বাংলা নিউজ > ময়দান > আইপিএল ২০২০ > IPL 2020: প্রিয়জনের মৃত্যুর পরদিনই দলের স্বার্থে মাঠে, নীতিশ-মনদীপকে সেলাম সচিনের
প্রিয়জনের মৃত্যুর পরদিনই দলের স্বার্থে মাঠে, নীতিশ-মনদীপকে সেলাম সচিনের (ফাইল ছবি, সৌজন্য পিটিআই)
প্রিয়জনের মৃত্যুর পরদিনই দলের স্বার্থে মাঠে, নীতিশ-মনদীপকে সেলাম সচিনের (ফাইল ছবি, সৌজন্য পিটিআই)

IPL 2020: প্রিয়জনের মৃত্যুর পরদিনই দলের স্বার্থে মাঠে, নীতিশ-মনদীপকে সেলাম সচিনের

  • বছর ২১ আগে সচিনও এরকম অবস্থায় ছিলেন। ১৯৯৯ সালের বিশ্বকাপের সময় তাঁর বাবা মারা গিয়েছিলেন।

অনুভূতিটা তাঁর বড্ড চেনা। এরকম পরিস্থিতিতে মনের কেমন অবস্থা হয়, তা ভালোভাবেই জানেন। নিজেও সেরকম পরিস্থিতির মধ্যে ছিলেন। মানসিক কাঠিন্যের পরিচয় দিয়ে দেশের হয়ে বিশ্বকাপে খেলতে নেমেছিলেন। একইরকমভাবে কাছের মানুষকে হারানোর পরদিনই খেলতে নামেন নীতিশ রানা এবং মনদীপ সিং। সেজন্য দু'জনের ভূয়সী প্রশংসা করলেন সচিন তেন্ডুলকর।

(আইপিএলের যাবতীয় আপডেট, লাইভ স্কোর দেখুন এখানে)

শুক্রবার ক্যানসারে মৃত্যু হয়েছে রানার শ্বশুরমশাই সুরিন্দর মারওয়ার। সেই অবস্থার মধ্যেই শনিবার দিল্লি ক্যাপিটালসের বিরুদ্ধে নেমেছিলেন কেকেআরের বাঁ-হাতি ব্যাটসম্যান। সেই ম্যাচে মাত্র ৫৩ বলে ৮১ রানের ইনিংস খেলেন। শুধু তাই নয়, এবারের আইপিএলে এই প্রথমবার রানা-সুলভ ফর্মের প্রমাণ দেন। সেই ম্যাচে অর্ধশতরান পূরণের পর শ্বশুরের নামাঙ্কিত কেকেআরের একটি জার্সি বের করেও দেখান রানা। প্রয়াত শ্বশুরকে নিজের অর্ধশতরান উত্‍সর্গ করেন।

আরও পড়ুন : নারিন-রানা-কামিন্স-বরুণ চতুর্ভুজে কুপোকাত দিল্লি, রাজকীয় প্রত্যাবর্তন KKR-এর

অন্যদিকে, শুক্রবার বাবাকে হারিয়েছেন মনদীপ। কিন্তু সেই কষ্ট বুকে চেপে সানরাইজার্স হায়দরাবাদের বিরুদ্ধে মাঠে নামেন। মনদীপের পাশে মানসিকভাবে দাঁড়ান সতীর্থরা। তাঁর বাবাকে শ্রদ্ধা জানিয়ে পঞ্জাবের সব খেলোয়াড় কালো আর্মব্যান্ড পরেছিলেন। ওপেন করতে নেমে ১৭ রান করেন মনদীপ।

আরও পড়ুন : অর্ধশতরান পূরণের পর কার নামের জার্সি দেখালেন নীতিশ রানা? সেই বিশেষ কারণ জেনে নিন

দুই খেলোয়াড়ের সেই মানসিক দৃঢ়তায় মুগ্ধ হন সচিন। একটি টুইটবার্তায় তিনি বলেন, ‘ভালোবাসার মানুষকে হারানোটা কষ্টদায়ক। কিন্তু সবথেকে কষ্টকর হচ্ছে যখন কেউ শেষবিদায় জানাতে পারেন না। এই বিপর্যয় থেকে মনদীপ সিং ও নীতিশ রানা এবং তাঁদের পরিবার যাতে ঘুরে দাঁড়াতে পারেন, সেজন্য প্রার্থনা করছি। আজ খেলার জন্য সেলাম। ভালো খেলেছ।’

বছর ২১ আগে সচিনও এরকম অবস্থায় ছিলেন। ১৯৯৯ সালের বিশ্বকাপের সময় তাঁর বাবা মারা গিয়েছিলেন। সেজন্য দেশেও এসেছিলেন। বাবার শেষকৃত্য সম্পন্নের পর আবারও বিশ্বকাপে ফিরে গিযেছিলেন। তারপর কেনিয়ার বিরুদ্ধে খেলতে নেমেই শতরান করেছিলেন। তিন অঙ্কের স্কোরের গণ্ডি পেরিয়ে যাওয়ার পর তাকিয়েছিলেন আকাশের দিকে। স্মরণ করেছিলেন বাবাকে। দেশের প্রতি সেই অসামান্য দায়বদ্ধতার জন্য আজও প্রশংসিত হন সচিন। সেই ঘটনার দু'দশক পর একইদিনে দুই তরুণ ক্রিকেটারের সেই মানসিক দৃঢ়তা দেখে হয়ত নিজের কথা মনে পড়ে গিয়েছিল মাস্টার ব্লাস্টারের।

বন্ধ করুন