বাংলা নিউজ > বাংলার মুখ > অন্যান্য জেলা > বহরমপুরে বেসরকারি সংস্থার চাকরির লাইনে হুড়োহুড়ি, লাঠি চালাল পুলিশ
শনিবার বহরমপুর স্টেডিয়ামে বেকার যুবকদের ওপর লাঠি চালাচ্ছে পুলিশ।

বহরমপুরে বেসরকারি সংস্থার চাকরির লাইনে হুড়োহুড়ি, লাঠি চালাল পুলিশ

  • হুমায়ুন কবীর জানিয়েছেন, ‘বেসরকারি সংস্থায় চাকরির জন্য এত ছেলে ভিড় করবে বুঝতে পারিনি। পরিস্থিতি এক সময় হাতের বাইরে চলে গিয়েছিল।’

বেসরকারি পরিকাঠামো নির্মাণ সংস্থায় চাকরির ফর্ম জমা দেওয়ার হুড়োহুড়িতে পুলিশের লাঠিচার্জ। ঘটনাকে কেন্দ্র করে শনিবার উত্তপ্ত হয়ে ওঠে বহরমপুর স্টেডিয়াম। ১,২০০টি পদের জন্য ফর্ম জমা দিতে বিভিন্ন জায়গা থেকে হাজির হন প্রায় ৩.৫ লক্ষ যুবক। যা দেখে বিজেপির কটাক্ষ, ছবিতে স্পষ্ট পশ্চিমবঙ্গে কর্মসংস্থানের কী হাল।

শনিবার বহরমপুর স্কোয়্যার ফিল্ড স্টেডিয়ামে বেসরকারি পরিকাঠামো নির্মাণ সংস্থা লারসেন অ্যান্ড টুবরোয় কর্মীনিয়োগ চলছিল। সংস্থাকে কর্মীনিয়োগের জন্য মুর্শিদাবাদে আমন্ত্রণ জানিয়েছিলেন মন্ত্রী হুমায়ুন কবীর। ১,২০০ শূন্যপদে নিয়োগের যোগ্যতা ছিল অষ্টম শ্রেণি থেকে দ্বাদশ শ্রেণি পাশ। সেখানে চাকরির জন্য শনিবার সকাল থেকে ভিড় করতে থাকেন যুবকরা। বেলা বাড়লে ফর্ম আগে জমা দেওয়ার জন্য শুরু হয় ঠেলাঠেলি। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে লাঠি চালায় পুলিশ।

হুমায়ুন কবীর জানিয়েছেন, ‘বেসরকারি সংস্থায় চাকরির জন্য এত ছেলে ভিড় করবে বুঝতে পারিনি। পরিস্থিতি এক সময় হাতের বাইরে চলে গিয়েছিল।’

চাকরিপ্রার্থী চিরঞ্জিত মণ্ডল বলেন, ‘রাজ্যে কোনও চাকরি নেই। সরকারি চাকরি তো প্রায় বন্ধই হয়ে গিয়েছে। শূন্যপদ থাকলেও প্রাথমিক থেকে হাই স্কুলে নিয়োগ বন্ধ। তাই বেসরকারি চাকরির দিকেই তাকিয়ে সবাই।’

ঘটনায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার রাজ্য কর্মসংস্থান তৈরিতে ব্যর্থ বলে আক্রমণ শানিয়েছে বিজেপি। বিজেপি নেতা অমিত মালব্য পুলিশের লাঠিচালানোর ভিডিয়ো টুইট করে লিখেছেন, ‘মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রশাসন বেকার যুবকদের পেটাচ্ছে। একজন মুখ্যমন্ত্রীর যখন কর্মসংস্থান তৈরির বদলে অন্যদিকে নজর থাকে তখন এরকম হয়। পশ্চিমবঙ্গে কোনও শিল্প, কোনও চাকরি নেই। বোমা তৈরির অবৈধ কারখানাগুলি শুধু বেঁচে আছে।’

 

বন্ধ করুন