বাংলা নিউজ > ছবিঘর > কে হতে পারেন কর্ণাটকের পরবর্তী মুখ্যমন্ত্রী? একনজরে সম্ভাব্যদের 'রিপোর্ট কার্ড'

কে হতে পারেন কর্ণাটকের পরবর্তী মুখ্যমন্ত্রী? একনজরে সম্ভাব্যদের 'রিপোর্ট কার্ড'

  • সোমবার কর্ণাটকের মুখ্যমন্ত্রী পদ থেকে পদত্যাগ করলেন বিএস ইয়েদুরাপ্পা। সাধারণত বিজেপিতে ৭৫ বছর বয়স পেরিয়ে গেলে নেতাদের রাজনীতি থেকে অবসর নিতে হয়। সেই জায়গায় ইয়েদুরাপ্পার মুখ্যমন্ত্রিত্ব বিরল ঘটনা। তা সত্ত্বেও গত সোমবার তাঁর মুখ্যমন্ত্রিত্বে কর্ণাটক সরকার দু'বছর পূর্ণ করে। এই আবহে আজ কর্ণাটকে বিজেপির পরবর্তী মুখ্যমন্ত্রী বেছে নিতে বিধায়কদের একটি বৈঠক হবে। একনজরে দেখে নেওয়া যাক সম্ভাব্যদের তালিকা:
প্রহ্লাদ যোশী: চারবারের এই সাংসদ বর্তমানে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী। সংসদ বিষয়ক এবং কয়লা ও খনি মন্ত্রকের দায়িত্ব তাঁর উপর।  তাঁর পক্ষে যুক্তি: স্বচ্ছ ভাবমূর্তির নেতা। ২০১৩ সালে ইয়েদুরাপ্পা দল ছাড়ার পর রাজ্যে দলকে নেতৃত্ব দিয়েছিলেন প্রহ্লাদ।  তাঁর বিপক্ষে যুক্তি: প্রহ্লাদ যোশী একজন ব্রাহ্মণ। কর্ণাটকে ভোটা নিয়ন্ত্রণ করে লিঙ্গায়ত এবং ভোক্কালিগা সমাজ। কর্ণাটকে ১৯৮৮ সালে শেষবার কোনও ব্রাহ্মণ মুখ্যমন্ত্রী হয়েছিলেন। ছবি সোজন্যে পিটিআই
1/6প্রহ্লাদ যোশী: চারবারের এই সাংসদ বর্তমানে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী। সংসদ বিষয়ক এবং কয়লা ও খনি মন্ত্রকের দায়িত্ব তাঁর উপর।  তাঁর পক্ষে যুক্তি: স্বচ্ছ ভাবমূর্তির নেতা। ২০১৩ সালে ইয়েদুরাপ্পা দল ছাড়ার পর রাজ্যে দলকে নেতৃত্ব দিয়েছিলেন প্রহ্লাদ।  তাঁর বিপক্ষে যুক্তি: প্রহ্লাদ যোশী একজন ব্রাহ্মণ। কর্ণাটকে ভোটা নিয়ন্ত্রণ করে লিঙ্গায়ত এবং ভোক্কালিগা সমাজ। কর্ণাটকে ১৯৮৮ সালে শেষবার কোনও ব্রাহ্মণ মুখ্যমন্ত্রী হয়েছিলেন। ছবি সোজন্যে পিটিআই
বিএল সন্তোষ: বিজেপির সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক (সংগঠন) পদে রয়েছেন। আরএসএস থেকে বিজেপিতে যোগ দিয়েছেন। সাংগঠনিক দিক দিয়ে খুব সুদক্ষ নেতা হিসেবে পরিচিত তিনি। কর্ণাটকের ভোট রাজনীতির সঙ্গে পরিচিত হলেও এখনও নিজে সেখানে কোনও নির্বাচনে লড়েননি সন্তোষ।  তাঁর পক্ষে যুক্তি : ইয়েদুরাপ্পার পরে কর্ণাটকে বিজেপির অন্যতম শীর্ষ নেতা সন্তোষ। কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের খুব কাছের মানুষ সন্তোষ। দলের অভ্যন্তরে এবং বিধায়কদের মধ্যে তাঁর অনুগামীর সংখ্যা বেশ ভালো। তাঁর বিপক্ষে যুক্তি : ইয়েদুরাপ্পার মতো তিনি জননেতা নন। কোনও নির্বাচনে তিনি এখনও জেতেননি। বিএল সন্তোষও একজন ব্রাহ্মণ। ছবি সোজন্যে এএনআই
