সরস্বতী পাত্র ও গৌতম গম্ভীর। ছবি- টুইটার।
সরস্বতী পাত্র ও গৌতম গম্ভীর। ছবি- টুইটার।

দীর্ঘদিনের পরিচারিকার শেষকৃত্য সম্পন্ন করলেন গৌতম গম্ভীর

  • গম্ভীরের সন্তানের দেখাশোনা করতেন ওড়িশার সরস্বতী পাত্র।

দীর্ঘদিনের পরিচারিকার শেষকৃত্য সম্পন্ন করলেন টিম ইন্ডিয়ার প্রাক্তন ওপেনার তথা বর্তমান বিজেপি সাংসদ গৌতম গম্ভীর। লকডাউনের জন্য তাঁর মরদেহ ওড়িশায় পাঠানো সম্ভব ছিল না। তাই পরিবারের একজনের মতোই গৃহকাজে সহায়িকার পার্থিব দেহের সৎকার করেন তিনি।

৪৯ বছর বয়সি সরস্বতী পাত্র ওড়িশার জাজপুর জেলার বাসিন্দা। গত ৬ বছর ধরে তিনি গম্ভীরের বাড়ির সহায়িকা হিসেবে কাজ করতেন। ডায়াবেটিসে আক্রান্ত হওয়া ছাড়াও উচ্চ রক্তচাপজনীত সমস্যায় ভুগছিলেন তিনি। কিছুদিন আগেই তাঁকে গঙ্গারাম হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। গত ২১ এপ্রিল তিনি হাসপাতালেই শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।

গম্ভীর টুইটারে সরস্বতীর প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে লেখেন, 'আমার ছোট্ট সন্তানের দেখাশোনা করতেন যিনি, তিনি কখনই পরিচারিকা হতে পারেন না। আমার পরিবারের একজন ছিলেন উনি। তাঁর শেষকৃত্য সম্পন্ন করা আমার কর্তব্য ছিল।'

গম্ভীর আরও লেখেন, 'জাতি, ধর্ম, বর্ণ বা সামাজিক অবস্থা বিবেচনা না করে সকলকে সম্মান দেওয়া উচিত। একমাত্র এভাবেই একটা উন্নত সমাজ গড়া যায়। এমন ভারতের স্বপ্ন দেখি। ওম শান্তি।'

কেন্দ্রীয় ইস্পাত ও পেট্রোলিয়াম মন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান গম্ভীরের এমন আচরণের প্রশংসা করেন। প্রধান নিজেও ওড়িশার বাসিন্দা। তিনি বলেন, 'অসুস্থ থাকাকালীন আগাগোড়া সরস্বতীর খেয়াল রাখেন গম্ভীর। মৃত্যুর পর মরদেহ ওড়িশায় পরিবারের কাছে পাঠানো সম্ভব ছিল না। গম্ভীর যথাযত রীতি মেনে তাঁর শেষকৃত্য সম্পন্ন করেন। গম্ভীরের এমন আচরণ দেশের অসংখ্য দরিদ্র মানুষের মনে মানবিকতার বিশ্বাস আরও দৃঢ় করবে।'

বন্ধ করুন