বাংলা নিউজ > ময়দান > 'সচিনকে না চেনাই উচিত', একথা জানিয়ে শারাপোভার কাছে ক্ষমা চাওয়ার ধুম ক্ষুব্ধ নেটিজেনদের
সচিন তেন্ডুলকর ও মারিয়া শারাপোভা। ছবি- টুইটার।
সচিন তেন্ডুলকর ও মারিয়া শারাপোভা। ছবি- টুইটার।

'সচিনকে না চেনাই উচিত', একথা জানিয়ে শারাপোভার কাছে ক্ষমা চাওয়ার ধুম ক্ষুব্ধ নেটিজেনদের

  • কৃষক আন্দোলন নিয়ে তেন্ডুলকরের টুইট পছন্দ হয়নি কিছু ভারতীয়র।

ছিলেন অবিসংবাদিত নায়ক। কিছু ভারতীয়র কাছেই সচিন তেন্ডুলকর হয়ে গেলেন ভিলেন। একদা সচিনকে নিয়ে মাতামাতি করা কিছু নেটিজেনরাই রাতারাতি তেন্ডুলকরকে নিয়ে কটাক্ষ করতে ব্যস্ত।

দিল্লির কৃষক আন্দোলন নিয়ে রিহানা-গ্রেটাদের মতো আন্তর্জাতিক ব্যক্তিত্বের নাক গলানো পছন্দ হয়নি সচিনের। তিনি কৃষক আন্দোলন বিরোধী কোনও কথা না বললেও ভারতের অভ্যন্তরণীর সমস্যা ভারতীয়রাই সমাধান করতে পারবে বলে সোশ্যাল মিডিয়ায় মন্তব্য করেন।

সচিনের এমন টুইটের পরই কৃষক অন্দোলনের সমর্থকরা সোশ্যাল মিডিয়ায় মুণ্ডপাত শুরু করেন তেন্ডুলকরের। এমনকি ২০১৪ সালের একটি বিতর্কিত প্রসঙ্গকেও খুঁচিয়ে তুলতে দেখা যায় অনেককে।

২০১৪ সালে রাশিয়ান টেনিস সুন্দরী মারিয়া শারাপোভা মন্তব্য করেছিলেন যে, তিনি সচিনকে চেনেন না। তেন্ডুলকরের অনুরাগীরা সেই সময় সোশ্যাল মিডিয়ায় শারাপোভার সমালোচনায় মেতে উঠেছিলেন। তাঁদের মধ্য থেকেই কিছু মানুষ এখন টুইট করে শারাপোভার কাছে ক্ষমা চেয়ে নিচ্ছেন। তাঁদের দাবি, শারাপোভার সচিনকে না চেনা অবাস্তব কিছু নয়। কেননা, এমন সচিনকে নাকি তাঁরাও চেনেন না।

কেউ লেখেন, ‘ভাগ্য ভালো সচিনকে না চেনার জন্য সেই সময় মারিয়ার সমালোচনা করিনি।’ কেউ আবার তেন্ডুলকরকে 'আম্বানির পোষা কুকুর' বলেও কটুক্তি করেছেন। যদিও সচিনের সমর্থকরা এমন কটুক্তি করা নেটিজেনদের পালটা দিতে পিছপা হচ্ছেন না।

উল্লেখ্য, সচিন তাঁর টুইটে লেখেন, ‘ভারতের সার্বভৌমত্ব নিয়ে আপোষ করা সম্ভব নয়। বহির্বিশ্ব দর্শকের ভূমিকায় থাকতে পারে, নিয়ন্ত্রক হতে পারে না। ভারতীয়রাই ভারতকে যথাযথ চেনে এবং কী করা উচিত জানে। আসুন, জাতি হিসেবে আমরা ঐকবদ্ধ থাকি।’

বন্ধ করুন