2/6বিএল সন্তোষ: বিজেপির সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক (সংগঠন) পদে রয়েছেন। আরএসএস থেকে বিজেপিতে যোগ দিয়েছেন। সাংগঠনিক দিক দিয়ে খুব সুদক্ষ নেতা হিসেবে পরিচিত তিনি। কর্ণাটকের ভোট রাজনীতির সঙ্গে পরিচিত হলেও এখনও নিজে সেখানে কোনও নির্বাচনে লড়েননি সন্তোষ।  তাঁর পক্ষে যুক্তি : ইয়েদুরাপ্পার পরে কর্ণাটকে বিজেপির অন্যতম শীর্ষ নেতা সন্তোষ। কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের খুব কাছের মানুষ সন্তোষ। দলের অভ্যন্তরে এবং বিধায়কদের মধ্যে তাঁর অনুগামীর সংখ্যা বেশ ভালো। তাঁর বিপক্ষে যুক্তি : ইয়েদুরাপ্পার মতো তিনি জননেতা নন। কোনও নির্বাচনে তিনি এখনও জেতেননি। বিএল সন্তোষও একজন ব্রাহ্মণ। ছবি সোজন্যে এএনআই
মুরুগেশ নিরানি: কর্ণাটক সরকারের খনিজ মন্ত্রী। তিন বারের বিধায়ক।  মুরুগেশের পক্ষে যুক্তি: তিনি লিঙ্গায়ত সমাজের পঞ্চমশালি উপজাতির। লিঙ্গায়ত সমাজে এটাই সবথেকে বড় উপজাতি।  তাঁর বিপক্ষে যুক্তি: মুরুগেশ একজন ব্যবসায়ী। নেতা হিসেবে একজন ব্যবসায়ীকে সর্বোচ্চ স্থানে দেখতে চান না পঞ্চমশালিরা।  ছবি সোন্যে এএনআই
3/6মুরুগেশ নিরানি: কর্ণাটক সরকারের খনিজ মন্ত্রী। তিন বারের বিধায়ক।  মুরুগেশের পক্ষে যুক্তি: তিনি লিঙ্গায়ত সমাজের পঞ্চমশালি উপজাতির। লিঙ্গায়ত সমাজে এটাই সবথেকে বড় উপজাতি।  তাঁর বিপক্ষে যুক্তি: মুরুগেশ একজন ব্যবসায়ী। নেতা হিসেবে একজন ব্যবসায়ীকে সর্বোচ্চ স্থানে দেখতে চান না পঞ্চমশালিরা।  ছবি সোন্যে এএনআই
অরবিন্দ বেল্লাড়: উত্তর কর্ণাটকের হুবলির দুইবারের বিধায়ক তিনি।  তাঁর পক্ষের যুক্তি: ইয়েদুরাপ্পার মতো তিনি লিঙ্গায়ত সমাজের। তাঁর বাবা চন্দ্রকান্ত বেল্লাড় পাঁচবারের বিধায়ক এবংক আরএসএস ও বিজেপির বর্ষীয়ান নেতা ছিলেন।  তাঁর বিপক্ষের যুক্তি: প্রশাসনিক অভিজ্ঞতা কম। দলের শীর্ষ নেতৃত্বের সঙ্গে সম্পর্ক ততটা ভালো নয়।
4/6অরবিন্দ বেল্লাড়: উত্তর কর্ণাটকের হুবলির দুইবারের বিধায়ক তিনি।  তাঁর পক্ষের যুক্তি: ইয়েদুরাপ্পার মতো তিনি লিঙ্গায়ত সমাজের। তাঁর বাবা চন্দ্রকান্ত বেল্লাড় পাঁচবারের বিধায়ক এবংক আরএসএস ও বিজেপির বর্ষীয়ান নেতা ছিলেন।  তাঁর বিপক্ষের যুক্তি: প্রশাসনিক অভিজ্ঞতা কম। দলের শীর্ষ নেতৃত্বের সঙ্গে সম্পর্ক ততটা ভালো নয়।
