COVID-19 Update: সামাজিক দূরত্বের তোয়াক্কা না করে বাসে ঠেসে-ঝুলে ভিটের পথে শ্রমিকরা

চার ঘণ্টার মধ্যে দেশে কার্যকর হয়েছে লকডাউন। তার জেরে চরম বিপাকে পড়েছেন ভিনরাজ্যে কর্মরত শ্রমিকরা। কাজ বন্ধ হওয়ার ফুরিয়েছে খাবার-পয়সা। এই অবস্থায় সরকারের আশ্বাস সত্ত্বেও নিজের ভিটেয় ফিরতে মরিয়া তাঁরা। দিল্লি থেকে অনেক শ্রমিক উত্তরপ্রদেশে নিজেদের বাড়ি ফেরার জন্য কিলোমিটারের পর কিলোমিটার পর রাস্তা হাঁটছিলেন হাজার হাজার শ্রমিক। তাঁদের নিয়ে যাওয়ার জন্য উত্তরপ্রদেশ সরকার বাসের বন্দোবস্ত করেছে। কিন্তু তাতে উপচে পড়া ভিড়। ফলে মানা হচ্ছে না সামাজিক দূরত্বের কোনও বিধি। দেখে নিন এই সংক্রান্ত তথ্য -

গাজিয়াবাদ ও গৌতম বুদ্ধ নগরের মতো সীমান্ত এলাকা দিয়ে শ্রমিকদের নিয়ে যাওয়ার জন্য বাস চালাচ্ছে উত্তরপ্রদেশ রাজ্য পরিবহন নিগম। (ছবি সৌজন্য সাকিব আলি)
1/10গাজিয়াবাদ ও গৌতম বুদ্ধ নগরের মতো সীমান্ত এলাকা দিয়ে শ্রমিকদের নিয়ে যাওয়ার জন্য বাস চালাচ্ছে উত্তরপ্রদেশ রাজ্য পরিবহন নিগম। (ছবি সৌজন্য সাকিব আলি)
পরিবহন নিগমের কর্তারা জানান, শুক্রবার মধ্যরাত পর্যন্ত ৯৬ টি বাস পাঠানো হয়েছে। শনিবার সকাল সাড়ে ১১টা পর্যন্ত ৭৯ টি বাস ছাড়া হয়েছে। লখনউ, এটাওয়া, এটা, আলিগড়, গোরক্ষপুরের মতো জায়গায় বাস যাচ্ছে। (ছবি সৌজন্য সাকিব আলি)
2/10পরিবহন নিগমের কর্তারা জানান, শুক্রবার মধ্যরাত পর্যন্ত ৯৬ টি বাস পাঠানো হয়েছে। শনিবার সকাল সাড়ে ১১টা পর্যন্ত ৭৯ টি বাস ছাড়া হয়েছে। লখনউ, এটাওয়া, এটা, আলিগড়, গোরক্ষপুরের মতো জায়গায় বাস যাচ্ছে। (ছবি সৌজন্য সাকিব আলি)
নিগমের কর্তারা জানান, যে শ্রমিকরা আটকে আছেন, তাঁদের সবাই নিজের গন্তব্য না পৌঁছানো পর্যন্ বাস পরিষেবা চালু থাকবে। (ছবি সৌজন্য সাকিব আলি)
3/10নিগমের কর্তারা জানান, যে শ্রমিকরা আটকে আছেন, তাঁদের সবাই নিজের গন্তব্য না পৌঁছানো পর্যন্ বাস পরিষেবা চালু থাকবে। (ছবি সৌজন্য সাকিব আলি)
শ্রমিকদের নিয়ে ফেরানোর জন্য আরও বাস জোগাড় করা হচ্ছে। শুক্রবারের জন্য ২০০টি বাস আনা হয়েছিল। কিন্তু প্রাথমিকভাবে পুলিশ আটকে দেয়। পরে রাতের বাস নিয়ে যাওয়ার নির্দেশ আসে। (ছবি সৌজন্য সাকিব আলি)
4/10শ্রমিকদের নিয়ে ফেরানোর জন্য আরও বাস জোগাড় করা হচ্ছে। শুক্রবারের জন্য ২০০টি বাস আনা হয়েছিল। কিন্তু প্রাথমিকভাবে পুলিশ আটকে দেয়। পরে রাতের বাস নিয়ে যাওয়ার নির্দেশ আসে। (ছবি সৌজন্য সাকিব আলি)
গাজিয়াবাদের (শহর) পুলিশ সুপার মণীশ মিশ্র জানান, প্রাথমিকভাবে শ্রমিকদের আটকানো হয়। কিন্তু যখন শ্রমিকরা জানান যে হেঁটেই বাড়ি ফিরবেন, তখন যাওয়ার অনুমতি দেওয়া হয়। পুলিশ আরও বাসের বন্দোবস্ত করছে। (ছবি সৌজন্য সাকিব আলি)
