বাংলা নিউজ > বাংলার মুখ > অন্যান্য জেলা > হেলিকপ্টার থেকে বন্যা দেখে কী করবেন?পকেট থেকে ত্রাণ দিচ্ছি, হাতজোড় অগ্নিমিত্রার
অগ্নিমিত্রা পাল, বিধায়ক
অগ্নিমিত্রা পাল, বিধায়ক

হেলিকপ্টার থেকে বন্যা দেখে কী করবেন?পকেট থেকে ত্রাণ দিচ্ছি, হাতজোড় অগ্নিমিত্রার

  • অগ্নিমিত্রার দাবি, রাজ্য সরকার থেকে কোনও সহায়তা নেই। যেখানে যেখানে বন্যা হয়েছে সেখানে রাজ্য সরকারকে বলব সহায়তা পাঠান।

গত বুধবার আসানসোলের বিস্তীর্ণ এলাকা জলমগ্ন হয়ে যায়। হু হু করে জল ঢুকে যায় জনবসতি এলাকায়। এদিকে বৃহস্পতিবার থেকে পরিস্থতির উন্নতি হলেও দুর্গতরা সরকারি সহায়তা পায়নি বলে অভিযোগ। এদিকে ত্রাণের ব্যবস্থা করার জন্য সরকার বিধায়কদের সহায়তা করছে না বলেও শনিবার অভিযোগ তুললেন আসানসোল দক্ষিণ বিধানসভার বিধায়ক অগ্নিমিত্রা পাল। এদিন তিনি কালাপাহাড়ি এলাকায় ত্রাণ সামগ্রী নিয়ে যান। তাঁর দাবি রাজ্য সরকারের কাছ থেকে লিখিত অনুমতি নিয়েই ডিভিসি জল ছেড়েছিল। কিন্তু নিকাশি ব্যবস্থার সমস্যার জেরেই এলাকা জলমগ্ন হয়ে যায়। 

অগ্নিমিত্রার দাবি,  রাজ্য সরকার থেকে কোনও সহায়তা নেই। যেখানে যেখানে বন্যা হয়েছে সেখানে রাজ্য সরকারকে বলব সহায়তা পাঠান। দুর্গতরা তৃণমূল কিংবা বিজেপি যেই হোন না কেন ত্রাণ পাঠানোর জন্য সরকারকে বলব। আজকে আমরা ত্রাণ দিচ্ছি নিজেদের টাকা দিয়ে। সরকারের কোনও সহায়তা নেই। তৃণমূলের যাদের দোতলা, তিনতলা বাড়ি তারা আবাস যোজনার ঘর পাচ্ছেন। অথচ প্রকৃত গরিব মানুষ এই যোজনার সুবিধা পাচ্ছেন না। ওপর থেকে হেলিকপ্টার থেকে বন্যা দেখে কী লাভ হবে? বিধায়কের হাতে ত্রাণের টাকা দিন। হিসাবও নিয়ে নেবেন। না হলে কীভাবে এদের পাশে থাকব। হাত জোড় করে অনুরোধ করছি। মন্ত্রী এসে কী হবে? স্রেফ রাজনীতি করছেন। মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার আশায় এতটাই ব্যস্ত যে তিনি দুর্গতদের ভুলে গিয়েছেন। শুধু রাজনীতি করছেন। দাবি অগ্নিমিত্রার। পাপ্পু চৌহান নামে এক দুর্গত বাসিন্দা বলেন, কোনওরকমে বেঁচে গিয়েছি। ৪৫ মিনিটের মধ্যে ১২-১৪ ফুট জল বেড়ে গিয়েছিল। বাড়ির কোনও জিনিস বাঁচাতে পারিনি। 

 

বন্ধ করুন