বাংলা নিউজ > বাংলার মুখ > অন্যান্য জেলা > TMC: মালদায় তৃণমূল কর্মীকে অপহরণের অভিযোগ দলের অন্য গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে
তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব মালদায়। (ছবিটি প্রতীকী, সৌজন্যে এএনআই)

TMC: মালদায় তৃণমূল কর্মীকে অপহরণের অভিযোগ দলের অন্য গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে

  • মালদার হরিশ্চন্দ্রপুরের মালিওর ২ নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েতের কাতলামারী গ্রামের তৃণমূল কর্মী আব্দুল বারিককে অপহরণ করা হয়েছে বলে অভিযোগ। তৃণমূল কর্মীর পরিবারের সদস্যরা তৃণমূল নেতা আব্দুল বাসিরের বিরুদ্ধে এই অপহরণের অভিযোগ এনেছেন।

গোষ্ঠী কোন্দলের জেরে রাজ্যের একাধিক জায়গা তৃণমূলের দুই গোষ্ঠীর সংঘর্ষে উত্তপ্ত হয়েছে। এবার গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের জেরে এক তৃণমূল কর্মীর অপহরণের অভিযোগ উঠল তৃণমূলের অন্য এক গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে। মালদার হরিশ্চন্দ্রপুরের মালিওর ২ নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েতের কাতলামারী গ্রামের তৃণমূল কর্মী আব্দুল বারিককে অপহরণ করা হয়েছে বলে অভিযোগ। তৃণমূল কর্মীর পরিবারের সদস্যরা তৃণমূল নেতা আব্দুল বাসিরের বিরুদ্ধে এই অপহরণের অভিযোগ এনেছেন।

অভিযোগ পাওয়ার পরেই তদন্তে নেমেছে হরিশ্চন্দ্রপুর থানার পুলিশ। জানা গিয়ে, গত শনিবার নিজের বাড়ি থেকে অপহরণ হয়েছিলেন এই তৃণমূল কর্মী। ঘটনায় তার পরিবারের তরফে মোট ১৫ জনের বিরুদ্ধে অপহরণের অভিযোগ আনা হয়েছে। ঘটনার পর থেকেই পলাতক রয়েছেন আব্দুল বাসির এবং তার দলবল। পরিবারের অভিযোগ, আব্দুল বাসিরের বিরোধী গোষ্ঠী হল উনসা হক ঘনিষ্ঠ। আব্দুল বারিক উনসা হক গোষ্ঠীর সমর্থক।

এই ঘটনায় শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা। এ নিয়ে তৃণমূলকে কটাক্ষ করতে ছাড়েনি বিজেপি। উত্তর মালদার বিজেপি সাংসদ খগেন মুর্মু বলেন, ‘এখন গোটা বাংলা জুড়ে কাটমানি আর এলাকা দখলকে কেন্দ্র করে নিজেদের মধ্যে দ্বন্দ্বে জড়িয়েছে তৃণমূল। এটা সেই কারণেই হয়েছে।’ অন্যদিকে, মালদা পৌরসভার চেয়ারম্যান তথা তৃণমূল নেতা কৃষ্ণেন্দু নারায়ণ চৌধুরী বলেন, ‘যদি কেউ দলের নাম ভাঙিয়ে অপরাধ করে থাকে তাহলে দল তা বরদাস্ত করবে না। আইন অনুযায়ী তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’ উল্লেখ্য, হরিশ্চন্দ্রপুরে তৃণমূলের দুই গোষ্ঠীর বিবাদ দীর্ঘদিন ধরে রয়েছে। নেতারা দল পরিবর্তন করে শাসকদলের যোগ দিলেও সেই বিবাদ অব্যাহত রয়েছে।

বন্ধ করুন