বাংলা নিউজ > ছবিঘর > ইয়াস পরবর্তী অধ্যায়ে হিঙ্গলগঞ্জের এক গ্রামের দুর্দশার ছবি চোখে জল এনে দেবে সবার

ইয়াস পরবর্তী অধ্যায়ে হিঙ্গলগঞ্জের এক গ্রামের দুর্দশার ছবি চোখে জল এনে দেবে সবার

  • ইয়াস আর ভরা কোটালের জেরে রীতিমতো বিধ্বস্ত হিঙ্গলগঞ্জের রূপমারী অঞ্চলের কুমিরমারী গ্রাম। সেখানকার দুর্দশার করুণ ছবি ধরা পড়েছে সন্দীপ রায়ের ক্যামেরায়। এখনও সেখানে কোথাও কোমর জল, কোথাও গলা জল। চরম সঙ্কটে দিন কাটাচ্ছেন এই সব এলাকার মানুষ।
একদিকে ইয়াসের প্রভাব। সঙ্গে ভরা কোটাল। যার জেরে যেমন একের পর এক নদীর নদীর বাঁধ ভেঙেছে, তেমনই আবার বাঁধ উপচেও জল ঢুকেছে গ্রামে। বাঁধ মেরামতির কাজ চলছে। কিন্তু এখনও গ্রামের কোথাও কোমর জল রয়েছে, আবার কোথাও প্রায় গলা জল। চরম দুর্ভোগে দিন কাটছে গ্রামের মানুষের। কবে জল নামবে, জানেন না কেউই।
1/6একদিকে ইয়াসের প্রভাব। সঙ্গে ভরা কোটাল। যার জেরে যেমন একের পর এক নদীর নদীর বাঁধ ভেঙেছে, তেমনই আবার বাঁধ উপচেও জল ঢুকেছে গ্রামে। বাঁধ মেরামতির কাজ চলছে। কিন্তু এখনও গ্রামের কোথাও কোমর জল রয়েছে, আবার কোথাও প্রায় গলা জল। চরম দুর্ভোগে দিন কাটছে গ্রামের মানুষের। কবে জল নামবে, জানেন না কেউই।
রূপমারী অঞ্চলের একদিকে রয়েছে ডাঁসা নদী। আর এক দিকে গৌরেশ্বর। দুই নদীর বাঁধই ভেঙে গিয়েছে। সেই সঙ্গে বাঁধ উপচেও জল ঢুকেছে গ্রামে। এখনও অথৈ জলে ডুবে কুমিরমারী গ্রাম।
2/6রূপমারী অঞ্চলের একদিকে রয়েছে ডাঁসা নদী। আর এক দিকে গৌরেশ্বর। দুই নদীর বাঁধই ভেঙে গিয়েছে। সেই সঙ্গে বাঁধ উপচেও জল ঢুকেছে গ্রামে। এখনও অথৈ জলে ডুবে কুমিরমারী গ্রাম।
এই এলাকার মানুষের মূল জীবিকা মূলতঃ মাছ চাষ করা। যে কারণে প্রচুর ভেরি রয়েছে এখানে। কিন্তু ইয়াস আর ভরা কোটালের জেরে ভেরিগুলি সব ভেসে গিয়েছে। যে কারণে মাছ চাষে ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। সেই সঙ্গে যাঁরা চাষবাস করেন, তাঁদের জমিও জলের তলায়।
3/6এই এলাকার মানুষের মূল জীবিকা মূলতঃ মাছ চাষ করা। যে কারণে প্রচুর ভেরি রয়েছে এখানে। কিন্তু ইয়াস আর ভরা কোটালের জেরে ভেরিগুলি সব ভেসে গিয়েছে। যে কারণে মাছ চাষে ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। সেই সঙ্গে যাঁরা চাষবাস করেন, তাঁদের জমিও জলের তলায়।
জলের মধ্যে ঝুঁকি নিয়েই বাড়ি থেকে প্রয়োজনীয় জিনিস বের করার চেষ্টা করছেন গ্রামের মানুষ। আদৌ কবে বাড়ি ফিরতে পারবেন, সেটা কেউই জানেন না।
4/6জলের মধ্যে ঝুঁকি নিয়েই বাড়ি থেকে প্রয়োজনীয় জিনিস বের করার চেষ্টা করছেন গ্রামের মানুষ। আদৌ কবে বাড়ি ফিরতে পারবেন, সেটা কেউই জানেন না।
সরকার থেকে গ্রামের মানুষকে বিভিন্ন জায়গায় থাকার ব্যবস্থা করে দেওয়া হয়েছে। কিন্তু মন যে পড়ে রয়েছে ডুবে যাওয়া ঘরেতেই। অনেকেই তাই বাড়ির কাছেই কিছুটা উঁচু জায়গায় তাঁবু খাটিয়ে কোনও মতে থাকার ব্যবস্থা করেছেন।
5/6সরকার থেকে গ্রামের মানুষকে বিভিন্ন জায়গায় থাকার ব্যবস্থা করে দেওয়া হয়েছে। কিন্তু মন যে পড়ে রয়েছে ডুবে যাওয়া ঘরেতেই। অনেকেই তাই বাড়ির কাছেই কিছুটা উঁচু জায়গায় তাঁবু খাটিয়ে কোনও মতে থাকার ব্যবস্থা করেছেন।
কোনও মতে থাকার ব্যবস্থা হলেও পানীয় জলের মারাত্মক সমস্যা দেখা দিয়েছে। সরকার আপাতত ত্রাণ দিলেও, ভবিষ্যত নিয়ে চিন্তায় পড়ে গিয়েছে এই এলাকার মানুষ। কারণ এই অঞ্চলের প্রতিটা মানুষই মারাত্মক ভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। তাঁরা কী খাবেন, কী ভাবে জীবন নির্বাহ করবেন, কিছুই বুঝে উঠতে পারছেন না। চারিদিকে শুধুই নিকষ অন্ধকার।
6/6কোনও মতে থাকার ব্যবস্থা হলেও পানীয় জলের মারাত্মক সমস্যা দেখা দিয়েছে। সরকার আপাতত ত্রাণ দিলেও, ভবিষ্যত নিয়ে চিন্তায় পড়ে গিয়েছে এই এলাকার মানুষ। কারণ এই অঞ্চলের প্রতিটা মানুষই মারাত্মক ভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। তাঁরা কী খাবেন, কী ভাবে জীবন নির্বাহ করবেন, কিছুই বুঝে উঠতে পারছেন না। চারিদিকে শুধুই নিকষ অন্ধকার।
অন্য গ্যালারিগুলি