ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়াম। ছবি- টুইটার।
ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়াম। ছবি- টুইটার।

বিশ্বকাপ জয়ের মঞ্চে এবার করোনার বিরুদ্ধে লড়াই, ওয়াংখেড়েতে খুলছে কোয়ারান্টাইন সেন্টার

  • ২০১১ সালে ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়ামে দীর্ঘ ২৮ বছরের খরা কাটিয়ে ভারত দ্বিতীয়বারের জন্য ওয়ান ডে বিশ্বচ্যাম্পিয়ন হয়।

ভারতীয় ক্রিকেটের ইতিহাসে চিরস্থায়ী জায়গা করে নেওয়া ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়াম পরিণত হতে চলেছে করোনা কোয়ারান্টাইন সেন্টারে। মুম্বই ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশনকে মাঠ-সহ স্টেডিয়াম চত্বর তাদের হাতে তুলে দেওয়ার জন্য নোটিশ পাঠিয়েছে বৃহন্মুম্বই পুরসভা।

২০১১ সালে ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়ামে দীর্ঘ ২৮ বছরের খরা কাটিয়ে ভারত দ্বিতীয়বারের জন্য ওয়ান ডে বিশ্বচ্যাম্পিয়ন হয়। নিজেদের দেশে সেই প্রথম বিশ্বকাপ জয়ের স্বাদ পায় টিম ইন্ডিয়া।

ইতিহাসের সাক্ষী থাকা ওয়াংখেড়ে অবশ্য সংকটের সময়ে মুম্বইবাসীর পাশে দাঁড়াতে কুণ্ঠা বোধ করেনি। মুম্বই ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি বিজয় পাতিল জানিয়ে দেন যে, করোনার বিরুদ্ধে লড়াইয়ে এমসিএ সবরকম সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেবে সরকার ও সরকারি সংস্থাগুলির দিকে।

আপৎকালীন ভিত্তিতে ওয়াংখেড়ের দখল নিলেও মাঠ ব্যবহার করার পরিকল্পনা নেই পুরসভার। বরং স্টেডিয়ামের নীচে ঘেরা জায়গায় যেখানে বায়ু চলাচল ও টয়লেটের ব্যবস্থা আছে, সেই সব জায়গাগুলিকেই কোয়ারান্টাইন সেন্টার হিসেবে ব্যবহার করতে চায় তারা। বাকি জায়গায় জরুরিভিত্তিক কর্মীদের অস্থায়ী বাসস্থান হিসেবে ব্যবহার করা হবে বলে জানানো হয়েছে কর্পোরেশনের তরফে।

এর আগে বিশ্বের বহু বিখ্যাত ফুটবল স্টেডিয়াম করোনা ভাইরাসের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে ব্যবহার করা হয়েছে। বিশেষ করে ইংল্যান্ড ও স্পেনের ফুটবল স্টেডিয়ামগুলি কোয়ারান্টাইন সেন্টার ও স্টোরেজ হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে। বাংলার ক্রিকেট সংস্থার তরফেও রাজ্য সরকারকে প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে প্রয়োজন পড়লে ইডেন গার্ডেন্সকে কোয়ারান্টাইন সেন্টার হিসেবে ব্যবহার করার।

বন্ধ করুন