বাংলা নিউজ > বাংলার মুখ > অন্যান্য জেলা > ক্রেন দিয়ে 'খুনের চেষ্টা' বনগাঁর BJP জেলা সভাপতিকে, 'শান্তনুর হাত' দেখছে TMC
ক্রেন দিয়ে 'খুনের চেষ্টা' বনগাঁর BJP জেলা সভাপতিকে, 'শান্তনুর হাত' দেখছে TMC। (ছবিটি প্রতীকী, সৌজন্য এএনআই)
ক্রেন দিয়ে 'খুনের চেষ্টা' বনগাঁর BJP জেলা সভাপতিকে, 'শান্তনুর হাত' দেখছে TMC। (ছবিটি প্রতীকী, সৌজন্য এএনআই)

ক্রেন দিয়ে 'খুনের চেষ্টা' বনগাঁর BJP জেলা সভাপতিকে, 'শান্তনুর হাত' দেখছে TMC

  • তৃণমূলের দাবি, এই ঘটনার সঙ্গে তৃণমূলের বিন্দুমাত্র কোনও যোগ নেই। 

এবারে তৃণমূলের বিরুদ্ধে খুনের চেষ্টার অভিযোগ করলেন বনগাঁ সাংগঠনিক জেলা সভাপতি মনস্পতি দেব। যদিও এই ঘটনার সঙ্গে তৃণমূল আদৌ জড়িত নয় বলে জানানো হয়েছে। যদিও তৃণমূলের দাবি, এই ঘটনার পিছনে বনগাঁর বিজেপি সাংসদ শান্তনু ঠাকুরের হাত থাকতে পারে। ইতিমধ্যে গাইঘাটা থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। ইতিমধ্যে পুলিশ ক্রেন-সহ চালককে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করতে শুরু করেছে।উল্লেখ্য, গতকাল কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার যে রদবদল হয়, তাতে বনগাঁর বিজেপি সাংসদ কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভায় জায়গা করে নিয়েছেন।

এদিন ঘটনা প্রসঙ্গে বিজেপির বনগাঁ সাংগঠনিক জেলা সভাপতি মনস্পতি দেব জানান, ‘‌এদিন বিকেলে গাড়িতে করে গাইঘাটা থেকে বনগাঁ বিজেপি পার্টি অফিসে আমি যাচ্ছিলাম। যশোর রোডে ৪৪ নম্বর বাসস্ট্যান্ডের কাছে উল্টো দিক একটি লাল রঙের ক্রেন দ্রুতগতিতে ধেয়ে আসছিল। ক্রেনটিকে অত্যন্ত দ্রুতগতিতে আসতে দেখে আমার গাড়ির চালক গাড়িটিকে রাস্তা ছেড়ে ফুটপথে নামিয়ে দেয়। গাড়িটিকে ফুটপাতে নামিয়ে দেওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ক্রেনটিকে ফুটপাতে নামিয়ে দেওয়া হয় ও গতি বাড়িয়ে দেওয়া হয়। তখন আমার গাড়ির চালক আমায় রাস্তার ধারে একটি বাড়ির কোণে নামিয়ে দেয়। ঠিক তখনই আমাদের গাড়ির পিছনে পুলিশের একটি ভ্যান আসছিল। ওই পুলিশের ভ্যানটিকে দেখে ক্রেনটি পালিয়ে যায়।’‌ তিনি জানান, এই ঘটনার পর আমি গাইঘাটা থানায় যাই অভিযোগ দায়ের করতে। কিন্তু গাইঘাটা থানা প্রথমে অভিযোগ নিতে চায়নি। এরপর অবশ্য থানায় অভিযোগ নেয়।

গোটা ঘটনার দায় তৃণমূলের ঘাড়ে চাপিয়ে বনগাঁ বিজেপি জেলা সভাপতির অভিযোগ, এই ঘটনার পিছনে অবশ্য তৃণমূলের হাত রয়েছে। তৃণমূলের প্রশ্রয় ছাড়া কোনও দুষ্কৃতী ঘটাতে পারে বলে মনে হয় না। তৃণমূল আমার ওপর বরাবরই ক্ষুব্ধ। এর আগেও আমাকে মারার চেষ্টা হয়েছে। কিন্তু অন্যদিকে তৃণমূলের দাবি, এই ঘটনার সঙ্গে তৃণমূলের বিন্দুমাত্র কোনও যোগ নেই। আসলে বিজেপি সাংসদ শান্তনু ঠাকুর মনপস্তিকে জেলা সভাপতির পদ থেকে সরাতে চাইছেন। এটা সাংসদের সঙ্গে জেলা সভাপতির বিবাদের ফল। তাঁকে রাজনৈতিকভাবে শেষ করার জন্য শান্তনু ঠাকুর ও তাঁর অনুগামীরা কাজ করছেন। এখানে তৃণমূলের কোনও যোগ নেই। তাঁকে যদি মারার চক্রান্ত হয়ে থাকে, তাহলে থানা এসে অভিযোগ করুক। অহেতুক তৃণমূলের নামে মিথ্যা অভিযোগ করছেন কেন?‌

যদিও এই প্রসঙ্গে অবশ্য বিজেপির বনগাঁ জেলা সভাপতির মত, বিজেপিতে সবাই ভাই। একই পরিবারে অনেকে থাকলে মতানৈক্য বিবাদ থাকতে পারে। তাই বলে কোনও গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব নেই।

বন্ধ করুন