বাংলা নিউজ > ঘরে বাইরে > দোকানের প্রত্যেক কর্মচারীর জন্য চেয়ার রাখা আবশ্যক হল
ফাইল ছবি : পিটিআই (PTI)
ফাইল ছবি : পিটিআই (PTI)

দোকানের প্রত্যেক কর্মচারীর জন্য চেয়ার রাখা আবশ্যক হল

  • কর্মচারীরা ঘণ্টার পর ঘণ্টা কাউন্টারে দাঁড়িয়ে। বড় শপিং মলেও সেলস পার্সনদের আলাদা বসার জায়গা থাকে না। দাঁড়িয়ে বা হেঁটেই সারাটা দিন কাটে তাঁদের। ফলে দিনের শেষে পায়ে, কোমরের যন্ত্রণায় ভোগেন তাঁরা।

দোকানের প্রত্যেক কর্মচারীর জন্য বসার জায়গা রাখতে হবে। এই নিয়ম বাধ্যতামূলক করার লক্ষ্যে বিল পেশ করল তামিলনাড়ু সরকার।

দোকান মালিক বা ম্যানেজার চেয়ারে বসে আছেন। এদিকে কর্মচারীরা ঘণ্টার পর ঘণ্টা কাউন্টারে দাঁড়িয়ে। বড় শপিং মলেও সেলস পার্সনদের আলাদা বসার জায়গা থাকে না। দাঁড়িয়ে বা হেঁটেই সারাটা দিন কাটে তাঁদের। ফলে দিনের শেষে পায়ে, কোমরের যন্ত্রণায় ভোগেন তাঁরা।

সোমবার বিধানসভায় তামিলনাড়ুর শ্রমকল্যাণ মন্ত্রী সি ভি গণেশান বিলটি পেশ করেন। 'রাজ্যের দোকান ও প্রতিষ্ঠানে নিযুক্ত ব্যক্তিদের তাঁদের কাজের সময়ে সারাক্ষণ দাঁড়িয়ে থাকতে হয়। এর ফলে বিভিন্ন স্বাস্থ্য সমস্যা দেখা দেয়। তাঁদের কষ্টের কথা বিবেচনা করে, দোকান ও প্রতিষ্ঠানের সকল কর্মচারীদের বসার সুবিধা প্রদান করা প্রয়োজন,' বিলে বলা হয়েছে।

২০১৯ সালে সেপ্টেম্বরে রাজ্যের শ্রম উপদেষ্টা বোর্ডের বৈঠকে বিষয়টি প্রথম উত্থাপিত হয়। এ বিষয়ে আলোচনা করা হয় এবং বসার সুবিধার বিধান সকল সদস্যরা বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় অনুমোদন করেছিলেন। সেই ভিত্তিতেই তামিলনাড়ু সরকার দোকান ও প্রতিষ্ঠান আইন সংশোধন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

'আমরা রোজ কমপক্ষে ৭-৮ ঘণ্টা দাঁড়িয়ে থাকি,' জানালেন চেন্নাইয়ের এক নামী গহনা শোরুমের কর্মী সন্দীপ মেনন। 'দোকানে ক্রেতা না থাকলে আমাদের বসার জন্য কয়েকটি চেয়ার আছে। কিন্তু আমরা সাধারণত বসি না, কারণ তাতে আমাদের ফ্লোর ম্যানেজাররা ভাবতে পারেন যে আমরা ফাঁকি দিচ্ছি। কিন্তু সরকারি নিয়ম জারি হলে, এই মনোভাবের পরিবর্তন হতে পারে।'

তবে বসার জায়গা দেওয়া না হলে দোকান মালিককে জরিমানা করা হবে কিনা, সে বিষয়ে বিলে কোনও উল্লেখ করা হয়নি। এ বিষয়ে হিন্দুস্তান টাইমসের তরফে শ্রম কমিশনার অতুল আনন্দের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হয়, কিন্তু তিনি ফোন বা মেসেজের উত্তর দেননি।

বন্ধ করুন