সিটি রবি: দক্ষিণ কর্ণাটকের চিকমেঙ্গালুরুর চারবারের বিধায়ক। বর্তমানে তিনি রাজ্যের পর্যটন মন্ত্রী। তিনি ভোক্কালিগা সমাজের। কট্টর হিন্দুত্ববাদী হিসেবে পরিচিত তিনি।  তাঁর পক্ষে যুক্তি: বিএল সন্তোষের ঘনিষ্ঠ। কট্টর হিন্দুত্ববাদী হিসেবে পরিচিত হওয়ায় আরএসএস-এর ঘনিষ্ঠ। লিঙ্গায়ত সমাজের ভোটের উপর কম নির্ভর করে ভোক্কালিগাদের উপর বিজেপিকে নির্ভর করতে সাহায্য করবে।  তাঁর বিপক্ষে যুক্তি: তিনি নিজে ভোক্কালিগা সমাজের হলেও তিনি যেই এলাকার, সেখানে ভোক্কালিগাদের বসাবস তুলনামূলক ভাবে কম। তাই সেই সমাজের উপর তাঁর প্রভাব পরীক্ষিত নয়। ছবি সৌজন্যে টুইটার
5/6সিটি রবি: দক্ষিণ কর্ণাটকের চিকমেঙ্গালুরুর চারবারের বিধায়ক। বর্তমানে তিনি রাজ্যের পর্যটন মন্ত্রী। তিনি ভোক্কালিগা সমাজের। কট্টর হিন্দুত্ববাদী হিসেবে পরিচিত তিনি।  তাঁর পক্ষে যুক্তি: বিএল সন্তোষের ঘনিষ্ঠ। কট্টর হিন্দুত্ববাদী হিসেবে পরিচিত হওয়ায় আরএসএস-এর ঘনিষ্ঠ। লিঙ্গায়ত সমাজের ভোটের উপর কম নির্ভর করে ভোক্কালিগাদের উপর বিজেপিকে নির্ভর করতে সাহায্য করবে।  তাঁর বিপক্ষে যুক্তি: তিনি নিজে ভোক্কালিগা সমাজের হলেও তিনি যেই এলাকার, সেখানে ভোক্কালিগাদের বসাবস তুলনামূলক ভাবে কম। তাই সেই সমাজের উপর তাঁর প্রভাব পরীক্ষিত নয়। ছবি সৌজন্যে টুইটার
সিএন অশ্বথ নারায়ণ: বেঙ্গালুরুর মাল্লেস্বরমের বিধায়ক তিনি। বর্তমানে তিনি রাজ্যের উপ-মুখ্যমন্ত্রী।  তাঁর পক্ষে যুক্তি: ২০১৯ সালে দল ভাঙিয়ে বিজেপির সরকারর গঠনের বিষয়ে অগ্রণী ভূমিকা পালন করেন। ভোক্কালিগা সমাজের নেতা তিনি।  তাঁর বিপক্ষে যুক্তি: দলের শীর্ষ নেতৃত্ব এখনও তাঁর প্রশাসনিক দক্ষতায় সন্তুষ্ট নন। ভোক্কালিগাদের মধ্যে নিজের প্রভাব বিস্তারেও এখনও পর্যন্ত অক্ষম তিনি। ছবি সৌজন্যে টুইটার
6/6সিএন অশ্বথ নারায়ণ: বেঙ্গালুরুর মাল্লেস্বরমের বিধায়ক তিনি। বর্তমানে তিনি রাজ্যের উপ-মুখ্যমন্ত্রী।  তাঁর পক্ষে যুক্তি: ২০১৯ সালে দল ভাঙিয়ে বিজেপির সরকারর গঠনের বিষয়ে অগ্রণী ভূমিকা পালন করেন। ভোক্কালিগা সমাজের নেতা তিনি।  তাঁর বিপক্ষে যুক্তি: দলের শীর্ষ নেতৃত্ব এখনও তাঁর প্রশাসনিক দক্ষতায় সন্তুষ্ট নন। ভোক্কালিগাদের মধ্যে নিজের প্রভাব বিস্তারেও এখনও পর্যন্ত অক্ষম তিনি। ছবি সৌজন্যে টুইটার
অন্য গ্যালারিগুলি