ম্যাকগ্রার বাউন্সার এড়িয়ে যাচ্ছেন সচিন। ছবি- গেটি ইমেজেস।
ম্যাকগ্রার বাউন্সার এড়িয়ে যাচ্ছেন সচিন। ছবি- গেটি ইমেজেস।

অ্যাডিলেডের ঐতিহাসিক ডুয়েল, সচিন জানালেন কীভাবে ম্যাকগ্রাকে পালটা দিয়েছিলেন

  • তেন্ডুলকরকে হতাশ করতে চেয়ে হতাশ হয়েছিল অস্ট্রেলিয়াই।

'যাও, গিয়ে আবার বল করো, আমি এখনও ক্রিজে রয়েছি।' ঠিক এই ভাষাতেই গ্লেন ম্যাকগ্রাকে পালটা দিয়েছিলেন সচিন তেন্ডুলকর। এমন একটা সময়ে ম্যাকগ্রার সঙ্গে নিজের এই দ্বৈরথের কথা তেন্ডুলকর তুলে ধরেন, যখন অজি কিংবদন্তি ছিলেন নিজের কেরিয়ারের মধ্য গগনে।

দুই শতকের সন্ধিক্ষণে ভারত-অস্ট্রেলিয়া দ্বি-পাক্ষিক সিরিজ হোক অথবা বিশ্বকাপের মতো বহুজাতিক টুর্নামেন্ট, গ্রেন ম্যাকগ্রার সঙ্গে সচিন তেন্ডুলকরের বেশ কয়েক দফা উত্তেজক ডুয়েল দেখা গিয়েছে, ক্রিকেটপ্রেমীদের কাছে যা অত্যন্ত উপাদেয় মনে হওয়া স্বাভাবিক।

১৯৯৯-এর এমনই এক দ্বৈরথ প্রসঙ্গে সচিন জানান, ঠিক কীভাবে তিনি ম্যাকগ্রার যাবতীয় পরিকল্পনাকে ভেস্তে দিয়েছিলেন। বিসিসিআইয়ের টুইটার অ্যাকাউন্টে পোস্ট করা এক ভিডিওয় সচিন বলেন, '১৯৯৯-এ অ্যাডিলেডে ছিল সিরিজের প্রথম ম্যাচ। প্রথম ইনিংস চলছিল। দিনের খেলা শেষ হতে তখনও ৪০ মিনিট মতো বাকি। ম্যাকগ্রা শেষবেলায় বল করতে এসে ৫-৬ ওভার মেডেন নিয়েছিল।'

মাস্টার ব্লাস্টার জানান, 'সচিনকে হতাশ করো, এটাই ছিল অস্ট্রেলিয়ার পরিকল্পনা। ৭০ শতাংশ বল উইকেটকিপার গিলক্রিস্টের হাতে যাওয়া চাই। ১০ শতাংশ বল ব্যাটের খুব কাছে রাখতে হবে। যদি কোনওভাবে অফ-স্ট্যাম্পের বাইরের বলে ব্যাট লাগিয়ে বসে, তবে সফল হওয়ার সম্ভাবনা থাকবে।'

অস্ট্রেলিয়ার এমন পরিকল্পনা কীভাবে ব্যর্থ করেছিলেন সে প্রসঙ্গে সচিন বলেন, 'পরিকল্পনা বুঝতে পেরে আমি যত বেশি সম্ভব বল ছেড়ে দিচ্ছিলাম। যার মধ্যে বেশ কিছু অসাধারণ ডেলিভারি ছিল, যেগুলোতে পরাস্ত হই। আমি বলেছিলাম, ভালো বল করছো। যাও গিয়ে আবার বল করো। আমি এখনও ক্রিজে রয়েছি।'

শেষে তেন্ডুলকর জানান, 'সন্ধ্যার সময় আমি ধৈর্য সহকারে ব্যাট করছিলাম, যাতে সকালে নিজের মতো খেলতে পারি। বলেছিলাম, আমি কীভাবে খেলতে চাই তুমি সেটা নিয়ন্ত্রণ করতে পারবে না। তবে তুমি কোথায় বল রাখবে, সেটা আমার নিয়ন্ত্রণ থাকবে। আমার মনে আছে, পরের দিন সকালে আমি ম্যাকগ্রাকে বেশ কয়েকটা বাউন্ডারি মেরেছিলাম।'

বন্ধ করুন