5/10গাজিয়াবাদের (শহর) পুলিশ সুপার মণীশ মিশ্র জানান, প্রাথমিকভাবে শ্রমিকদের আটকানো হয়। কিন্তু যখন শ্রমিকরা জানান যে হেঁটেই বাড়ি ফিরবেন, তখন যাওয়ার অনুমতি দেওয়া হয়। পুলিশ আরও বাসের বন্দোবস্ত করছে। (ছবি সৌজন্য সাকিব আলি)
বাসের অপেক্ষায় দাঁড়িয়ে থাকা এক শ্রমিক বলেন, 'বদায়ুঁতে বাড়ি ফিরব আমি। আমার সঙ্গে ১০ জন আছেন। ডেনিম জিন্স তৈরির কারখানায় কাজ করতাম আমরা। কিন্তু লকডাউনের পর কাজ বন্ধ হয়ে যায়। বাড়ির মালিক ভাড়া চাইছেন। কিন্তু আমার কাছে টাকা নেই। তাই বাড়ি ফিরছি।' (ছবি সৌজন্য সাকিব আলি)
6/10বাসের অপেক্ষায় দাঁড়িয়ে থাকা এক শ্রমিক বলেন, 'বদায়ুঁতে বাড়ি ফিরব আমি। আমার সঙ্গে ১০ জন আছেন। ডেনিম জিন্স তৈরির কারখানায় কাজ করতাম আমরা। কিন্তু লকডাউনের পর কাজ বন্ধ হয়ে যায়। বাড়ির মালিক ভাড়া চাইছেন। কিন্তু আমার কাছে টাকা নেই। তাই বাড়ি ফিরছি।' (ছবি সৌজন্য সাকিব আলি)
পুলিশ জানিয়েছে, ইতিমধ্যে নয়ডার দিল্লি-উত্তরপ্রদেশ সীমান্তের উদ্দেশে বাস রওবনা দিয়েছে। দু'ঘণ্টা অন্তর বাস ছাড়ছে। সকাল আটটা থেকে শ্রমিকদের নিয়ে যাওয়া শুরু হয়েছে। আগামী ৪৮ ঘণ্টা তা চলবে। (ছবি সৌজন্য সাকিব আলি)
7/10পুলিশ জানিয়েছে, ইতিমধ্যে নয়ডার দিল্লি-উত্তরপ্রদেশ সীমান্তের উদ্দেশে বাস রওবনা দিয়েছে। দু'ঘণ্টা অন্তর বাস ছাড়ছে। সকাল আটটা থেকে শ্রমিকদের নিয়ে যাওয়া শুরু হয়েছে। আগামী ৪৮ ঘণ্টা তা চলবে। (ছবি সৌজন্য সাকিব আলি)
শ্রমিকদের খাবার দেওয়ার আর্জি জানানো হয়েছে বলে জানান ডিসিপি সংকল্প শর্মা। প্রয়োজনে চিকিৎসার বন্দোবস্ত করা হবে বলে জানান তিনি। (ছবি সৌজন্য সাকিব আলি)
8/10শ্রমিকদের খাবার দেওয়ার আর্জি জানানো হয়েছে বলে জানান ডিসিপি সংকল্প শর্মা। প্রয়োজনে চিকিৎসার বন্দোবস্ত করা হবে বলে জানান তিনি। (ছবি সৌজন্য সাকিব আলি)
আর সেই খবর পেয়ে দিল্লি-উত্তরপ্রদেশ আটকে থাকা অসংখ্য শ্রমিক বাসের জন্য দাঁড়িয়ে রয়েছেন। বাসের মধ্যে ঠাসাঠাসি করে যাচ্ছেন তাঁরা। আর যাঁরা বাসের ভিতরে ঢোকার সুযোগ পাচ্ছেন না, তাঁরা বাসের মাথায় উঠে যাচ্ছেন। বাসের মাথায় লোক থিকথিক করছে। অনেকে বাসের পিছনে ঝুলতে ঝুলতে যাচ্ছেন। (ছবি সৌজন্য সাকিব আলি)
9/10আর সেই খবর পেয়ে দিল্লি-উত্তরপ্রদেশ আটকে থাকা অসংখ্য শ্রমিক বাসের জন্য দাঁড়িয়ে রয়েছেন। বাসের মধ্যে ঠাসাঠাসি করে যাচ্ছেন তাঁরা। আর যাঁরা বাসের ভিতরে ঢোকার সুযোগ পাচ্ছেন না, তাঁরা বাসের মাথায় উঠে যাচ্ছেন। বাসের মাথায় লোক থিকথিক করছে। অনেকে বাসের পিছনে ঝুলতে ঝুলতে যাচ্ছেন। (ছবি সৌজন্য সাকিব আলি)
করোনার সংক্রমণ রুখতে সামাজিক দূরত্বের ন্যূনতম বিধিও মানা হচ্ছে না। আর সেজন্য রীতিমতো আশঙ্কিত বিশেষজ্ঞরা। (ছবি সৌজন্য সাকিব আলি)
10/10করোনার সংক্রমণ রুখতে সামাজিক দূরত্বের ন্যূনতম বিধিও মানা হচ্ছে না। আর সেজন্য রীতিমতো আশঙ্কিত বিশেষজ্ঞরা। (ছবি সৌজন্য সাকিব আলি)
অন্য গ্যালারিগুলি