বাংলা নিউজ > ময়দান > সাডেন ডেথে ফল ১১-১০, ম্যান ইউকে হারিয়ে ইউরোপা লিগ জয় ভিলারিয়ালের
ট্রফি হাতে ভিলারিয়াল ফুটবলারদের উল্লাস। ছবি- রয়টার্স। (Pool via REUTERS)
ট্রফি হাতে ভিলারিয়াল ফুটবলারদের উল্লাস। ছবি- রয়টার্স। (Pool via REUTERS)

সাডেন ডেথে ফল ১১-১০, ম্যান ইউকে হারিয়ে ইউরোপা লিগ জয় ভিলারিয়ালের

  • ঐতিহাসিক পেনাল্টি শুট আউটের পর ম্যাচ জিতে নেয় স্পেনের দলটি।

পোল্যান্ডের গেদান্সকে ইউরোপা লিগ ফাইনালে ভিলারিয়ালের মুখোমুখি হয় ম্যাঞ্চেস্টার ইউনাইটেড। ভিলারিয়াল ম্যানেজার উনাই এমরির সামনে প্রথম ম্যানেজের হিসাবে চারবার ইউরোপা লিগ জিতে ইতিহাস গড়ার হাতছানি ছিল, তো ইউনাইটেডের সামনে ছিল চার বছর পর প্রথম খেতাব জয়ের সুযোগ। ঐতিহাসিক পেনাল্টি শুট আউটের পর শেষ হাসি হাসলেন এমরিই, জিতে নিলেন তাঁর চতুর্থ ইউরোপা খেতাব।

ইউনাইটেড অধিনায়ক হ্যারি মাগুইর সম্পূর্ণ ফিট না হওয়ায় তাঁকে বেঞ্চে রেখেই মাঠে নামে ওলে গানার সোল্কজায়েরের দল। দলের প্রথম ১১ এডিনসন কাভানি, মার্কাস র‌্যাশফোর্ড, ব্রুনো ফার্নান্ডেজ ও মেসন গ্রিনউডকে সামিল করে নিজের মনোভাব স্পষ্ট করে দেন ওলে। অপরদিকে ভিলারিয়ালের হয়ে বিস্ময়বালক ইয়েরেমি পিনো সর্বকনিষ্ঠ স্প্যানিশ ফুটবলার হিসাবে কোন ক্লাবের হয়ে কোন বড় ইউরোপিয়ান ফাইনালে মাঠে নামেন। 

ম্যাচের শুরু থেকেই রাশ নিজেদের হাতে রেখেছিল ইউনাইটেড। বল দখলের লড়াইয়ে তাঁরা প্রতিপক্ষের থেকে এগিয়েই ছিল। তবে পরিচিত স্প্যানিশ ঘরানার পাসিং ফুটবল ও জমাট রক্ষণে ভর করে ম্যাচে টিকে থাকে ভিলারিয়াল। অবশেষে ২৯ মিনিটের মাথায় কিছুটা ম্যাচের গতির বিপরীতেই ইউনাইটেডের ভুলের সুযোগ নিয়ে মরশুমে নিজের ৩০ গোল করে হলুদ সাবমেরিনদের এগিয়ে দেন জেরার্ড মরেনো। ইউনাইটেডের হয়ে গ্রিনউডকে দুর্দান্ত ছন্দে দেখালেও গোলের দরজা খুলতে ব্যর্থ হন রেড ডেভিলসরা। প্রথমার্ধ শেষ হয় ভিলারিয়ালের পক্ষে ১-০ গোলে।

দ্বিতীয়ার্ধের শুরু থেকেই সর্বশক্তি দিয়ে ভিলারিয়ালের গোলে একের পর এক আক্রমণ হানাতে থাকে ইউনাইটেড। ৫৪ মিনিটের মাথায় কর্নার থেকে বল এসে পড়ে কাভানির পায়ে। ভিলারিয়ালের গোলে বল জড়াতে কোনরকম ভুল করেননি এই অভিজ্ঞ উরুগুয়ান স্ট্রাইকার। ম্যাচ যতই এগোয়, তা ফুটবলের বদলে কুস্তির আখড়ায় পরিণত হয়। দ্বিতীয়ার্ধ শেষে আর কোন গোল না হওয়ায়, ম্যাচ গড়ায় এক্সট্রা টাইমে।

এর আগে খানিকটা অদ্ভুদভাবেই এই দুই দলের চারবার সাক্ষাৎই গোলশূন্য শেষ হয়। ইতিহাস বজায় রেখে এক্সট্রা টাইমের পরও ম্যাচ ড্রয়ে শেষ হয়। তবে এইবার অবশেষে গোলশূন্য ম্যাচের প্রথা ভাঙল। ইউরোপা লিগের খেতাব নির্ধারণের লড়াই গড়ায় পেনাল্টির লটারিতে। 

সেখানে দুই দলই আশ্চর্যজনকভাবে নিজেদের প্রথম ১০ পেনাল্টি কিকেই গোল করতে সফল হয়। তবে শেষমেশ ১১ নম্বর শটে ইউনাইটেড গোলরক্ষক ডেভিড ডি হেয়ার শট বাঁচিয়ে দেন রুলি। ফলে অবশেষে ইউরোপা লিগের শিরোপা জিতে নেয় স্পেনের ক্লাবই। এই নিয়ে টানা ১০ নম্বর বার ইংল্যান্ডের কোন দলকে ইউরোপিয়ান ফাইনালে হারায় স্পেনের ক্লাব।

বন্ধ করুন