএমই সুবিধা দান, বিমাননীতির মেয়াদ সম্প্রসারণ ইত্যাদি। বেশ কিছু সংস্থা এর সঙ্গে পরিবহণ মন্ত্রকের কাছে বিশেষ আর্থিক প্যাকেজ ঘোষণারও আবেদন জানায়। 

করোনা লকডাউনের জেরে আর্থিক শ্লথগতি থেকে মুক্তি পেতে বাস ও ক্যাব নিয়ন্ত্রক সংগঠনের প্রতি সম্পূর্ণ সমর্থন জানিয়েছেন গডকড়ি। এই প্রসঙ্গে তিনি জানান, গণপরিবহণ ব্যবস্থায় লন্ডন মডেল অনুসরণ করার লক্ষ্যে এগোচ্ছে মন্ত্রক। এই ব্যবস্থায় সরকারি বিনিয়োগ কম এবং বেসরকারি লগ্নি বেশি রাখার নীতি বজায় থাকে। 

অন্য দিকে, এ দিন হিন্দুস্তান টাইমস-কে দেওয়া এক্সক্লুসিভ সাক্ষাৎকারে অসামরিক উড়ান পরিষেবা মন্ত্রী হরদীপ পুরী জানিয়েছেন, লকডাউনে ঘরোয়া উড়ান চালু করা সম্ভব নয়। তাঁর মতে, একবার এই পরিষেবা চালু করে দিলে রেলওয়ে এবং স্থল পরিবহণের অন্যান্য পরিষেবাও চালু করা জরুরি হয়ে পড়বে। সেই প্রসঙ্গেই চালু করতে হবে একাধিক শহরের মেট্রোরেল পরিষেবা। অর্থাৎ এই নিয়ে পৃথক প্যাকেজ ঘোষণা করতে হবে, যা বর্তমান পরিস্থিতিতে সম্ভব নয়। 

মন্ত্রীর মতে, ঘরোয়া উড়ান পরিষেবা দফায় দফায় চালু করতে হবে। তবে সবটাই নির্ভর করবে দেশের বাণিজ্য পরিস্থিতি স্বাভাবিক ছন্দে ফেরার উপরে।

খুবই তাড়াতাড়ি চালু হতে চলেছে শর্তসাপেক্ষ গণপরিবহণ পরিষেবা। বুধবার এমনই ইঙ্গিত দিয়েছেন কেন্দ্রীয় পরিবহণ মন্ত্রী নীতিন গডকড়ি। তবে ঘরোয়া বিমান চলাচল এখনই চালু করা সম্ভব নয় বলে জানিয়েছেন কেন্দ্রীয় অসামরিক উড়ান পরিষেবা মন্ত্রী হরদীপ পুরী।

এ দিন দেশের বাস ও ভাড়াগাড়ি সংগঠনের সদস্যদের সঙ্গে ভিডিয়ো কনফারেন্সের মাধ্যমে এক বৈঠকে কেন্দ্রীয় পরিবহণ মন্ত্রী জানান, গণপরিবহণ ব্যবস্থা চালু হলে করোনাভাইরাস সংক্রমণ সংকটে দেশবাসীর মনোবল অনেকটা বাড়বে। তবে পরিষেবা চালু করার সময় হাত ধোওয়া, স্যানিটাইজিং, মাস্ক ব্যবহারের মতো নির্দেশ মেনে চলতে হবে বলে তিনি জানিয়েছেন।

করোনা সংক্রমণ রোধের উদ্দেশে গত ২৫ মার্চ থেকে গণপরিবহণ পরিষেবা সম্পূর্ণ বন্ধ ঘোষণা করেছে কেন্দ্রীয় সরকার। গত ১ মে তৃতীয় দফায় ১৭ মে পর্যন্ত লকডাউনের মেয়াদ বৃদ্ধি করা হলে গণপরিবহণ সংক্রান্ত নতুন নির্দেশিকা প্রকাশ করে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক। সেই নির্দেশিকা অনুসারে এক চালক ও দুই জন যাত্রী-সহ ট্যাক্সি ও ক্যাব পরিষেবায় ছাড় দেওয়া হয়। নির্দিষ্ট কাজে জেলার অভ্যন্তরে ব্যক্তি ও যান চলাচলের অনুমতি দেওয়া হয়েছে। চার চাকার যানে চালকের সঙ্গে দুই যাত্রীর সফর করার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।

পাশাপাশি, আন্তঃজেলা এবং জেলা থেকে জেলায় বাস চলাচলে এখনও পর্যন্ত অরেঞ্জ জোনে কোনও ছাড় ঘোষণা করেনি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক। তবে নির্দিষ্ট কাজে ক্যাব ও ব্যক্তিগত চার চাকার যানে শর্তসাপেক্ষ অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।

এ দিনের বৈঠকে বাস ও ক্যাব নিয়ন্ত্রক সংগঠনের তরফে গণপরিবহণ পরিষেবার উন্নয়নে কিছু প্রস্তাব দেওয়া হয়। এর মধ্যে রয়েছে পরিবহণ ব্যবস্থার উন্নয়ন, গণরিবহণ ব্যবস্থা চালু, বয়সসীমা বৃদ্ধি, রাজ্যস্তরে কর ছাড়, এমএমই সুবিধা দান, বিমাননীতির মেয়াদ সম্প্রসারণ ইত্যাদি। বেশ কিছু সংস্থা এর সঙ্গে পরিবহণ মন্ত্রকের কাছে বিশেষ আর্থিক প্যাকেজ ঘোষণারও আবেদন জানায়। 

করোনা লকডাউনের জেরে আর্থিক শ্লথগতি থেকে মুক্তি পেতে বাস ও ক্যাব নিয়ন্ত্রক সংগঠনের প্রতি সম্পূর্ণ সমর্থন জানিয়েছেন গডকড়ি। এই প্রসঙ্গে তিনি জানান, গণপরিবহণ ব্যবস্থায় লন্ডন মডেল অনুসরণ করার লক্ষ্যে এগোচ্ছে মন্ত্রক। এই ব্যবস্থায় সরকারি বিনিয়োগ কম এবং বেসরকারি লগ্নি বেশি রাখার নীতি বজায় থাকে। 

অন্য দিকে, এ দিন হিন্দুস্তান টাইমস-কে দেওয়া এক্সক্লুসিভ সাক্ষাৎকারে অসামরিক উড়ান পরিষেবা মন্ত্রী হরদীপ পুরী জানিয়েছেন, লকডাউনে ঘরোয়া উড়ান চালু করা সম্ভব নয়। তাঁর মতে, একবার এই পরিষেবা চালু করে দিলে রেলওয়ে এবং স্থল পরিবহণের অন্যান্য পরিষেবাও চালু করা জরুরি হয়ে পড়বে। সেই প্রসঙ্গেই চালু করতে হবে একাধিক শহরের মেট্রোরেল পরিষেবা। অর্থাৎ এই নিয়ে পৃথক প্যাকেজ ঘোষণা করতে হবে, যা বর্তমান পরিস্থিতিতে সম্ভব নয়। 

মন্ত্রীর মতে, ঘরোয়া উড়ান পরিষেবা দফায় দফায় চালু করতে হবে। তবে সবটাই নির্ভর করবে দেশের বাণিজ্য পরিস্থিতি স্বাভাবিক ছন্দে ফেরার উপরে।

 

 

বন্ধ করুন