বাংলা নিউজ > ঘরে বাইরে > Sensex Crashed: ১,০০০ পয়েন্টেরও বেশি কমল সেনসেক্স, মন্দার ভয়ে কাঁটা বিনিয়োগকারীরা
ছবিটি প্রতীকী, সৌজন্যে রয়টার্স (Reuters)

Sensex Crashed: ১,০০০ পয়েন্টেরও বেশি কমল সেনসেক্স, মন্দার ভয়ে কাঁটা বিনিয়োগকারীরা

  • আগামিদিনে বিশ্বজুড়ে মন্দার আশঙ্কা করছেন বিশেষজ্ঞরা। আর সেই আবহেই এই নিয়ে টানা তৃতীয় দিন বিশ্বব্যাপী স্টক মার্কেটে ধস নেমেছে। কেন্দ্রীয় ব্যাঙ্কের মূল্য নিয়ন্ত্রণে প্রচেষ্টায় তুমুল অর্থনৈতিক মন্দা আসতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন বিনিয়োগকারীরা। শুক্রবার সেনসেক্স সর্বনিম্ন 57,981-এ নেমে আসে।

Sensex slump: ১,০০০ পয়েন্টেরও বেশি কমল সেনসেক্স। তার জেরে ভারতীয় শেয়ার বাজারে তীব্র পতন। চলতি বছরের জন্য নেগেটিভে সূচক। মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণের কারণে মার্কিন ফেডারেল রিজার্ভ এবং অন্যান্য কেন্দ্রীয় ব্যাঙ্ক সুদের হার বাড়িয়েছে। আগামিদিনে বিশ্বজুড়ে মন্দার আশঙ্কা করছেন বিশেষজ্ঞরা। আর সেই আবহেই এই নিয়ে টানা তৃতীয় দিন বিশ্বব্যাপী স্টক মার্কেটে ধস নেমেছে। কেন্দ্রীয় ব্যাঙ্কের মূল্য নিয়ন্ত্রণে প্রচেষ্টায় তুমুল অর্থনৈতিক মন্দা আসতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন বিনিয়োগকারীরা। শুক্রবার সেনসেক্স সর্বনিম্ন 57,981-এ নেমে আসে।

৩০ শেয়ারের সেনসেক্স সূচকের মধ্যে, পাওয়ার গ্রিডের ক্ষেত্রে ৭.৯৩% পতন হয়েছে। এছাড়াও মাহিন্দ্রা অ্যান্ড মাহিন্দ্রা, ভারতীয় স্টেট ব্যাঙ্ক, বাজাজ ফিনসার্ভ, বাজাজ ফিন্যান্স, NTPC, HDFC এবং IndusInd ব্যাঙ্কের শেয়ার দর হ্রাস পেয়েছে। অন্যদিকে সান ফার্মা, টাটা স্টিল এবং আইটিসির শেয়ার লাভের মুখ দেখেছে।

দিন শেষে সেনসেক্স মোট 1,020.80 পয়েন্ট কমে 58,098-এ ক্লোজ হয়েছে। অন্যদিকে NSE নিফটি ১.৭২% কমে 17,327-এ ক্লোজ হয়েছে।

বর্তমান অস্থিরতা বেশ কিছু সময়ের জন্য অব্যাহত থাকতে পারে, মত জিওজিট ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিসেসের গবেষণা প্রধান বিনোদ নায়ারের। তাঁর পরামর্শ, পরিস্থিতি স্থির না হওয়া পর্যন্ত বিনিয়োগকারীদের অপেক্ষা করতে ও বাজারে নজর রাখতে হবে।

বুধবার ইউএস ফেড(মার্কিন কেন্দ্রীয় ব্যাঙ্ক নিয়ন্ত্রক) তার বেঞ্চমার্ক রেট বৃদ্ধি করেছে। তাদের ইঙ্গিত, চলতি বছরের শেষ নাগাদ এই বেঞ্চমার্ক রেট ৪.৪% দাঁড়াবে। ব্রিটেন, সুইডেন, সুইজারল্যান্ড এবং নরওয়ের কেন্দ্রীয় ব্যাঙ্কগুলিও সুদের হার বাড়িয়েছে।

কোটাক সিকিউরিটিজের ইক্যুইটি রিসার্চের প্রধান (রিটেল) শ্রীকান্ত চৌহান জানালেন, 'চলতি সপ্তাহে দেশ তথা বিশ্বজুড়ে ইক্যুইটি বাজারগুলিতে মার্কিন ফেডারেল রিজার্ভের 75 bps সুদের হার বৃদ্ধির তীব্র প্রভাব পড়েছে। অপরিশোধিত তেলের দাম আপাতত স্থিতিশীল রয়েছে। তবে সাম্প্রতিক বেশ কয়েক দিনে ভারতীয় মুদ্রার অবমূল্যায়ন হয়েছে। খুব শীঘ্রই আরবিআই-এর নয়া আর্থিক নীতির ঘোষণা হবে। সেদিকেই এখন সবাইকে সজাগ নজর রাখতে হবে।'

ভারতীয় মুদ্রা, রুপি আজ মার্কিন ডলারের প্রেক্ষিতে ৮১ টাকার মাত্রাও পেরিয়ে গিয়েছে। এটি নতুন রেকর্ড। বিদেশি বিনিয়োগকারীরা ভারতীয় ইক্যুইটি বেচে চলতি সপ্তাহে প্রায় ১৫২ মিলিয়ন মার্কিন ডলার তুলে নিয়েছেন। আর তার প্রভাব পড়ছে টাকার দরে।

বন্ধ করুন