বাংলা নিউজ > বাংলার মুখ > অন্যান্য জেলা > জেলাজুড়ে সাড়া ফেলেছে ‘‌লক্ষ্মীর ভাণ্ডার’‌ চিপস, কিনলেই হাতে মিলছে উপহার
লক্ষ্মীর ভাণ্ডার প্রকল্পের নাম করে চিপস

জেলাজুড়ে সাড়া ফেলেছে ‘‌লক্ষ্মীর ভাণ্ডার’‌ চিপস, কিনলেই হাতে মিলছে উপহার

  • এখন এই চিপসের চাহিদা ক্রমশ বেড়ে চলেছে। জেলা জুড়ে প্রত্যেকটি দোকানে কচিকাঁচারা ভিড় করছে।

একুশের নির্বাচনে খেলা হবে স্লোগান রাজ্য–রাজনীতিকে তোলপাড় করেছিল। এই স্লোগান নিয়ে তৈরি হয়েছিল চিপস। আর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তৃতীয়বার রাজ্যের ক্ষমতায় এসে লক্ষ্মীর ভাণ্ডার প্রকল্পের ঘোষণা করেন। যা গোটা রাজ্যে আলোড়ন ফেলে দিয়েছে। এবার সেই প্রকল্পকে ঘিরে শিশুদের চিপস তৈরি হবে তা কেউ ভাবতে পারেননি। এমনকী মহিলারা যেমন এই প্রকল্পের সুবিধে পাচ্ছেন তেমনি কচিকাঁচারা এই চিপস কিনে এক টাকা থেকে ৫০ টাকা পর্যন্ত উপহার পাচ্ছে।

এখন এই চিপসের চাহিদা ক্রমশ বেড়ে চলেছে। জেলা জুড়ে প্রত্যেকটি দোকানে কচিকাঁচারা ভিড় করছে। নামে এবং স্বাদের সঙ্গে উপহারের কারণে বিক্রি বেড়ে চলেছে। এক দুইটি না বেশ কিছু কোম্পানি লক্ষ্মীর ভাণ্ডার প্রকল্পের নাম করে চিপস বানিয়ে বিক্রি করছে। বাকি পুরসভা নির্বাচনগুলির আগে এই চিপস জেলা জুড়ে ব্যাপক সাড়া ফেলেছে।

এই বিষয়ে তৃণমূল কংগ্রেসের দক্ষিণ দিনাজপুরের জেলা সভাপতি উজ্জ্বল বসাক বলেন, ‘‌কে বা কারা চিপসের নাম লক্ষ্মীর ভাণ্ডার দিয়েছে জানি না। তবে যারা দিয়েছে নিশ্চয়ই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রকল্পে অনুপ্রাণিত হয়েই দিয়েছে। আমরা তাঁদের স্বাগত জানাই।’‌ বালুরঘাট শহরের এক ব্যবসায়ী বলেন, ‘রোজ ব্যাপক পরিমাণে বিক্রি হচ্ছে। লক্ষ্মীর ভাণ্ডার নামের চিপস শিশুদের আকর্ষণ করেছে।’‌

উল্লেখ্য, একুশের নির্বাচনের সময় খেলা হবে চিপস বাজারে দাপিয়ে বেরিয়েছিল। এবার বাজার কাঁপাতে চলে এসেছে লক্ষ্মীর ভাণ্ডার চিপস। দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার বালুরঘাটের প্রায় প্রত্যেকটি দোকানেই দেখা মিলছে এই চিপসের। খেতেও সুস্বাদু। শিশু থেকে বুড়ো সকলেই এই চিপসের ভক্ত হয়ে উঠেছে। লক্ষ্ণীর ভাণ্ডার নাম শুনে অনেকেই এই চিপসটি কিনচ্ছেন।

বন্ধ করুন