বাংলা নিউজ > ময়দান > ব্যাটিংয়ে দক্ষ হলেও ইংরাজিতে দুর্বল, লকডাউনের মাঝেই ক্লাস শুরু করেছেন পাক অধিনায়ক
বাবর আজম। ছবি- গেটি ইমেজেস।
বাবর আজম। ছবি- গেটি ইমেজেস।

ব্যাটিংয়ে দক্ষ হলেও ইংরাজিতে দুর্বল, লকডাউনের মাঝেই ক্লাস শুরু করেছেন পাক অধিনায়ক

  • ভাষাগত কারণে সমালোচিত হয়ে পাক তারকা বলেন, 'আমি ক্রিকেটার, গোরা নই'।

একজন পরিণত ক্রিকেটার হওয়ার জন্য নিজের ব্যাটিং দক্ষতায় শান দেন নিয়মিত। এবার নেতৃত্বের দায়ভার হাতে নিয়ে মাঠের বাইরেও বিশেষ কিছু বিষয়ে দক্ষতা অর্জন করতে হচ্ছে পাকিস্তানের নবনিযুক্ত ওয়ান ডে অধিনায়ক বাবর আজমকে।

সাম্প্রতিক সময়ে বাবর আজমের ব্যাটিং নিয়ে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটমহলে বিস্তর চর্চা চলছে। যেভাবে উঠে আসছেন পাক তারকা, তাতে বিরাট কোহলি, স্টিভ স্মিথদের সঙ্গে ইতিমধ্যেই তুলনা টানা শুরু হয়ে গিয়েছে তাঁর। সুতরাং বাবরের ব্যাটিং দক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন তোলার জায়গা নেই। তবে বেশিরভাগ পাক ক্রিকেটারের মতোই বাবরের ইংরাজি ভাষার উপর দখল নিতান্ত দুর্বল। 

ইংরাজিতে সড়গড় নন বলে তাঁকে সমালোচনাও হজম করতে হয়েছে। প্রাক্তন পাক পেসার তনবীর আহমেদ ক'দিন আগেই জানিয়েছেন যে, একজন সফল অধিনায়ক হতে গেলে বাবরকে ইংরাজিতে কথা বলা শিখতে হবে। কেননা, আন্তর্জাতিক ম্যাচে টস থেকে শুরু করে ম্যাচের শেষে পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান পর্যন্ত সবকিছুতেই ক্যাপ্টেনকে নিজের ভাবনা যথাযথ প্রকাশ করতে হবে ক্রিকেটবিশ্বের সামনে।

তনবীরের এমন মন্তব্যের প্রেক্ষিতেই বাবর জানিয়েছেন যে, তিনি একজন ক্রিকেটার, গোরা (ইংরেজ) নন। তাই ইংরাজি ভাষার উপর দখল তাঁর সহজাত নয়। তিনি এটাও স্পষ্ট করে দিয়েছেন যে, ইংরাজি ভাষা একদিনে শেখা যায় না। ধীরে ধীরে উন্নতি করতে হয়। তবে তিনি ইংরাজির ক্লাস শুরু করেছেন ইতিমধ্যেই।

বাবর বলেন, ‘এখন আমি ব্যাটিংয়ে নজর দেওয়ার পাশাপাশি ইংরাজি ক্লাসও করছি।’

পাক অধিনায়ক পরক্ষণেই নিজের নেতৃত্ব ও ফাঁকা গ্যালারিতে ক্রিকেট ম্যাচের সম্ভাবনা প্রসঙ্গে বলেন, ‘আইসিসি ব়্যাঙ্কিংয়ে পাকিস্তান দল যেখানে দাঁড়িয়ে রয়েছে, তাতে আমি খুশি নই। আমি চাই বিশ্বব়্যাঙ্কিংয়ে উন্নতি করতে। পাকিস্তান দলকে নেতৃত্ব দেওয়া অত্যন্ত গর্বের বিষয়। আমি নেতৃত্ব দেওয়ার ক্ষেত্রে দৃষ্টান্ত স্থাপন করতে চাই। আমি নিশ্চিত, ক্যাপ্টেন্সির দায়িত্ব আমাকে পরিণত করে তুলবে এবং আমার ব্যাটিংয়ে এর নেতিবাচক প্রভাব পড়বে না।’

শেষে বাবর বলেন, ‘করোনার পরে ফাঁকা গ্যালারিতে খেলা শুরু হলে আমাদের বিশেষ অসুবিধা হওয়ার কথা নয়। কারণ, সম্ভবত আমরাই সবথেকে ভালো বুঝি সমর্থকদের ছাড়া ক্রিকেট খেলতে কেমন লাগে। আমরা গত দশ বছর ধরে দুবাইয়ে ক্রিকেট খেলে আসছি কার্যত ফাঁকা গ্যালারিতেই।’

বন্ধ করুন